বুধবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২০

জুনাগড়ে এক অনন্য বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলেন ৫.৫ ফুটের পাত্রী এবং ৩ ফুটের পাত্র




জুনাগড়, ২ নভেম্বরঃ জোনাথন সুইফট-এর ‘গালিভার ট্র্যাভেলস’-এ এক ঝড়জলের রাতে গল্পের নায়ক গালিভার প্রাণ বাঁচাতে বহু মাইল সাঁতরে পৌঁছান ‘লিলিপুট’দের দেশে। সুইফট-এর রাজনৈতিক প্রসহন ‘গালিভার ট্র্যাভেলস’র নায়ক অবশ্য ‘লিলিপুট’দের কাউকে বিয়ে করেননি। কিন্তু গুজরাটের জুনাগড়ে ৫.৫ ফুট নেত্রহীন পাত্রী তাঁর থেকে প্রায় ১৩ বছরের বড় ৩ ফুটের পাত্রের সঙ্গে এক অনন্য বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলেন। পাত্র পেশায় সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষক। 

গুজরাটে সোমবার প্রায় তিন হাজার বিয়ে অনুষ্ঠান হয়। আসলে অক্ষয় মুহূর্ত থাকার কারণে সোমবার সমগ্র গুজরাট জুড়ে ছিল বিয়ের অনুষ্ঠান।১০-১১ ডিসেম্বরের পর এ বছরে আর বিয়ের শুভলগ্ন নেই। কিন্তু গুজরাটের চার বড় শহর আহমেদাবাদ-বড়োদরা,রাজকোট এবং সুরাতে নাইট কারফিউ চলার কারণে পরিবারগুলিকে বিয়ের অনুষ্ঠানের জন্য সকাল ৬ টা থেকে ৯ পর্যন্তই সময় দেওয়া হয়। রাজ্যজুড়ে এতগুলি বিয়ের মধ্যেও কিন্তু খবরের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন জুনাগড়ের এই দম্পতি। সাড়ে পাঁচ ফুট পাত্রী ও তিন ফুট পাত্র সাতপাকে বাধা পড়েন। পাত্রীর বয়স ২৯, পাত্র ৪২ বছরের। 

পাত্র রমেশ ভাই সদোদর গ্রামের সরকারি স্কুলের শিক্ষক। পাত্রী শান্তা ছোটবেলা থেকেই মকবাণা সত্যম সেবা যুবক মণ্ডলের মহিলা হস্টেলে থাকেন। জন্ম থেকেই অন্ধ শান্তা বিএড করেছেন। জাম যোধপুরের বাসিন্দা সরকারি শিক্ষক রমেশ ভাই ডাংগরই প্রথমে শান্তাকেবিয়ের ইচ্ছা জানায়। শান্তা রাজি হওয়ার পর দু’জনে গাঁটছড়া বাধেন।


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only