রবিবার, ২২ নভেম্বর, ২০২০

খালিদ ও শারজিল ইমামের বিচারবিভাগীয় হেফাজত বাড়ল

 



নয়াদিল্লি, ২১ নভেম্বরঃ দিল্লির একটি আদালত শুক্রবার দিল্লি দাঙ্গা মামলায় গ্রেফতার জেএনইউ-এর প্রাক্তন পড়‍ুয়া উমর খালিদ এবং গবেষক শারজিল ইমামের বিচার বিভাগীয় হেফাজত ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়েছে। বেআইনি কর্মকাণ্ড (প্রতিরোধ) আইনের আওতায় গ্রেফতার হওয়া উভয় পড়‍ুয়াকে রিমান্ড শেষে ভিডিয়ো কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে অতিরিক্ত দায়রা বিচারক অমিতাভ রাওয়াতের এজলাশে হাজির করা হয়েছিল।


উল্লেখ্য, উত্তর-পূর্ব দিল্লির গোষ্ঠী সংঘর্ষে জড়িত থাকার অভিযোগে জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন পড়‍ুয়া উমর খালিদকে গ্রেফতার করে দিল্লি পুলিশের বিশেষ সেল। ‘বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইনে’ (ইউএপিএ) তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। উমর খালিদ সেই সকল তরুণ কর্মীর মধ্যে অন্যতম, যাদের বিরুদ্ধে ফেব্র&য়ারিতে দিল্লিতে হিংসা ছড়ানো সম্পর্কিত মামলা করা হয়েছিল। দাঙ্গার নেপথ্যে বৃহত্তর ষড়যন্ত্র রয়েছে এই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তের জন্য পুলিশ ইউএপিএ আইন ব্যবহার করেছে।


এই ইউএপিএ হল আসলে সন্ত্রাস-বিরোধী আইন। যার লক্ষ্য ব্যক্তি কিংবা কোনও অ্যাসোসিয়েশনে কিছু বেআইনি কর্মকাণ্ড কিংবা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা প্রতিরোধ করার জন্য এই আইন। ১৯৬৭ সালে এই আইন প্রথম ব্যবহৃত হয়েছিল বিছিন্নতাবাদী সংগঠনগুলিকে লক্ষ্য করে। এটি বর্তমানে বাতিল করা সন্ত্রাসবাদ ও বিপর্যয়মূলক কর্মকাণ্ড (প্রতিরোধ) আইন (টিএডিএ) এবং সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধ আইন (পোটা)-এর মতো আইনগুলির পূর্বসূরি হিসাবে বিবেচিত হয়।


এ ছাড়াও যত সময় এগিয়েছে সংশোধনগুলি ইউএপিএকে আরও কঠোর করে তুলেছে। ২০১৯ সালে সর্বশেষ সংশোধনীর পরে, একজন ব্যক্তিকে সন্ত্রাসী হিসাবে চিহ্নিত করা যেতে পারে এই আইনের দ্বারা। আর এই ইউএপিএ মামলাগুলি বিশেষ আদালত দ্বারা বিচার করা হয়।


অন্যদিকে, দেশদ্রোহের মামলায় গ্রেফতার করা হয় শাহিনবাগের প্রতিবাদের অন্যতম প্রধান উদ্যোক্তা তথা জেএনইউ-এর গবেষক শারজিল ইমামকে বিহারের জাহানাবাদ থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সিএএ-বিরোধী বিক্ষোভের সময় ‘বিচ্ছিন্নতাবাদী ও সাম্প্রদায়িক’ মন্তব্য করার অভিযোগে শরজিলের বিরুদ্ধে দেশের পাঁচ রাজ্যে দেশদ্রোহ সহ একাধিক মামলা দায়ের হয়েছে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only