শুক্রবার, ২০ নভেম্বর, ২০২০

বাড়ির ছাদেই ছট পুজো: মন চাঙ্গা তো কঠোতি মে গঙ্গা! - মানলেন পূণ্যার্থীরা




দেবশ্রী মজুমদার, বীরভূম, ২০ নভেম্বর:  কোভিড সঙ্ক্রমণের সময় সামাজিক দূরত্ব বিধি ও পরিবেশ আদালতের নির্দেশ মেনে অনেকেই ঘাট মুখো হন নি। উপায়ও বের করে নিয়েছেন। কথায় আছে, মন চাঙ্গা তো কঠোতি মে গঙ্গা! 


চারদিনের এই ব্রতে  পুণ্যার্থীরা পূজা উপাচার নিয়ে স্নানের ঘাটে হাজির হয়। কিন্তু কোভিড এবার সেই নিয়মে ছেদ টেনেছে। সংক্রমণের আশঙ্কায় পরিবেশ আদালতের নির্দেশে এবার রাজ্য সহ জেলার বিভিন্ন ঘাটে  ভিড়ে নিষেধাজ্ঞা আছে। অনেক ক্ষেত্রে সচেতন মানুষ নিজেরাই বাড়ির ছাদে ছট পুজো সেরেছেন। এমন দৃশ্য দেখা গেল বোলপুরের বাসস্ট্যান্ডে চা ব্যবসায়ী নরেন ভকতের বাড়ির ছাদে। বাড়ির মহিলারা জল ভর্তি প্লাস্টিকের গামলায় উপাচার নিয়ে দাঁড়িয়ে ছট পুজো সেরেছেন। তাতে কি?  মন ঠিক থাকলে, ঘাট যাওয়ার দরকার পড়ে না। তবে জেলার কিছু জায়গায় ঘাট পরিষ্কার রাখা হয়। সেখানে যথারীতি ছট পুজো সেরেছেন অনেকেই। কেউ আবার বাড়ির ছাদে প্লাস্টিক দিয়ে নকল জলাশয় বানিয়ে পুজো অর্চনা সেরেছেন। তাতে আক্ষেপ একটা আছে। তবে, সঙ্ক্রমণ রুখতে এছাড়া অন্য পথ নেই। উৎসব যদি আনন্দের হয়, তাকে রোগ সঙ্ক্রমণের মাধ্যমে নিরানন্দময় করা যায় না, এমনটা মত অনেক পূণ্যার্থীর। এই পূজায় কোন মূর্তি পূজা হয় না।  অস্তগামী ও উদীয়মান সূর্যকে শুদ্ধাচারে বিভিন্ন উপাচারে অর্ঘ্য দেওয়ায় নিয়ম বা রীতি।

রামপুরহাট গান্ধী উদ্যানের পার্ক,রেলপাড় লোকো পুকুর পাড়, চাঁদমাড়ী ছিতুনি পুকুর পাড়, চালধয়ানী পুকুরপাড়, প্রত্যেক বছরের তুলনায় এবছর ছটপুজোয় আয়োজনের ঘটা কিছু বেশি বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রীয় বিহারি সমাজের পক্ষ থেকে।

বীরভুম জেলার রামপুরহাট বিধানসভায় সব মিলিয়ে শহরে পুকুরপাড়ে অনেক অস্থায়ী ঘাট তৈরি করা হয়েছে। পাশাপাশি খাওয়ার জলের ব্যবস্থা, শৌচালয়, জল থেকে উঠে পোশাক বদলের জন্য পৃথক ঘর, ওষুধপত্রের ব্যবস্থা, এবং প্রশাসনিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাও থাকছে প্রত্যেক ঘাটের পাশে।”

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only