শনিবার, ২৭ মার্চ, ২০২১

খণ্ডঘোষে সংখ্যালঘু ভোটে প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ হবে এবারও

সফিকুল ইসলাম (দুলাল): বর্ধমান­ সারা দেশে যে টি বিধানসভা এলাকায় ৩০ শতাংশের বেশি সংখ্যালঘু ভোট আছে তার মধ্যে অন্যতম খণ্ডঘোষ বিধানসভা। স্বাধীনতার পর খণ্ডঘোষের প্রথম বিধানসভার একজন মুসলিম বিধায়ক ছিলেন মুহাম্মদ হোসেন। তারপর আর কখনও মুসলিম বিধায়ক দেখা যায়নি। খণ্ডঘোষ বিধানসভা বহুদিন ধরে তপশিলি সংরক্ষিত। সিপিআইএম-এর আমলে প্রায় ৩৪ বছর সংখ্যালঘুরা বামফ্রন্টের সঙ্গে যুক্ত ছিলএমনকী ২০১১ সালে পরিবর্তনের সময়েও বামফ্রন্টের প্রার্থী নবীন বাগের উপর খণ্ডঘোষ তথা মুসলিমরা আস্থা রেখে ছিলেন। পরবর্তী কালে সিপিআইএম-এর বিধায়ক নবীন বাগ তৃণমূলে যোগদান করেন। ২০১৬ সালে তৃণমূলের প্রার্থী হয়ে জয়ী হন নবীন চন্দ্র বাগ। ২০২১- আবারও তৃণমূল প্রার্থী নবীন বাগ। এবারও তিনি জয়ের ব্যাপারে একশো শতাংশ নিশ্চিত।



খণ্ডঘোষের যুক্তমোর্চার প্রার্থী অসীমা রায় ব্যাপক পরিশ্রম করছেন। এলাকার উন্নয়নের বিষয়ে তাঁর অভিযোগনিম্নমানের সরঞ্জাম দিয়ে রাস্তা তৈরি করা হয়েছে। এদিকেবিজেপির বিধায়ক পদপ্রার্থী বিজন মণ্ডলের নামে গোটা এলাকায় পোস্টার পড়েছে। মহিলা কেলেঙ্কারি ঘুষ দিয়ে প্রার্থী হওয়ার অভিযোগ তার বিরুদ্ধে।

তৃণমূল প্রার্থী নবীন চন্দ্র বাগ বলেন– ‘এমন কোনও কাজ নেই যা খণ্ডঘোষে হয়নি। বিনামূল্যে রেশন থেকে স্বাস্থ্যসাথী কার্ডপথসাথীর রাস্তাবাড়ি বাড়ি পানীয়জলের ব্যবস্থা সবই করা হয়েছে। মানুষের জন্য যা কাজ করা হয়েছে এবারও মানুষের আশীর্বাদ তিনিই পাবেন।খণ্ডঘোষের ইমাম সংগঠনের নেতা মোল্লা সদরুল আলম বলেন– ‘সারা বছর আমরা বিধায়ক নবীন বাগকে পাই। খণ্ডঘোষে গ্রামীণ চিকিৎসক সংগঠন গ্রাম এলাকায় তাঁর ব্যাপক প্রভাব।তাদের সভাপতি চন্দন যশ বিধায়ক নবীন বাগের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন– ‘সারা বছর তিনি আমাদের সুখে-দুঃখের অংশীদার থাকেন।খণ্ডঘোষের সবচেয়ে বড় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সেহারাবাজার রহমানিয়া ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের সম্পাদক হাজী মোল্লা কুতুবুদ্দিন বলেন– ‘বিধায়ক নবীন বাগ আমাদের ট্রাস্টের বড় হিতাকাঙ্খীতাঁকে ডাকলে-হাঁকলে কাছে পাই। নবীন বাগ সব প্রার্থীর থেকে ধারে-ভারে অনেক এগিয়ে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only