বৃহস্পতিবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২০

স্বাক্ষর-মোহর ছাড়াই চলছে কৃষি চুক্তি, শঙ্কায় কৃষক

 


পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ মধ্যপ্রদেশে কিছুদিন আগেই কেন্দ্র-রাজ্য সরকার ‘নয়া কৃষি আইন’ নিয়ে জোরদার প্রচার করে। প্রচারে বলা হয়, কীভাবে হোশঙ্গাবাদের পিপড়িয়ার কৃষকদের স্বার্থরক্ষা করেছে নয়া কৃষি আইন, এবং কীভাবে ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই আইনি সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে। কৃষকদের সঙ্গে চুক্তি সত্ত্বেও ‘ফরচুন রাইস লিমিটেড’ ধান না কেনায় এসডিএম কোর্ট নয়া কৃষি আইন কন্ট্রাক্ট ফার্মিং অধিনিয়ম অনুসারে কোম্পানিকে ধান কেনার নির্দেশ দেয়? সত্যিই কি কৃষকরা ন্যায় বিচার পেয়েছেন? 

ভৌূড়ী কলার পুষ্পরাজ সিং যার অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত হয় উনি ৪০ একর জমিতে ধান লাগায়। তিনি বলেন, কৃষক তাকে (পুষ্পরাজের) দেখে শিক্ষা নিতে পারেন। পুষ্পরাজের বক্তব্য, আমি ভুক্তভোগী, অন্য কাউকেই চুক্তির মাধ্যমে চাষের  পরামর্শ দেব না। 

তিনি বলেন আমি ৪ বছর ধরে চাষাবাদ করছি কিন্তু চুক্তি নিয়ে কখনও  সমস্যা হয়নি। এ বছেরর চুক্তি ছিল মাণ্ডির যে রেট তার থেকে ৫০ টাকা বেশিতে ক্রয় করা হবে। যখন  রেট ২৩০০-২৪০০ টাকা ছিল, তখন কোনও সমস্যা হয়নি। কিন্তু রেট ২৯৫০ হতেই ৩০০০ টাকায় কেনার সময় ফরচুন ছাড়া সমস্ত কোম্পানিই ফোন বন্ধ করে দেয়।মুখ্যমন্ত্রী  শিবরাজজী বলছেন উনি প্রশাসনিক বিচারের ব্যবস্থা করেছেন, কিন্তু ন্যায়-অন্যায় প্রসঙ্গ তূন আসবে যখন  কোম্পানি যদি বেইমানি করে। উনি বলছেন কৃষকরাও ধান নিয়ে অন্যত্র বেচতে যেতে পারেন। কিন্তু জমিতে ২০০ কুইন্টাল ধান বেচতে কি আমরা কেরল যাব।

ব্রজেশ পটেল নামের এক কৃষকও ফরচুনের সঙ্গে চুক্তি ২০ একর জমিতে চাষ করে। কিন্তু শেষমেশ ফরচুন রিজেক্ট করে দেওয়ায় ফসল জমিতেই পড়ে। 


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only