রবিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২০

দেশীয় সংস্থার বিলগ্নীকরণের সেকাল একাল



নয়াদিল্লি,৬ নভেম্বরঃ আজ থেকে ৬ বছর ৯ মাস এবং ১৬ দিন পিছনে ওইদিনের তারিখ ছিল ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০১৪ । নরেন্দ্র মোদি তখনও প্রধানমন্ত্রী হননি। শুধু প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী ছিলেন। গুজরাটের আহমেদাবাদে এক জনসভায় মোদি একটি কবিতা আবৃত্তি করেন। যার বাংলা করলে দাঁড়ায় ‘এই মাটি ছুঁয়ে প্রতিজ্ঞা করছি, দেশকে বিক্রি হতে দেব না।’ এই কবিতাটি খুবই দীর্ঘ, রচয়িতার নাম প্রসূন যোশী। এই কবিতাটি মোদি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরেও বহুবার আবৃত্তি করেছেন।’

আজকের দিনে সেই নরেন্দ্র মোদি সরকার, এবং তাঁর আমলেই সরকারি সংস্থাগুলির সবচেয়ে বেশি শেয়ার বিক্রি করা হয়েছে। 

মোদি সরকার দেশের সবচেয়ে বড় খুচরো জ্বালানি বিক্রেতা ভারত পেট্রোলিয়ামের (বিপিসিএল) ৫৩.৩ শতাংশ বিক্রির প্রস্তুতি নিচ্ছে। এরফলে, সরকার ৪০ হাজার কোটি টাকার মুনাফা হবে।

মোদি সরকার এখনও পর্যন্ত সরকারি সংস্থার যে পরিমাণ শেয়ার বেচে মুনাফা করেছে, গত ২৩ বছরে কেউ পারেনি। এই পুরো প্রক্রিয়াটাকে বলা হয় ডিসইনভেস্টমেন্ট বা পুর্নবিনিয়োগ।

এখন প্রশ্ন বিপিসিএলের অংশীদারী সরকার কেন বেচছে। আসলে,২০২০-২১-এ সরকার ডিসইনভেস্টমেন্টের মাধ্যমে ২.১০ লাূখ কোটি টাকা জোগাড় করার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছিল। কিন্তু করোনার জন্য এখনও পর্যন্ত সরকার ৬,৩৩১ কোটি টাকাই জোগাড় করতে পেরেছে। বিপিসিএলের মাধ্যমে সরকারের ৪০ হাজার কোটি টাকা জোটানোর লক্ষ্যমাত্রা রেূেছে। এ ছাড়া গত ৪ বছরে বিপিসিএলের লভ্যাংশ হ্রাস পাচ্ছিল। ২০১৮-১৯-এ সংস্থা ৭,১৩২ কোটি টাকা লাভ করে। ২০১৯-২০-তে লভ্যাংশ হ্রাস পেয়ে ২,৬৮৩ কোটিতে দাঁড়ায়। ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে আজ পর্যন্ত প্রায় ১২১টি সংস্থার অংশীদারিত্ব বিক্রি করেছে মোদি সরকার।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only