শুক্রবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০২০

চাপে পড়ে ‘রাজনৈতিক ইসলাম’ বাদ দিল অস্ট্রিয়া



ভিয়েনা, ১৮ ডিসেম্বরঃ ক’দিন আগে কট্টর ইসলাম বিদ্বেষী অস্ট্রিয়া সরকারের মুখ পোড়ে সে দেশেরই আদালতের রায়ে। সর্বোচ্চ সাংবিধানিক আদালত এক রায়ে বলেছিল, স্কুলে হিজাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা চলবে না। এই নিষেধাজ্ঞা যত দ্রুত সম্ভব প্রত্যাহার করতে হবে। রায়ে আদালত এও বলে, সংবিধানে ধর্মীয় স্বাধীনতার অধিকার স্বীকৃত। তাই সেই অধিকার খর্ব করা যাবে না। এই রায়ের পরেই ‘রাজনৈতিক ইসলাম’ নিষিদ্ধের পথ থেকে সরে এল সরকার। তবে মসজিদ বন্ধের নীতি থেকে সরকার পিছু হটবে না বলে জানিয়েছে। সরকারের সাফাই হল, যে সব মসজিদ থেকে উগ্রপন্থা ছড়ানো হচ্ছে শুধুমাত্র সেইসব মসজিদকে বন্ধ করা হবে। প্রস্তাবিত আইনটি চূড়ান্ত অনুমোদনের আগে এই বিলের খসড়াকে দেড় মাস ওয়েটিং লিস্টে রাখবে। বিভিন্ন মহল থেকে কী রকম প্রতিক্রিয়া আসে, তার ওপর নজর রাখতেই এখনই বিলটি পার্লামেন্টে আনবে না সরকার।

গত বুধবার সে দেশের জোট সরকার সন্ত্রাস বিরোধী আইন সংশোধন করে। সেখানেই তারা ‘রাজনৈতিক ইসলাম’-এর পরিবর্তে ‘ধর্মীয়ভাবে সন্ত্রাসবাদে অনুপ্রাণিত’ শধবন্ধনীকে ব্যবহার করবে। এর আগে অবশ্য দেশটির চ্যান্সেলর তথা প্রধানমন্ত্রী সেবাস্টিয়ান কুর্জ বলেছিলেন, সন্ত্রাস ও উগ্রপন্থা রুখতে ‘রাজনৈতিক ইসলাম’কে নিষিদ্ধ করা হবে। তারপর দেশজুড়ে প্রতিবাদ দেখা গেলে পিছু হটতে বাধ্য হন তিনি। তারওপর স্কুলে হিজাব-নিষেধাজ্ঞা আদালত বাতিল করে দেওয়ায় আরও ব্যাকফুটে চলে যায় অস্ট্রিয়া সরকার। দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কার্ল নিহাম্মার বলেন, যেসব ব্যক্তি সন্ত্রাসবাদ ও উগ্রপন্থার সঙ্গে কোনওভাবে জড়িত বা সন্দেহভাজন, এমনকী যারা অভিযোগ থেকে মুক্তি পেয়েছে,তাদেরও পায়ের গোড়ালিতে এক ধরনের ইলেকট্রনিক  যন্ত্র লাগানো হবে। যা থেকে তাদের গতিবিধির ওপর সর্বদা নজরদারি চালানো যাবে।


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only