রবিবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২০

খুনোখুনির রাজনীতি করে হিংসা ছড়ায় বিজেপি‌:­ ফিরহাদ



পুবের কলম প্রতিবেদক‌:­ রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা অনেক ভালো। এখানে শান্তি ও সম্প্রতি  আছে। বিজেপি খুনের রাজনীতি করে এবং হিংসা ছড়ায়। হালিশহরে বিজেপির বুথ সভাপতির মৃত‍্য‍ুর ঘটনা নিয়ে রবিবার এভাবেই বিজেপিকে বিঁধেছেন তৃণমুল নেতা ও রাজ্যের পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম।


এদিন ফিরহাদ হাকিম বলেন, আমরা কোনও হিংসাকে সমর্থন করি না, গোলমাল ও হিংসা তৃণমূল কংগ্রেস কখনও এবস সমর্থন করে না। আমরা গান্ধিবাদী দল, তাই খুনোখুনি ও মারামারিতে বিশ্বাস করি না। এসব বিশ্বাস করে বিজেপি। বিজেপি নেতার মৃত্য‍ুর ঘটনা নিয়ে ফিরহাদ হাকিম বলেন, ‘আমরা যতদূর শুনেছি, এটা অরাজনৈতিক কোনও গণ্ডগোলের কারণে হয়েছে। পুলিশ তদন্ত করছে।’


উল্লেখ্য, শনিবার রাতে বিজেপির এক কর্মসূচি চলালাকালীন দুস্কৃতীদের হাতে খুন হন সৈকত ভাওয়াল নামে  এক নেতা। অভিযোগ, তাঁকে লোহার রড, বাঁশ ও হকি স্টিক দিয়ে মারা হয়েছে। বাইকে করে দুস্কৃতীরা চম্পট দেয় বলে খবর। ইতিমধ্যেই তিন জনকে গ্রেফতার করেছে বীজপুর থানার পুলিশ। এ নিয়েই বিজেপি সরাসরি তৃণমূলের দিকেই আঙুল তুলেছে। বিজেপি নেতা কৈলাশ বিজয়বর্গীয়’র অভিযোগ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করেছে।


এদিন ফিরহাদ হাকিম বিজেপিকে বিঁধে বলেন, আমরা কোনও আতঙ্ক করছি না।  কৈলাশ বিজয়বর্গীয় যেখান থেকে এসেছেন, সেখানেই আতঙ্ক থাকে। মধ্যপ্রদেশে চম্বলের ডাকাতরা থাকে, আতঙ্ক থাকে ও গুলি করে বলেও তিনি আক্রমণ করেন। একুশে ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার দাবি প্রসঙ্গে কৈলাশ বিজয়বর্গীয়র পালটা হিসাবে ফিরহাদ হাকিম বলেন, ওদের হাতে সরকার আছে, ক্ষমতা আছে। অপব্যবহার করবে, কিন্তু আমাদের কিছুই যায়-আসে না। কারণ হিসাবে ফিরহাদের যুক্তি, বাংলার মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আছেন, আগামীতেও থাকবেন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only