সোমবার, ৯ নভেম্বর, ২০২০

সংখ্যালঘু বৃত্তিতে ঢালাও জালিয়াতি, তদন্তে সিবিআই



পুবের কলম, নয়াদিল্লিঃ সংখ্যালঘ‍ুদের কল্যাণের জন্য দেওয়া বৃত্তি নিয়েও ঢালাও দুর্নীতি। পরিস্থিতি এতটাই ঘোরালো যে, সিবিআইকে এর তদন্ত করতে হচ্ছে। পঞ্জাব, অসম, ঝাড়ূণ্ডের মতো রাজ্যগুলিতে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। ব্যতিক্রম একমাত্র পশ্চিমবঙ্গ। এখানে ৪২ লক্ষেরও বেশি পড়‍ুয়াদের সংখ্যালঘু বৃত্তি দেওয়া হয়। কিন্তু কোনও দুর্নীতির অভিযোগ নেই।

 

দরিদ্র সংখ্যালঘু প্রি-ম্যাট্রিক পড়‍ুয়াদের জন্য কেন্দ্র সরকার একটি বৃত্তি দেয়। গতবছর গোটা দেশে ১৪০০ কোটি টাকা এই খাতে ঢেলেছে কেন্দ্র। কিন্তু সেই বৃত্তির টাকা ঠিকমতো বণ্টন করা হচ্ছে না। তার বদলে এই বৃত্তির টাকা নিয়ে শুরু হয়েছে জালিয়াতি। এই জালিয়াতির সঙ্গে যুক্ত রয়েছে ফড়ে, ব্যাঙ্ককর্মী, সরকারি আধিকারিক ও স্কুলের কর্মচারীরা। অভিযোগ উঠেছে এমনই। সূত্রের খবর, এই ব্যাপারে তদন্ত করবে সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন। কেন্দ্রীয় সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রক যারা এই বৃত্তি পরিচালনা করে, সিদ্ধান্ত নিয়েছে জালিয়াতির বিষয়টি পর্যালোচনা করার।

 

এই জালিয়াতির পর্দা প্রথমে ফাঁস করে এক জাতীয় দৈনিক। তারা দেশের বিভিন্ন জায়গায় তদন্ত চালিয়ে তুলে আনে চাঞ্চল্যকর তথ্য। ঝাড়ূণ্ড ও গয়ার রাঁচি, ধানবাদ, লাতিহার, রামগড়, লোহারদাগা এবং বিহারের দ্বারভাঙা ও সহরসাতে খোঁজখবর ও তদন্ত চালিয়েছিল। বহু পড়‍ুয়ার আধার কার্ড ও আঙুলের ছাপ নেওয়া হয়েছে। কিন্তু দেখা গিয়েছে, বৃত্তির নামমাত্র টাকা তারা পেয়েছে। অনেকে আবার পাইনি। কিন্তু তাদের নামে বৃত্তির পুরো টাকা তোলা হয়েছে। আবাসিক পড়‍ুয়াদের জন্য ওই বৃত্তির টাকা বরাদ্দ। কিন্তু এমন স্কুলের নামে সেই টাকা জালিয়াতি করে তোলা হয়েছে যে স্কুলের হস্টেলই নেই। পঞ্জাবের এক স্কুল ও অসমের এক কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ের নাম জাল করে ব্যবহার করা হয়েছে। এইরকম আরও কত ঘটনা ঘটেছে তার ইয়ত্তা নেই। 


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only