সোমবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২০

সাম্প্রদায়িকতা নয় উন্নয়নের সঙ্গেই বাংলার মানুষ আছে,থাকবেঃ ফিরহাদ



মুহাম্মদ ফিরোজ,বারুইপুরঃ উন্নয়নেই হবে ভোট। এটাই বাংলার মানুষের রায়। সাম্প্রদায়িকতা নয় উন্নয়নের দিকে বাংলার মানুষকে থাকতে হবে। রাজনীতিতে মানুষই শেষ কথা বলবে। মানুষের সেবা করতে চাইলে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে থাকো। দলীয় কর্মীদের উদ্দেশ্যে এমনই বার্তা দিলেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। রবিবার দুপুরে বারুইপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের ডাকে এক রাজনৈতিক সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই কথা বলেন মন্ত্রী। সভায় উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী পার্থ চ্যাটার্জি,সাংসদ মিমি চক্রবর্তী, সাংসদ তথা জেলা তৃণমূলের সভাপতি শুভাশিস চক্রবর্তী,অধ্যক্ষ বিমান বন্দোপাধ্যায়,সংসদ প্রতিমা মণ্ডল,মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য,সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরি,বিধায়ক নির্মল মণ্ডল,যুব সভাপতি শওকত মোল্লা সহ বারুইপুরের প্রশাসক শক্তি রায় চৌধুরি,গৌতম দাস সহ অন্যরা। এ দিন ফিরহাদ হাকিম আরও বলেন, ভোট আসছে। বিজেপির নেতারা আসছে। ভোট ভাঙার জন্য হায়দরাবাদের দল, ভাইজান আসছেন। নতুন কিছু এলে সবাই উসখুশ করে। এরা নিজেদের পায়ের কুড়ুল নিজেরাই মারবে। ১৪৮টা হলে সরকার গড়া যায় না, বিহারের মতো এরা ভোট কেটে নেবে। দাঙ্গা করবে আর ভাইজান ঘরের মধ্যে ঢুকে যাবে। বিজেপিকে এক হাত নিয়ে তিনি বলেন,বাংলাকে গুজরাত বানাবেন না। দাঙ্গা চাই না। মানুষে মানুষে লড়াই চাই না। চম্বলের ডাকাতের মতো নেতারা এসে ঠিক করবে বাংলার মানুষ কাকে ভোট দেবে। বাংলাকে নিয়ে বিরাট চিন্তা প্রধানমন্ত্রীর। কী করে বাংলাকে দখল করা যায়। শুভেন্দুর নাম না নিয়ে মন্ত্রী আরও বলেন, সাড়ে চার বছর মন্ত্রী থাকলাম। যারা বলছে দলে সম্মান পাচ্ছেন না, আগে বললেন না কেন। আমরা যারা দল করি বিবেকের সঙ্গে করি। বিজেপি কানে কানে বলে দিয়েছে সন্মান নেই। জঙ্গলে একটা শিয়াল হুক্কা-হুক্কা করলে সবাই করে। তৃণমূল সাগরের মতো, সেখানে বিস্বাদের জায়গা নেই। মন্ত্রী, রাজা করে দিলাম তাদের জন্য তৃণমূল নয়। মানুষের অধিকার স্থাপনের জন্য তৃণমূল। একজন যাবে আর একজন আসবে। মমতা বন্দোপাধ্যায় আছেন, মানুষ আছে। রাজনীতি মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গল নয়। যে কিছু দেবে তার দিকে যাব, এটা রাজনীতি নয়।হৃদয় দিয়ে রাজনীতি করতে হয়। মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, মমতাই শক্তিকে গেল কে এল বড় কথা নয়। নদীতে অনেক কিছু চলে যায়। বিভ্রান্ত হবেন না। উন্নয়নের লড়াইয়ের নাম মমতা। একতা,উন্নয়ন,শক্তি এই তিন মূল কথা। পাশাপাশি কৈলাস বিজয়বর্গীয় বক্তব্যের সমালোচনা করে মন্ত্রী বলেন, পায়ের তলায় মাটি সরে গিয়েছে, মতিভ্রম হয়েছে তাই অভিষেককে আক্রমণ করছে। ‘দুয়ারে সরকারে’ ভিড় দেখে ঘাবড়ে গিয়েছে ওরা। 

। এদিন এই জন সভায় মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী বলেন, আগামী কয়েক মাস পরে বিধানসভার ভোট আছে, বিজেপি একটি তিলক ধারী দল। সাম্প্রদায়িক দল। আমাদের সজাগ থাকতে হবে,মমতা ব্যানার্জি বাংলার মা,আমরা দুহাজার একুশে আবার ফিরে আসবো।


এ দিন সংসদ মিমি চক্রবর্তী বলেন, মঞ্চে আসার জন্য কাঠখড় পোহাতে হয়। কিছু লোক দিদির বিরুদ্ধে কথা বললে গায়ে কাঁটা দেয়। দিদি বলেন, মুখে বলবে না কাজে জবাব দাও। দলিতের বাড়িতে খেয়ে পাবলিসিটি নেওয়া হচ্ছে। আবার দলিত মেয়েকে পুড়িয়ে মারা হচ্ছে। ইডির ভয় দেখানো হচ্ছে। এই ভয় বাংলায় চলে না। রাম রহিম দিয়ে ভোট হয় না। বাংলার ভোটকে সুরক্ষিত করতে হবে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only