বুধবার, ১৭ মার্চ, ২০২১

বঙ্গবন্ধুর অসাধারণ নেতৃত্বের কারণেই বিশ্বের মানচিত্রে জায়গা করেছে বাংলাদেশ: ফিরহাদ

পুবের কলম প্রতিবেদক: বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানএরশততম জন্মবার্ষিকী জাতীয় শিশু দিবস ২০২১পালন করল  কলকাতায় অবস্থিত বাংলাদেশ উপ-দূতাবাস। কলকাতার রবীন্দ্র সদন অডিটোরিয়ামে বঙ্গবন্ধুর ওপর আলোচনা সভা একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের নগরোন্নয়ন পৌর বিষয়ক ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য . পবিত্র সরকার কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক . রাজশেখর বসু। অনুষ্ঠানের শুরুতে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন উপ-হাইকমিশনার তৌফিক হাসান।



উপ-হাইকমিশনার তৌফিক হাসান তাঁর শুভেচ্ছা বক্তৃতায় বলেন, দেশ জাতির প্রতি অসাধারণ অবদানের জন্য বাংলাদেশবাংলা ভাষা এবং বঙ্গবন্ধু আজ অভিন্ন সত্ত্বায় পরিণত হয়েছে।সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়বঙ্গবন্ধুর পররাষ্ট্রনীতির এই মূলমন্ত্রকে ধারণ করে বলা যায় বঙ্গবন্ধু শুধু বাংলার বন্ধুই নন, তিনি বিশ্ববন্ধু হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে গিয়েছেন। ফিরহাদ হাকিম প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন– ‘বঙ্গবন্ধু জন্ম না হলে সারাবিশ্বে বাঙালির প্রকৃত ঐতিহ্য সম্পর্কে জানতো না। বঙ্গবন্ধুর অসাধারণ নেতৃত্বের কারণেই বিশ্বের মানচিত্রে বাংলাদেশ নামে একটি দেশ স্থান করে নিয়েছে।. পবিত্র সরকার তাঁর বক্তব্যে বলেছেন, ‘শেখ মুজিবের মহানেতৃত্বের স্বরূপবিবর্তন বিশ্লেষণ করার চেষ্টা, অবিশেষজ্ঞের চোখে। বিংশ শতাধীর দ্বিতীয়ার্ধে শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ব রাজনীতিতে একটি নতুন মাত্রা যোগ করেনযেখানে শোষিত অবহেলিত মানুষের কথা উঠে আসে।তিনি বলেন– ‘বাঙালি জাতিয়তাবাদের অস্তিত্ব যখন হুমকির মুখে তখন শেখ মুজিবই অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে তা রক্ষার্থে হাল ধরেন।

অধ্যাপক . রাজশেখর বসু তাঁর আলোচনায় বলেন, বঙ্গবন্ধু পূর্ব পাকিস্তানে স্বাধীন বাংলাদেশে জাতিরাষ্টÉ গঠনের দিক থেকে হিন্দু মুসলিমদের সমান সুযোগ সমঅধিকারের বিষয়ে ভাবতে পেরেছিলেন। এই দিক থেকে ধর্মনিরপেক্ষতা যে রাষ্ট্রের প্রধান বৈশিষ্ট্য হতে পারেসে বিষয়ে শেখ মুজিবের মনে কোন সংশয় ছিল না।  বুধবার সকালে  উপহাইকমিশন প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। পতাকা উত্তোলন করেন উপ-হাইকমিশনার তৌফিক হাসান। এরপর বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতিপ্রধানমন্ত্রীপররাষ্ট্র মন্ত্রী এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর প্রেরিত বাণী পাঠ করে শোনানো হয়।  এরপর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। সকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছাত্র জীবনের স্মৃতিবিজড়িত  বেকার গভর্নমেন্ট হোস্টেলে (কক্ষ নং২৪) তাঁর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। বাংলাদেশের উপহাইকমিশনার তৌফিক হাসানএর নেতৃত্বে উপহাইকমিশনের রাজনৈতিকক্রীড়া শিক্ষাবাণিজ্যকনস্যুলার এবং প্রেস উইংএর দায়িত্বপ্রাপ্ত সকল কর্মকর্তা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

 

 

 

 

 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only