বুধবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২০

ইসরাইল-বান্ধব সুদান আর সন্ত্রাসী নয়ঃ আমেরিকা



ওয়াশিংটন, ১৬ ডিসেম্বরঃ ইসরাইল-বান্ধব চুক্তিতে সই করায় সুদানকে ‘সন্ত্রাসে মদতদাতা’ দেশের তালিকা থেকে বাদ দিল আমেরিকা। সুদানে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করে রবিবার জানানো হয়, ১৪ ডিসেম্বর থেকে সুদান আর সন্ত্রাসে মদতদাতা দেশ নয়। মাস তিনেক আগেই মার্কিন বিদেশমন্ত্রী মাইক পম্পেও সুদান সফরে গিয়ে সামরিক জান্তা সরকারের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে এই অফার দিয়ে আসেন। 


তিনি বলেছিলেন,  ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে চুক্তি সই করলে সুদানকে সন্ত্রাসে মদতদাতা দেশের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে। মার্কিন নিষেধাজ্ঞাও তুলে নেওয়া হবে। অর্থাৎ সন্ত্রাসবাদ বিষয়টি আমেরিকার ব্যক্তিগত সম্পদ বা হাতিয়ার। তাদের কথামতো না চললে সেই দেশকে তকমা দিয়ে দেওয়া হবে এবং উল্টোটা হলে সেই দেশকে ধোয়া তুলসিপাতা হিসেবে ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট দেবে আমেরিকা। সুতরাং বলা যায়, সন্ত্রাসবাদের সংজ্ঞা স্থান-কাল-পাত্র ভেদে বদলে দেয় আমেরিকা তথা পশ্চিমারা। ২৭ বছর আগে ১৯৯৩ সালে প্রেসিডেন্ট ওমর আল-বশিরের আমলে সুদানকে সন্ত্রাসে মদতদাতা দেশ হিসেবে চিহ্নিত করে কালো তালিকাভূক্ত করে আমেরিকা।


কারণ এতকাল দেশটির প্রেসিডেন্ট ওপর আল-বশির আমেরিকা-ইসরাইল এবং আরবদের হুকুমের গোলাম ছিলেন না। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোগানের মতোই তাঁর বুকের পাটা এবং মেরুদণ্ড সোজা ছিল। তাই তিনি কারও কাছে মাথানত করেননি বা দাসখত লিখে দেননি। তাই তারা ষড়যন্ত্র করে মিশরের ফর্মূলায় গতবছর ১১ এপ্রিল সেনা অভ্য‍ুত্থান ঘটিয়ে নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only