শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২০

ডব্লিউবিসিএস-এর কোচিং- পুনরায় চালুর দাবিতে বিক্ষোভ আলিয়ার পড়ুয়াদের বিক্ষোভ



 পুবের কলম প্রতিবেদকঃ আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ডব্লিউবিসিএস-এর কোচিং পুনরায় চালুর দাবিতে ডেপুটেশন দিল বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। বৃহস্পতিবার আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউ টাউন ক্যাম্পাসে ডব্লিউবিসিএস কোচিং পুনরায় করানোর দাবি জানাতে উপাচার্যের ঘরের সামনে বিক্ষোভ দেখান পড়ুয়াদের একাংশ। পরে উপাচার্য মুহাম্মদ আলির সঙ্গে বৈঠকও করেন বিক্ষোভকারী পড়ুয়ারা। পড়ুয়াদের, অবিলম্বে ডব্লিউবিসিএস-এর কোচিং আলিয়া কর্তৃপক্ষকে পুনরায় চালু করতে হবে। তা না হলে এই নিয়ে ছাত্রছাত্রীরা আন্দোলনে নামবেন বলে জানিয়েছেন ছাত্রনেতা মনসুর হাবিবুল্লাহ সহ অন্যান্যরা।

 আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ডব্লিউবিসিএস কোচিং চালু হয়েছিল ২০১২ সালে। ২০১৯ সাল পর্যন্ত এই কোচিং চলে। রাজ্য সরকারের সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দফতরের ছাড়পত্র অনুসারে এই কোচিং করানো হত বলে জানিয়েছে আলিয়া কর্তৃপক্ষ। প্রতি বছর এই কোচিংয়ের জন্য পুনর্নবীকরণ করাতে হত। এ বছরও রিন্যুয়াল করানোর জন্য আবেদন করানো হয়েছিল। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কারণে তা পিছিয়ে যায়। তবে এমএএমই দফতরে আবেদন করা হলেও সেই কোচিংয়ের জন্য এবছর অনুমোদন মেলেনি বলে জানিয়েছে আলিয়া কর্তৃপক্ষ।

 জানা গিয়েছে, আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১২ সালে শুরু হয় ডব্লিউবিসিএস-এর কোচিং। ২০১৯ সাল পর্যন্ত টানা সাত বছর এই কোচিং চলে। সাত বছরে মোট ২২৬ জন ছাত্রছাত্রী আবেদন করে। এর মধ্যে ৪০ জন ডব্লিউবিসিএস-এর এ, বি, সি, ডি গ্রুপে নিয়োগ পায়। ৪ জন  অডিট অ্যান্ড অ্যাকাউন্স-এর নিয়োগ হয়। সরকারি অন্যান্য চাকরিতে পেয়েছে ৭৫ জন ট্রেনিং প্রাপ্ত পড়ুয়া। এই সাত বছরে ১১৯ জন নিয়োগ পায়। অর্থাৎ ট্রেনিংপ্রাপ্তদের ৫০ শতাংশের বেশি নিয়োগ পেয়েছে বলে জানিয়েছেন ট্রেনিংয়ের দায়িত্বে থাকা অবসরপ্রাপ্ত আধিকারিক আবদুল গণি।

 এ দিকে বিশেষজ্ঞদের অনেকে মনে করছেন, আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আবেদন করলেও কেন আলিয়া এই কোচিং চালু করাতে পারলো না, এই নিয়ে বিশেষজ্ঞ মহলে উঠছে নানা প্রশ্ন। বিশেষজ্ঞদের মতে, পশ্চিমবঙ্গ হজ কমিটি কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান না হলেও হজ কমিটির উদ্যোগে ডব্লিউবিসিএস কোচিং করানোর ব্যবস্থা হয়েছে। কিন্তু আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সেই কোচিং করাতে পারলো না। এদিকে আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নের নানা খাতে বরাদ্দ পাঠানো হলেও সেই বরাদ্দের টাকাও এমএএমই দফতরকে ফেরত পাঠানোর অভিযোগও রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের দাবি, আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় এই কোচিং পুনরায় চালুর ব্যবস্থা করুক। এতে বহু গ্রামবাংলার ছাত্রছাত্রী উপকৃত হবেন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only