শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২০

শীত পড়তেই পঞ্চানন্দপুর চরে বাড়ছে পরিযায়ী পাখিদের আনাগোনা



রেজাউল করিম, মোথাবাড়ি:­ পরিযায়ী পাখিদের অন্যতম আকর্ষণকেন্দ্র হিসাবে গড়ে উঠেছে মোথাবাড়ি থানার পঞ্চানন্দপুর চর সংলগ্ন এলাকা। ফি বছর প্রাক শীতকালীন মূহূর্তে ভিন্ন ভিন্ন প্রজাতির কাদা খোঁচা, ছোট গোত্রা, মহা গাঙচিল, কুশিয়াচাহা, জৌরালি পরিযায়ী পাখিরা ফিনল্যান্ড,রাশিয়া, সাইবেরিয়া থেকে নির্জন এই স্থানে ভিড় জমায়। এ বছর বেশকিছুটা সময় আগেই শীত শুরু হয়ে গিয়েছে। সেকারণে নভেম্বরের প্রাক্কালেই দেখা মিলেছে এইসব পাখিদের। প্রজনের কারণে পাখিরা মূলত নির্জনতা পছন্দ করে গঙ্গার তীরবর্তী এই চরগুলিতে। যার জেরে খুব সহজেই এখানে ভিড় জমায়। পাখি বিশেষজ্ঞদের দাবি, করোনা কালীন আবহের জেরে দূষণ এ বছর অনেকখানিই কমেছে। দীর্ঘ লকডাউনের জেরে পরিবেশে যানবাহন দূষণের পাশাপাশি বায়ুদূষণও অনেকখানি কমেছে বলা যায়। সে কারণে একটু আগেভাগেই শীত পড়তে না পড়তেই পরিযায়ীদের দেখা মিলেছে। ভিন রাজ্য থেকেও পাখিরা এসে ভিড় জমায় এখানে। পরিযায়ীরা আসার সঙ্গেই সঙ্গে দর্শনার্থীদেরও আগমন হয় এখানে। গঙ্গার তীরবর্তী এলাকায় মনোরম পরিবেশ উপভোগ করার পাশাপাশি পরিযায়ীদের ক্যামেরাবন্দিও করেন দূর-দূরান্ত থেকে আগত দর্শনার্থীরা। নৌকায় গঙ্গা ভ্রমণের আশায় মাঝিরাও দু-পয়সা বেশি রোজগারের আশায় বুক বাঁধে। মোথাবাড়ি থানার পঞ্চানন্দপুরে গঙ্গার চরটি পরিযায়ী পাখিদের অন্যতম প্রিয় জায়গা। এছাড়াও,  মানিকচক, ভূতনি চরগুলিও দিনের পর দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। ইতিমধ্যেই গজলডোবার মতো পঞ্চানন্দপুরকেও রাজ্যের পর্যটন মানচিত্রে নিয়ে আসার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা সহ পক্ষী বিশেষজ্ঞ কাঞ্চনকুমার বসু। তিনি বলেন, ‘মূলত নির্জনতার কারণে লুপ্তপ্রায় পরিযায়ী পাখিরা এখানে এসে ভিড় জমায়।’ সূত্রের খবর, এ বিষয়ে তারা কালিয়াচক-২ ব্লক প্রশাসনের কাছে আর্জিও জানান। যদিও বিষয়টি নিয়ে চিন্তাভাবনার কথা জানায় ব্লক প্রশাসন।


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only