সোমবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২০

বিটেকে’র ৪০ শতাংশ খালি আসনে ফের কাউন্সেলিং যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে




পুবের কলম প্রতিবেদকঃ কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির প্রক্রিয়া প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। তবুও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের আসন সংখ্যা পূরণ হল না। যাদবপুরের বিটেকের ৪০ শতাংশ আসন খালি থাকল। এই নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য জানান– প্রতি বছরের মতো এবারও খালি আসনগুলি ভর্তির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে,ডিসেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহ থেকেই আবেদনের ভিত্তিতে ৪৫০ বেশি আসন পূরণ করার জন্য ফের কাউন্সেলিং প্রক্রিয়া শুরু হবে। 

তবে কেন এই আসন খালি আছে সেই বিষয়ে সহ-উপাচার্য বলেন, বহু পড়ুয়া আইআইটি সহ অন্যান্য উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয়েছেন। তাছাড়া করোনা পরিস্থিতির কারণে বহু কলকারূানা বন্ধ রয়েছে। এতে বিটেকে পড়াশোনার ক্ষেত্রে ছাত্রছাত্রীদের আগ্রহ অনেকটাই কমছে বলে জানিয়েছে যাদবপুরের ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ছাত্রছাত্রীরা। গত কয়েক বছর ধরে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে অনলাইনে কাউন্সেলিং শেষে আসন খালি থেকে যাচ্ছে। কিন্তু অন্যান্য বছর ২০০ আসন খালি থাকছিল। এ বছর বেশি আসন খালি থাকায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে যাদবপুর কর্তৃপক্ষ। 

 যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে তিন দফা কাউন্সেলিং হয়। তার পরও ৪০ শতাংশ আসন খালি থাকে। যা মোট আসনের অনেকটাই কম। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ১৬টি বিভাগ রয়েছে। ১২৫০টিরও বেশি আসন রয়েছে। এর মধ্যে ৪৫০টিরও বেশি আসন খালি রয়েছে। কম্পিউটার সায়েন্স,ইলেকট্রিক্যাল,ইঞ্জিনিয়ারিং,মেকানিক্যাল, সিভিল এর মতো বিভাগে ৪০ থেকে ৬০টি আসন খালি পড়ে রয়েছে। 

 করোনা পরিস্থিতির কারণে এ বছর অনলাইনে ভর্তির আবেদন ১২৫৩টির মধ্যে ১২৪০ আসনে আবেদন জমা পড়েছিল। কিন্তু ভর্তির প্রক্রিয়া শেষ হলে দেখা যায় ৪৫৩টির মতো আসন খালি রয়েছে। 

 কেন আসন খালি থাকছে, এই প্রসঙ্গে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকরা জানাচ্ছেন, দীর্ঘদিন ধরেই প্রবণতা থেকে যাচ্ছে আসন খালি থাকার। এখন চাকরির হাল খারাপ। এই কারণে ভর্তি কম হতে পারে বলে মনে করছে তাঁরা। 


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only