বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২০

বন্ধকে উপেক্ষা করে সচল থাকল এমএএমইর অধীনে থাকা সমস্ত দফতর



আবদুল ওদুদ,কলকাতাঃবাম-কংগ্রেসসহ ১৪ দলের শ্রমিক সংগঠনের ডাকা বৃহস্পতিবারের ভারত বনধে কলকাতার সংখ্যালঘু অর্থাৎ এমএএমই দফতরে কোনও প্রভাব পড়লনা। এমএএমই-র অধীনে থাকা পশ্চিমবঙ্গ সংখ্যালঘু উন্নয়ন বিত্ত নিগম, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য হজ কমিটি, রাজ্য ওয়াকফ বোর্ড, পশ্চিমবঙ্গ মাদ্রাসা শিক্ষাপর্ষদ সহ অন্যান্য দফতরে কর্মীদের উপস্থিতির হার ছিল ১০০ শতাংশ।

সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দফতরের অতিরিক্ত সচিব ওবাইদুর রহমান জানান, নবান্নের সংখ্যালঘু দফতরে রোস্টার অনুযায়ী সমস্ত অফিসার এবং কর্মীরা বনধকে উপেক্ষা করে যথাযত সময়ে দফতরে পৌছান। রাস্তাঘাট ফাঁকা থাকায় সময়ের আগেই তাঁরা অফিসে পৌছেযান। ওবাইদুর রহমান বনধ সম্পর্কে বলেন, বনধে এমএ এমই বিভাগে কোনও ছায়া পড়েনি। অন্যান্য দিনের মতোই এদিনও কাজ কর্ম হয়েছে।  

মাদ্রাসা শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি ড. আবু তাহের কমরুদ্দিন বৃহস্পতিবার জানান বোর্ডের মাওলানা আবুল কালাম আজাদ ভবন দফতরে বনধকে উপেক্ষা করে রোস্টার অনুযায়ী সমস্ত কর্মী এসেছিলেন। এখন মুলত পরীক্ষা সংক্রান্ত এবং সিলেবাস নিয়ে কাজ হচ্ছে। দফতরে সমস্ত কাজই সুষ্ঠভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। কোথাও কোন গণ্ডগোল নেই। কর্মীরা যথাযত সময়ে অফিসে এসে সমস্ত কাজ করেছেন বলে তিনি জানান। বোর্ড প্রেসিডেন্ট আরও জানান, কর্মীদের কোনও কিছু কাজে যাতে অসুবিধা না হয় তার জন্য অনেকে সকাল সকাল দফতরে হাজির হয়েছেন, আবার ডিউটি শেষে সঠিক সময়ে যাওয়ার ব্যাপারেও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। 

সংখ্যালঘু উন্নয়ন ও বিত্ত নিগমে ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মৃগাঙ্ক বিশ্বাস জানান, ''নিগমের সল্টলেকের দফতরে ১০০ শতাংশ কর্মী উপস্থিত ছিলেন। কর্মীদের উপস্থিতির হার রোস্টার মেনেই এসেছেন। ফলে বিত্ত নিগমের দফতরে কাজ করতে কোন সমস্যা হয়নি। অন্যান্য দিনের মতোই স্বাভাবিক ছিল নিগমের দফতর বলে তিনি জানান''। রাজ্য ওয়াকফ বোর্ডের সিইও নাভেদ আখতার জানান, ''করোনা পরিস্থিতিতে বোর্ডে যে সংখ্যা কর্মীর উপস্থিতির কথা ছিল তা বনধকে উপেক্ষা করে সকলেই এসেছিলেন। ফলে এই দফতরেও কোনও অসুবিধা হয়নি "। 

পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য হজ কমিটির দফতরে কার্যনির্বাহি আধিকারিক মুহাম্মদ নকি ''জানান করোনা পরিস্থিতিতে হজ কমিটির আংশিক কাজ রাজারহাট নিউটাউনের আলিয়া ক্যাম্পাস এবং পার্ক সার্কাস হজ হাউসে চলছে। রোস্টার অনুযায়ী প্রত্যেককর্মী এই দিন নিজ নিজ কাজে যোগ দেন। ২০২১-এর হজযাত্রা নিয়ে এখন আবেদনপত্র জমা দেওয়ার কাজ চলছে। সেই সমস্ত কাজগুলি বনধের দিনেও হয়েছে। তবে কর্মী সঠিক উপস্থিত থাকলেও লোকের আনাগোনা ছিল অনেকটাই কম। দফতরের দুই শাখায় এদিন খোলা ছিল, কর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন"।  


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only