সোমবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০২০

কলকাতার ‘ফুসফুস’ ময়দানে এতো গাড়ি পার্কিং কেন! সুয়োমটো মামলা হাইকোর্টের



পুবের কলম প্রতিবেদক‌:­ কলকাতার ‘ফুসফুস’ ময়দান এবং সংলগ্ন এলাকায় যেভাবে আবর্জনা এবং গাড়ি পার্কিং বাড়ছে তা নিয়ে উদ্বীগ্ন কলকাতা হাইকোর্ট। এনিয়ে অবিলম্বে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে স্বতঃপ্রণোদিত জনস্বার্থ মামলা দায়ের করল কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ। এনিয়ে ভারতীয় সেনার পূর্বাঞ্চলীয় কর্তা এবং রাজ্যের তরফে সংশ্লিষ্ট দফতরকে নোটিশ পাঠানোর নির্দেশ দিলেন বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়। 


সোমবার অন্য একটি মামলার শুনানির মাঝেই ময়দান এবং সংলগ্ন এলাকার অবস্থা নিয়ে রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্তের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এদিন একটি কাজের জন্য ময়দান এবং সংলগ্ন এলাকা দিয়ে গাড়িতে করে যাওয়ার সময় সেখানে অবৈধভাবে গাড়ি পার্কিং এবং আবর্জনা জমে থাকার বিষয়টি বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের নজরে আসে। প্রসঙ্গত, দেশের শীর্ষ আদালতের নির্দেশ রয়েছে ময়দান এবং সংলগ্ন এলাকায় গাড়ি পার্কিং বা কংক্রিটের কোনও নির্মাণ করা যাবে না। এমনকি সেনাও কোনও সেখানে কোনওভাবেই পার্কিং করতে পারবে না। সেইসঙ্গে আবর্জনার স্ত‍ুপও জমানো যাবে না। কিন্তু, ময়দান সংলগ্ন রেড রোড, ডাফরিন রোড, ক্যাথিড্রাল রোড, খিদিরপুর রোড, হসপিটাল রোড, মেয়ো রোড এবং কুইন্স রোড এখন অবাধে গাড়ি পার্কিং জোন হয়ে উঠেছে। সেকথা উল্লেখ করেন এদিন উদ্বেগ প্রকাশ করেন বিচারপতি। 


শুধু তাই নয়, প্রতিদিন ময়দান এলাকায় অসংখ্য মানুষ জমায়েত করেন। আর তাকে কেন্দ্র করেই অসংখ্য ফুড স্টল সেখানে গজিয়ে উঠেছে। কিন্তু, আবর্জনা ফেলার কোনও জায়গা না থাকায় ময়দানের যত্রতত্র ময়লা ফেলা হচ্ছে। তাছাড়া, আমফানে বহু গাছ ভেঙে পড়েছে ওই এলাকায়। সেগুলি এখনও পরিষ্কার কেন করা হয়নি! তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি। বিচারপতির মন্তব্য, ‘আমরা যদি এভাবেই শহরের ফুসফুসকে ধ্বংস করে ফেলি তাহলে আমাদের বিপদে পড়তে হবে।’ আগামী ২৪ ডিসেম্বর মামলার শুনানির দিন নির্দিষ্ট করেছে আদালত। ওইদিন উভয়পে ক্ষর কাছে বক্তব্য শুনবে আদালত। 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only