রবিবার, ২২ নভেম্বর, ২০২০

দেশের কিছু নীতই সমাজকে বিভাজন করছেঃ হামিদ আনসারি



পুবের কলম প্রতিবেদকঃপরোক্ষ এবং প্রত্যক্ষ কিছু নীতি সমাজকে ‘আমরা-ওরায়’ বিভাজন করছে। করোনা মহামারির প্রাদুর্ভাবের অনেক আগেই দু’টি অন্য মহামারি ভারতকে গ্রাস করেছে, এক ধর্মান্ধতা এবং দ্বিতীয়টি হল উগ্র জাতীয়তাবাদ। এই দু’টির চেয়ে অনেক ইতিবাচক ধারণা হল দেশাত্মবোধ। কংগ্রেস নেতা শশী থারুরের ‘দ্য ব্যাটল অফ বিলংগিঙ্গ’ বইটির উন্মোচন অনুষ্ঠানে ভার্চুয়াল বক্তৃতায় মন্তব্য করেছেন ভারতের প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি হামিদ আনসারি। আনসারি মন্তব্য করেন, গত চার বছরে জাতীয়তাবাদের পথ ছেড়ে সাংস্কৃতিক জাতীয়তাবাদের দিকে পা বাড়িয়েছে ভারত। শশী থারুরের বইয়ে আবেগঘন আবেদন জানানো হযেছে ভারতের মূল আদর্শে ফিরে আসুক দেশ, যার স্বপ্ন দেখেছিলেন আমাদের সংবিধানের প্রণেতারা। আনসারি বলেন, ভারতের মূল আদর্শ হল বহুত্ববাদ, গণতান্ত্রিক নীতি এবং ধর্মনিরপেক্ষতা। এই সব আদর্শ আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় স্বীকৃতি পেয়েছিল। প্রসঙ্গত, আনসারি ২০০৭ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত ভারতের উপরাষ্ট্রপতি পদে আসীন ছিলেন। প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি বলেন, আমাদের সামাজিক বৈচিত্রের প্রমাণ হল ৪,৬৩৫টি সম্প্রদায় ও গোষ্ঠীর উপস্থিতি। প্রতি পঞ্চম ভারতীয় স্বীকৃত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ভুক্ত তিনি বলেন, উগ্রজাতীয়তাবাদ আসলে নীতিগত বিষের সমান। যা মানুষের অধিকার হরণ করে।

প্রসঙ্গত, শশী থারুরের উক্ত বইয়ে তিনি হিন্দুত্বকে ধর্ম বলতে চাননি। তাঁর মতে, এটি একটি রাজনৈতিক মতাদর্শ। থারুর তাঁর বইয়ে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনেরও তীব্র সমালোচনা করেছেন। শশী থারুরের উক্ত বই নিয়ে আলোচনার সময় জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লাহ বলেন, ১৯৪৭ সালে আমাদের কাছে পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার বিকল্প পথ খোলা ছিল। কিন্তু আমার পিতা শেখ আবদুল্লাহ এবং অন্যান্যরা পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছিলেন যে ‘দ্বিজাতি তত্ত্ব’ আমরা মানি না। 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only