বৃহস্পতিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২০

এমপির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সামনেই বিজেপির দলীয় কোন্দল প্রকাশ্যে

 



দেবশ্রী মজুমদার, রামপুরহাট, ১০ ডিসেম্বর: মধ্যপ্রদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নরোত্তম মিশ্রের রামপুরহাটে আসার পর বিজেপি দলের গোষ্ঠী কোন্দল ফের প্রকাশ্যে এল। 

বৃহস্পতিবার তারাপীঠে পুজো দিয়ে তারাপীঠ থেকে বিজেপির বাইক র‌্যালি রামপুরহাট কামারপট্টী মোড় পর্যন্ত আসে। সেখানেই মন্ত্রীকে সম্বর্ধনা দেন দলীয় কর্মীরা। তারপর কামারপট্টী মোড় থেকে রামপুরহাট হাটতলা এলাকায় দলীয় গৃহ সম্পর্ক কর্মসূচিতে যোগ দেন মন্ত্রী। বিভিন্ন দোকানে দোকানে ঘোরেন তিনি। তারপর মহাজনপট্টী মোড়ে একটি বেসরকারি লজে দলীয় বৈঠক সারেন তিনি। আর সেখানেই উঠে আসে দলীয় কর্মীদের কোন্দল। বিক্ষুব্ধ গোষ্ঠীর একটি দল লিখিত অভিযোগ জমা দেন দলের জেলা সভাপতি শ্যামাপদ মণ্ডলের বিরুদ্ধে। তারপর মন্ত্রী চলে যেতেই, দুই গোষ্ঠীর মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। অভিযোগ, দল থেকে বহিষ্কৃত বিজেপির প্রাক্তন জেলা কার্যকর্তা কালোসোনা মণ্ডলের অনুগামীরা। এব্যাপারে জেলা সভাপতি শ্যামাপদ মণ্ডলকে ফোন করা হলে তিনি ফোন ধরেননি। তবে রামপুরহাট বিধানসভার প্রাক্তন আহ্বায়ক কালিদাস পাল প্রেসের সামনে বলেন, রাতের অন্ধকারে অনৈতিক ভাবে ৩১ জন নির্বাচিত মণ্ডল সভাপতিকে সরিয়ে তৃণমূল ও বামফ্রন্ট থেকে আগত লোকেদের মণ্ডল সভাপতি করেছেন। তাদের মধ্যে এমন লোকও আছে যাঁরা কোনদিন পার্টি অফিসে আসেন নি। আমরা মধ্যপ্রদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নরোত্তম মিশ্রের কাছে প্রতিবাদ পত্র জমা দিয়েছি। আগে জেলা সভাপতি শ্যামাপদ মণ্ডল আমাদের পিকের লোক বলেছিলেন। সেখানে ইনি বলেছেন, যাদের সাথে কথা বলেছি, তারা আমাদের দলের লোক। জেলা সহ-সভাপতি শুভাশীষ চৌধুরী বলেন, একই পরিবারের মধ্যে মনোমালিন্য হয়। আবার মিটে যায়। তবে এব্যাপারে প্রেসকে কেউ কোন বক্তব্য দিয়ে থাকলে ভুল করেছে। জেলায় বিজেপির গোষ্ঠী কোন্দল নতুন কিছু নয়। এর আগেও কিষান মোর্চার সাথে জেলা নেতৃত্বের বিবাদের জেরে কামারপট্টী মোড়ে পার্টি অফিসে তালা মারা হয়।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only