শনিবার, ২১ নভেম্বর, ২০২০

আইনকে ব‍ুড়ো আঙ‍ুল দেখিয়ে রাম মন্দিরেরর জন্য দুর্লভ পাথরের খনন কাজের অনুমতি রাজস্থানে



জয়পুর, ২১ নভেম্বরঃ অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণের কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। অথচ সেই প্রয়োজনীয় গোলাপির বেলে পাথুর পাওয়া যাচ্ছে না। যে না হলে মন্দির নির্মাণ হবে কী করে? খোলা বাজারে এই দুর্লভ মূল্যবান পাূর নেই। আছে কেবল রাজস্থানের ভরতপুরের বন্ধ বারোটা অভয়ারণ্য। সেখানে প্রায় ১ লক্ষ ঘন ফুটের বেশি গোলাপি বেলেপাথর রয়েছে বাঁসি পাহাড়পুর অঞ্চলে। কিন্তু অভয়ারণ্যের মধ্যে খনন কাজ চালানোর কোনও অনুমতি নেই। 


সরকারিভাবে ওই অভয়ারণ্যে খনন কাজ বন্ধ ২০১৬ সাল থেকে। তাতে কী? নিয়ম-কানুন সব তো পালটাতেই হবে! রাম মন্দির নির্মাণ বলে কথা! ইতিমধ্যে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ প্রশাসনকে হুমকি দিয়ে রেখেছে রাজস্থান সরকারকে বুঝতে হবে এই রাম মন্দির নির্মাণ গোটা দেশের জন্য মহৎ কাজ। যখনই এই কাজে কোনও রকম বাঁধা এসেছে, তখনই সমাধানও বের হয়েছে। 


সরকার যদি এই মুহূর্তে বাঁসি পাহাড়পুর পাথরূনিকে বৈধ ঘোষণা করে খননের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়, তাহলে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ সেই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাবে। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের প্রচ্ছন্ন হুমকির ম‍ুখে পড়ে এখন বন্ধ বারোটা অভয়ারণ্য কর্তৃপক্ষকে ফর্মান জারি করে খননকাজ শুরু করতে বলেছে রাজস্থান সরকার। বন্যপ্রাণ সংরক্ষণ আইন ভেঙেই সেখান থেকে পাথর তোলা হবে রাম মন্দির নির্মাণের জন্য। ;


প্রসঙ্গত, দুর্লভ গোলাপি বেলে পাথরের চাহিদা রয়েছে সারা দেশে। বেআইনিভাবে মাঝেমধ্যেই যে পাথর খনন হয়, তার প্রমাণ পাওয়া যায় খোলা বাজারে এই পাথরের পসরা দেখতে। গত ৭ সেপ্টেম্বর ভরতপুর প্রশাসন এমনই ২৫ ট্রাক অবৈধ ূননের বেলেপাথর বাজেয়াপ্ত করে। শোনা যাচ্ছে, সেই বাজেয়াপ্ত করা পাথরও চলে যাবে অযোধ্যায়। এ ছাড়া, পরিবেশ আদালত মেনে নিক বা না নিক, অভয়ারণ্যের বন্য প্রাণ সংরক্ষণের আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়েই দুর্লভ গোলাপি বেলে পাথর তোলা হবে এটা নিশ্চিত করেই বলা যায়। অন্যান্য সব বাঁধা কাটানোর মতো অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণের জন্য গোলাপি বেলে পাথরের বাধাও কেটে যাচ্ছে। 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only