শনিবার, ৩ এপ্রিল, ২০২১

বিভাজনের রাজনীতি করছে ওরা, আমি ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করি না, প্রচার থেকে বিজেপিকে কটাক্ষ মমতার

রায়দিঘি, ক্যানিং,পুবের কলম: 


২০২১–এর বিধানসভা নির্বাচনে জোরকদমে চলেছে প্রচার পর্ব। কেউই অপরপক্ষকে এক ইঞ্চি জমি ছাড়তে নারাজ। এই অবস্থায় একদিন যেমন প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অপরদিকে প্রায় প্রতিদিনই দিল্লি থেকে পশ্চিমবঙ্গে উড়ে আসছে দিল্লি থেকে হেভিওয়েট নেতারা। রায়দিঘির জনসভা থেকেই বিজেপি সরকারকে একের পর এক তোপ দাগলেন কেন্দ্রের মোদি সরকার। তিনি এদিন সভা থেকে বলেন, 'মানুষে মানুষে বিভেদ সৃষ্টি করা বিজেপি- কাজ বাংলায় আমরা দুর্গাপুজো, কালীপুজো, লক্ষ্মীপুজো করি এখানে সংখ্যালঘুরা তাদের উৎসব পালন করেন আমাদের মধ্যে কোনও বিভেদ নেই আমরা সবাই একসঙ্গে থাকি দুর্গাপুজোয় মুসলমানরা যায়, ইফতারে হিন্দুরা যায়' বাংলায় বিভাজনের রাজনীতি করে বিজেপি, ভোট ছড়িয়ে টাকা কিনতে চাইছে মোদি'।

সভামঞ্চ থেকে সিএএ নিয়েও আক্রমণ করতে ছাড়েননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, সি করবে বলেছিল। করে দেখাক। আমি থাকতে রাজ্যে এসব হবে না ওরা চাইছে এসব করে সম্প্রীতি নষ্ট করতে এই কারণেই তৃণমূল সরকার রাজ্যে আনা প্রয়োজন' সম্প্রতি প্রচারে বেরিয়ে রাহুল সিনহা বলেন, রাজ্যে ক্ষমতায় এসে প্রথম দুয়েক দিনের মধ্যে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন চালু করবে বিজেপি সরকার এদিন এই কথারই পাল্টা জবাব দেন প্রধানমন্ত্রী।  দুর্গাপুজো, কালীপুজো নিয়ে বিজেপি যে অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে মমতা বলেন, এদিন রায়দিঘি থেকে মদুর্গাপুজোয় রাজ্য সরকারের তরফে পুজো কমিটিগুলিকে টাকা দেওয়া হয়,এমকী ঈদ, বড়দিন সব অনুষ্ঠানে রাজ্য সরকারের সহযোগিতা থাকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেমন দুর্গাপুজো উদ্বোধনে যান, তেমনই ঈদের নামাজে যান, বড়দিনের সময় সেন্ট পলস ক্যাথিড্র্যাল চার্চে যান এটাই ভারতের ধর্মনিরপেক্ষতার পরিচয় এই প্রসঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিভিন্ন সভা থেকে বার্তা দিয়ে বলেছেন, “আমি ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করি না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, 'আমাদের রাজ্যে দূর্গাপুজোয় মুসলমানরা আসে ইফতারে হিন্দুরা যায় পাড়ায় পাড়ায় এক সঙ্গে আড্ডা দেয় হিন্দু মুসলমান'। এদিন সংখ্যালঘুদের ভোট ভাগ না করার জন্য অনুরোধ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

অন্যদিকে ক্যানিংয়ের সভা থেকে রাজ্য পুলিশকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বার্তা, “আপনারা এতো ভয় পান কেন? রাজ্য সরকারের কাজ করেন তো৬৩টি এফ এই আর হয়েছে আইনিভাবে সব বুঝে নেব' কেন নিজেরা বাড়িতে বসে থেকে সিআরপিএফ পাঠিয়ে তৃণমূলের নেতাদের বাড়িবাড়িতে হামলা করানো হচ্ছে এসব কেন হবে?

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্যানিংয়ের  সভা থেকে বলেন, 'বিজেপি- নেতারা চার্টার্ড বিমানে করে রাজ্যে আসছে হোটেল, গেস্টহাউস দখল করে বসে আছে প্রচুর টাকা নিয়ে আসছে ন্যাকা চেকিং হচ্ছে না আমার ভাবতে লজ্জা লাগে আমি বাংলায় থাকি কতগুলো বহিরাগত এসে রাজ্যে জ্ঞান দিয়ে যাচ্ছে বলছে আমরা অনুপ্রবেশকারী এতো সাহস?

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only