বৃহস্পতিবার, ১৪ জানুয়ারী, ২০২১

মিলল না মৃত্যুর শংসাপত্র, বিচার চেয়ে হাইকোর্টে প্রাক্তন বিচারকের পরিবার



পুবের কলম প্রতিবেদকঃ প্রায় পাঁচ মাস আগে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন । পুরসভা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য দফতর কোথাও ঘুুরে মিলল না মৃত্যুর  শংসাপত্র। শেষে বিচার চেয়ে প্রাক্তন বিচারকের পরিবারকেই দ্বারস্থ হতে হল হাইকোর্টে। একজন বিচারকের পরিবারকে যদি এভাবে হয়রানি হতে হয় তাহলে সাধারণ মানুষের কি হবে! তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। 

কলকাতা হাইকোর্ট সূত্রের খবর,মৃত প্রাক্তন বিচারকের নাম পরেশ বর্মণ। তিনি হাওড়া জেলা আদালতের অতিরিক্ত জেলা বিচারক ছিলেন। গত জুলাই মাসে শারিরীক অসুস্থতার কারণে তাঁকে প্রথমে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর সেখানে লালরস পরীক্ষা করা হলে কোভিড পজিটিভ আসে। ফলে সেখান থেকে যাদবপুরের কেপিসি হাসপাতালে রেফার করা হয়। কিন্তু, ওই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও তাঁকে ভর্তি নেওয়া হয়নি। দীর্ঘ ক্ষণ তিনি অ্যাম্বুলেন্সের মধ্যে পড়ে ছিলেন। চিকিৎসা না পেয়ে তিনি সেখানেই মারা যান বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় হাসপাতালের বিরুদ্ধে চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ ওঠে। ওই হাসপাতাল থেকে শংসাপত্র দেওয়া হলেও তাতে ময়নাতদন্তের প্রয়োজন রয়েছে বলে জানানো হয়। কিন্তু,তারপরেও ময়না তদন্ত না করে পুরসভার তরফে মৃতদেহ সৎকার করা হয়। এরপর কলকাতা পুরসভায় মৃত বিচারকের পরিবারের লোকেরা মৃত্যু শংসাপত্র তুলতে গেলেই ঘটে বিপত্তি। পুরসভার তরফে বারবার তাদের ফিরিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এমনকি স্বাস্থ্য দফতরে গিয়েও কোনও সুরহা পাননি পরিবারের লোকেরা। শেষে তাঁরা কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্যের এজলাসে এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only