শুক্রবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০২০

সময়ের অপেক্ষা!ভারতে আসছে ব্যাটারি চালিত বিমান



পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ ভারতে গত কয়েক বছর বিমানযাত্রীর সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের ফ্লাইট স্কিমের পরে স্তর-২ শহরগুলিতে বিমানের ওঠানামা যথেষ্ট বেড়েছে। উড়ান চলাচলের বৃদ্ধি পরিবেশের ক্ষেত্রে যথেষ্ট হানিকারক। ২০১৯ সালে সারা বিশ্বে ৪৫৪ কোটি মানুষ বিমানে সফর করেছেন। ফলে, দিনকে দিন বেড়ে চলা উড়ান দ্রুত তৈরি করছে বায়ুদূষণ। এর কারণ কার্বন নিগর্মন। আশার খবর হল এই সমস্যা বেশিদিন থাকবে না। 

বিশ্বের বহু দেশেই ব্যাটারি চালিত বিমান তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। সম্প্রতি একটি মডেলও প্রকাশ পেয়েছে। হিসাব মাফিক সবকিছু চললে দু’-তিন বছরের মধ্যেই চারটি ইঞ্জিন-সহ বিমানে একটি বা দুটি ইঞ্জিন চলবে বিদ্যুতে। হাইব্রিড বিমানেও এরফলে কার্বন নির্গমণ কম করবে। পুরোপুরি ইলেকট্রিক ইঞ্জিনে তৈরি বিমান আগামী ১০-১২ বছরের মধ্যেই সফলভাবে উড়বে, যা পুরোপুরি পরিবেশ বান্ধব বিমান হবে।  

সবথেকে স্বস্তির বিষয় হল এই ই-বিমানের টিকিটের মূল্য বর্তমান বিমানের চেয়ে ৯০ শতাংশ কমবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ১০০ কিমি যাত্রা করতে মাত্র ২২২ টাকা খরচ হবে। ই-বিমানের ইঞ্জিনে কল-কবজাও কম হবে। ফলে সাভিসিং-এর সমস্যা যেমন কমবে, তেমনই বিমান রাূার খরচও কম হবে। ই-বিমানের টেক-অফও ছোট রানওয়েতেই হবে, ফলে এয়ারপোর্ট তৈরির খরচও অনেকটাই কমবে।  

ই-বিমানের ডানাগুলিও ছোট হবে এবং উড়ানের সময় ব্যাটারি  খরচও কমবে। সাধারণ বিমানে ডানাগুলি প্রস্থে ৩৫ থেকে ৫০ মিটার হয়, কিন্তু ই-বিমান ‘এলিস’-এর ডানাগুলি প্রস্থে ১৭ মিটারেরও কম হবে। ই-বিমান কোনও দূরের ভাবনা নয়, বরং বাস্তব। বিমান সংস্থাগুলি জানায় ‘এলিস’ ই-বিমানেরই একটি উদাহরণ। অনেকগুলি সংস্থা একসঙ্গে খুব তাড়াতাড়িই তৈরি করে ফেলবে ব্যাটারি চালিত বিমান। বর্তমানে পরিবহন ক্ষমতা কম হলেও, আগামীদিনে বাড়বে বলেই মনে করছে বিমান সংস্থাগুলি। বিশ্বে প্রায় ১৭০টি ই-বিমান প্রোজেক্টে কাজ চলছে। এই কাজে ন্যাস্ত রয়েছে এয়রবস,এম্পায়ার,ম্যাগ্রিএক্স এবং ইবিএশন। ভারতও পিছিয়ে নেই। ভারতের ভিটিওএল অ্যাভিয়েশন ইন্ডিয়া এবং ইউবিফ্লাইও এই প্রোজেক্টে কাজ করছে।এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা।


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only