মঙ্গলবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২০

সোনার বাংলার স্বপ্ন দেখানোর দরকার নেই, সোনার বাংলায় আছে: মমতা

 


দেবশ্রী মজুমদার, শান্তি নিকেতন, ২৯ ডিসেম্বর: ২০ ডিসেম্বর শান্তি নিকেতনে এসে দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ বাংলার মানুষকে সোনার বাংলার স্বপ্ন দেখিয়ে গেছিলেন, তার জবাবে মঙ্গলবার  পদযাত্রা শেষে বোলপুর জাম্বুনির তেমাথা মোড়ে রবীন্দ্রনাথের মূর্তিতে পুষ্পার্ঘ্য দিয়ে স্ট্রিট কর্নারে বক্তব্য রাখেন। বক্তব্যের শুরুতে তিনি বলেন,  এ মাটি সোনার বাংলা উপহার দিয়েছে, নতুন করে সোনার বাংলার স্বপ্ন দেখানোর দরকার নেই। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সোনার বাংলা গড়ে গেছেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলে গেছেন, ও আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি। এরা বহিরাগত। এরা শুধু রবীন্দ্রনাথ নয়, মহাত্মা গান্ধী, বিবেকানন্দ জানে না।  এরপর রবীন্দ্রনাথ ও অমর্ত্য সেনকে অসম্মান করার অভিযোগ তোলেন বিজেপির বিরুদ্ধে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এরা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জনগণ মন জাতীয় সঙ্গীত পাল্টে দিতে চায়। আমি, বলি একবার টাচ করে দেখো। রবীন্দ্রনাথ  ঠাকুর শান্তি নিকেতনে জন্মান নি। তাঁর জন্ম জোড়াসাঁকোতে। তাঁর জন্মের কত বছর পরে শান্তি নিকেতনে বিশ্ব ভারতী প্রতিষ্ঠা করেন। অথচ বিজেপির তিন নেতা এসে বলে গেলেন, রবীন্দ্রনাথ শান্তি নিকেতনে জন্মে গেছেন। এরপর বিশ্ব ভারতীতে রাজনীতি নিয়ে সরব হন তিনি। তিনি বলেন, বিশ্ব ভারতীকে কেন্দ্র করে এক জঘন্য, ধর্মান্ধ সঙ্কীর্ণ রাজনীতি চলছে। কুকথা, আকথা চলছে।   আমার ভালো লাগে না, যখন দেখি বিশ্ব ভারতীতে জঘন্য রাজনীতি চলছে। বিশ্ব ভারতীতে ঘৃণ্য রাজনীতি আমদানি করা হয়েছে। তখন আমার ভালো লাগে না। বিভেদের পাঁচিল তুলে দেওয়া হয়েছে। তখন আমি বলি, বাঁধ ভেঙে দাও। বাঁধ ভেঙে দাও।  শুধু মাত্র বিবেকানন্দের গলায় মালা পড়ালে হবে না। তাঁকে অন্তর থেকে শ্রদ্ধা করতে হবে। আমাদের ধর্ম আমাদের ভুলিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তারপর তিনি বলেন, আমি তো কই প্রেসিডেন্সি, যাদবপুর যায় না? এখানে কেন একজন মার্কামারা বিজেপির উপাচার্য নিয়োগ করা হয়েছে? আর কি কোন উপাচার্য ছিল না? এদিন  বিশ্ব ভারতী কে হৃদ মাঝারে রাখার কথা মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে বার বার উঠে আসে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only