শনিবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২০

RTI এর আওতাধীন নয় PM CARES,নয়া ব্যাখ্যায় বিভ্রান্তি




নয়াদিল্লি, ২৬ ডিসেম্বর: প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তৈরি পিএম কেয়ার্স ফান্ড সরকারি নাকি বেসরকারি? সেই বিতর্ক না কাটতেই হাজির নতুন বিতর্ক। কেন্দ্রের বক্তব্য এই তহবিলে যা অনুদান আসে, তার সবটাই বেসরকারি। তাই এটি আর টি আই এর আওতায় পড়েনা।


প্রধানমন্ত্রীর দফতর দেখভাল করে পিএম কেয়ার্স ফান্ড। যা পুরোটাই নিয়ন্ত্রণ করে সরকার। ওই তহবিলে বেসরকারি উৎস থেকে অনুদান জমা পড়ে। তাই বলে আরটিআই বা তথ্য জানার অধিকার আইনের আওতায় পড়ে না। স্পষ্ট জানালো কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রের বক্তব্য, করোনার মত জরুরি পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে ওই তহবিল সরকার নিয়ন্ত্রণ করে। এটি একটি কেন্দ্রীয় সরকার নিয়ন্ত্রিত তহবিল। সেই তহবিলের টাকা অন্য খাতে খরচ হচ্ছে বলে বিরোধীদল অভিযোগ তোলে। ওই তহবিলে কত টাকা আছে? কিভাবে সেই টাকা খরচ হচ্ছে? সাধারণ মানুষকে কেন তার হিসেব দেবে না সরকার? এ ছাড়াও বহু প্রশ্নের আরটিআই করে জবাব জানতে চেয়েছেন নাগরিকরা। সম্প্রতি এক ব্যক্তি এর মালিকানা সংক্রান্ত নিয়ে তথ্যের অধিকার আইনে আবেদন জানান। এর উত্তরে কেন্দ্রের তরফে লেখা হয়েছে, এই তহবিল ভারত সরকার তৈরি করেছে। নিয়ন্ত্রণ ও করে ভারত সরকার। বেসরকারি সংস্থা ব্যক্তি বিদেশি অনুদান এই তহবিলের মূল উৎস। এটি সরকারের কোষাগার থেকে টাকা যায় না। এর ট্রাস্টি ব্যক্তিবিশেষ। ফলে আইন অনুযায়ী এটি আর টি আই এর আওতায় আসে না।


এই উত্তরের পরই বিতর্ক আরও মাথাচাড়া দিয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, এই তহবিল একসঙ্গে কীভাবে সরকারি এবং বেসরকারি হতে পারে? সরকারের অধীনে থাকলে তা আর টি আই এর অধীনে থাকবে। অন্যথা কিভাবে সম্ভব। 

তবে পিএম কেয়ার ফান্ড নিয়ে বিতর্ক বহু পুরনো। বিরোধীদের প্রশ্ন ছিল, প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থাকা সত্ত্বেও কেন আলাদা একটা তহবিল তৈরি করা হলো? কর্পোরেট সংস্থাগুলিকে তহবিলের অনুদানের ক্ষেত্রে করছাড়ের সুবিধার জন্য এটিকে সরকারি তহবিল হিসেবে দেখানো হয়েছে। কিন্তু পিএম কেয়ার্স সংক্রান্ত নথি বলছে এটি বেসরকারি। অথচ ২৪ তারিখ সরকার নিজেই জানিয়েছে এটি সরকারি ফান্ড। ফলে কোন ব্যাখ্যাটি ঠিক তা নিয়ে নতুন করে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only