সোমবার, ৮ মার্চ, ২০২১

মমতার বিশ্বস্ত সুব্রত বক্সী, প্রচারের আড়ালে থেকেই কাজ করে চলেন যিনি

পুবের কলম প্রতিবেদক: ভোট আসলেই দলবদলের হিড়িক পড়ে যায়। স্বার্থগন্ধী রাজনীতিকরা নতুন দল খুঁজে নেন। কিন্তু কিছু মানুষ থাকেন যারা দলের বিশ্বস্ত। পিছন থেকে গড়েন সংগঠন। হয়ে ওঠেন কিংমেকার। সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস দলে সুব্রত বক্সী এমনই এক একনিষ্ঠ অনুগত লড়াকু যোদ্ধা। ১৯৯৮ সালে তৃণমূল কংগ্রেস দল গঠন করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই তখন থেকেই তাঁর পাশে রয়েছেন সুব্রত বক্সী,  ফিরহাদ হাকিম, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মতো নেতারা। বহু ঝড়ঝাপটা এসেছে। ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে ২০১১ সালে এসেছে বিজয়। ২০১৬-তেও রাজ্যে ক্ষমতা ধরে রেখেছে তারা। এবার সামনে একুশের ভোট। পুরনোদের মধ্যে মমতার বিশ্বস্ত সঙ্গী হিসেবে পরিচিত মুকুল রায়, শুভেন্দু অধিকারীরা এখন বিজেপিতে। কিন্তু মমতাদিকে একা পথে ছাড়েননি সুব্রত বক্সী। সাংগঠনিক দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা দিয়ে সামলাচ্ছেন দলের রাজ্য সভাপতির গুরুদায়িত্ব। বছর সত্তরের সুব্রত বক্সীকে দলের সবাই স্পষ্টবাদী হিসেবেই চেনেন।



 ১৯৯৮ সালে মমতার দলগঠনের পর ব্যাঙ্কের চাকরি ছেড়ে তৃণমূলের সার্বক্ষণিক কর্মী হয়েছিলেন এই সুব্রত বক্সী। ২০১১-তে ভবানীপুর বিধানসভা আসনে জেতেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী হতে গেলে যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটা আসনে নির্বাচিত হওয়ার প্রয়োজন দেখা দিয়েছিল, তখন নীরবে নিজের আসন ছেড়ে দিয়েছিলেন তিনি। পরে অবশ্য বক্সী দক্ষিণ কলকাতা লোকসভা কেন্দ্রে নির্বাচিত হন। দুবার সেখানে জেতার পর এখন তিনি রাজ্যসভার সাংসদ।

 এক সিনিয়র নেতার কথায়, 'বক্সীদাই' তৃণমূলে একমাত্র ব্যক্তি যিনি যে কোনও ভুল পদক্ষেপের কথা দিদিকে বলতে পারেন। ইচ্ছে করলে তিনি আরও বিপুল জনপ্রিয় নেতা হয়ে উঠতে পারতেন। কিন্তু তিনি আসলে আড়ালে থেকে কাজ করতেই ভালোবাসেন।  

 

                

 

 

 

 

 

 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only