সোমবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০২০

রবীন্দ্রনাথকে অবমাননা বিশ্বভারতীতে জোড়াসাঁকোয় বিক্ষোভ টিএমসিপি’র



পুবের কলম প্রতিবেদকঃ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে অবমাননার প্রতিবাদে জোড়াসাঁকোতে অবস্থান বিক্ষোভ কর্মসূচি করল পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। রবিবার উত্তর কলকাতার বিভিন্ন কলেজের টিএমসিপি সমর্থিতরা জোড়াসাঁকোর রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে হাজির হন। এ দিন বেলা এগারোটা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত বিক্ষোভ কর্মসূচী চলতে থাকে। তাঁদের অভিযোগ, রবীন্দ্রনাথ ও বাংলার সংস্কৃতিকে ছোট করা হয়েছে।


 এ দিন মঞ্চে উপস্থিত সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, জাতীয় সংগীত পরিবর্তন করার চেষ্টা হচ্ছে। তিনি এ দিন বলেন, ‘নতুন সংসদ ভবন তৈরি করছেন। এই বিষয়েও কিছু বলিনি। কিন্তু  জাতীয় সংগীতের অনুভূতির সঙ্গে আমাদের অনুভূতি মিলেমিশে একাকার। একে আঘাত করা যাবে না। ‘জনগণমন অধিনায়ক’ পরিবর্তন করলে রক্ত দিয়ে দেব। 


প্রতিবাদ মঞ্চে তৃণমূল কাউন্সিলর অনিন্দ্য রাউত বলেন, অনেকে রবীন্দ্রনাথের জন্মস্থান বদলে দিচ্ছে। কিছু নেতার ছবি বড়ো করে উপরে রাূা হচ্ছে। আর বিশ্বকবির ছবি নিচে রাূা হচ্ছে। বাংলার সংস্কৃতির সঙ্গে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ওতপ্রোতভাবে জড়িত আছে। রবীন্দ্রনাথ আমাদের গর্ব। তাই ‘ধার্মিক’ দলের কাছে তাঁকে ধ্বংস হতে দেওয়া যাবে না। তৃণমূল ছাত্র পরিষদের রাজ্য সভাপতি তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য বলেন, রবীন্দ্রনাথকে অবমাননা করে বাংলার সংস্কৃতিকে নষ্ট করা হচ্ছে। আমরা অর্থাৎ বাঙালিরা রবীন্দ্রনাথের প্রার্থনা গৃহে প্রবেশ করার সময় চপ্পল খ‍ুলে প্রবেশ করি। কিন্তু দেশের সর্বভারতীয় বিজেপি নেতা বাংলার এই সংস্কৃতিকে তোয়াক্কা না কবে চপ্পল পরেই সভাগৃহে প্রবেশ করেছেন বলে অভিযোগ তোলেন তিনি। 

 

মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদানকারী নেতাদের উদ্দেশ্যে বলেন, যাঁরা তৃণমূল ছেলে বিজেপিতে ভিড়ছেন, তাঁরা বিজেপির ‘ওয়াশিং মেশিন’-এ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হচ্ছেন। তারপর বিজেপিতে প্রবেশ করছেন। এ দিনের বিক্ষোভ কর্মসূচিতে ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী শশী পাঁজা, বিধায়ক স্মিতা বক্সি সহ উত্তর কলকাতার তৃণমূল কংগ্রেস, টিএমসিপি-র সমর্থকরা।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only