রবিবার, ৭ মার্চ, ২০২১

বিশ সাল বাদ: ১২৭ 'সিমি কর্মী' বেকসুর

সুরাট: নিষিদ্ধ সিমি (স্টুডেন্টস ইসলামিক মুভমেন্ট অফ ইন্ডিয়া)- কর্মী হিসেবে পুলিশ গ্রেফতার করেছিল ১২৪ জন মুসলিমকে। ২০ বছর মামলা চলার পর তাঁরা সকলেই নির্দোষ বলে প্রমাণিত হলেন। ১২৪ জনের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের জন,  মহারাষ্ট্রের ৪৪ জন, গুজরাতের ২৬ জন, মধ্যপ্রদেশের ১৩ জন, কর্নাটকের ১১ জন, উত্তরপ্রদেশের ১০ জন, রাজস্থানের জন, তামিলনাড়ুর জন, বিহারের জন এবং ছত্তিশগড়ের জন রয়েছেন। 

ওঁরাসংখ্যালঘু শিক্ষাবিষযে তিনদিনের এক আলোচনাচক্রে যোগ দিয়েছিলেন সুরাটে। সেখান থেকেই তাঁদের গ্রেফতার করা হয়। ঘটনা ২০০১ সালের।  সিমি- প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক জিয়াউদ্দিন সিদ্দিকি বলেছেন– ‘কোনও প্রমাণ না পেয়ে ২০ বছর পর আদালত আমাদের সম্মানজনক রেহাইয়ের নির্দেশ দিয়েছে। রেহাইয়ের সিদ্ধান্ত ভালো। কিন্তু আমার প্রশ্ন হল, এতজন লোককে যে ২০ বছর ধরে হেনস্থা হতে হলভুগতে হল আমাদের পরিবারকেতার বিহিত কী হবে?’ অবশ্য ২০ বছর ওঁদের জেলে থাকতে হয়নি। ওঁরা সকলেই জেলে ছিলেন এক বছরের মতো। ২০২০ সালের ২৭ ডিসেম্বর ওঁদের গ্রেফতার করা হয়। কিন্তু মামলা চলছিল ২০০১ সাল থেকে। গোড়ায় সকলকে গ্রেফতার করে জামিন দিয়ে দেওয়া হয়।  কিন্তু মামলার ফয়সালা না হওয়ায় ২০ বছর ধরে আদালতে গিয়ে হাজিরা দিতে হয়েছে। 


সিদ্দিকি বলেছেন– ‘আমাদের অনেকেরই চাকরি চলে গিয়েছে। যারা ব্যবসা করেন তাঁদের ব্যবসা মার খেয়েছে। অথচ আমরা সকলেই উচ্চশিক্ষিত। যারা আমাদের মিথ্যে ভাবেসিমি জঙ্গিবলে অভিযুক্ত করে হেনস্থা করাল তাঁদের শাস্তি হবে না কেন? আমরা চাই আর কেউ যেন আমাদের মতো হেনস্থা না হন।সকলেই ভিন্ন ভিন্ন রাজ্য থেকে এসেছিলেন। তাই আদালতে হাজিরা দিতেও ফের সকলকে নিজের রাজ্য থেকে আসতে হত। সম্পাদক জিয়াউদ্দিন সিদ্দিকি ছাড়াও সিমির সভাপতি সাহিদ বদরও গ্রেফতার হয়েছিলেন। সুরাটে সংখ্যালঘু শিক্ষা নিয়ে এক আলোচনাচক্রে যোগদান করতে গিয়েই ওঁরা গ্রেফতার হন। এল কে আদবানি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালীন সিমিকে নিষিদ্ধ করা হয়। তখন অনেকেই বলেছিলেন, এই সংগঠনের সদস্যদের সন্ত্রাসবাদী কাজে জড়িত থাকার কোনও অভিযোগ নেই, প্রমাণও নেই। অনর্থক এই সংগঠনকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only