শুক্রবার, ৯ এপ্রিল, ২০২১

ভয় ধরাচ্ছে করোনা, মিলল নতুন উপসর্গ

পুবের কলম, নয়াদিল্লি:  


সর্দি, কাশি, হাঁচি, জ্বরের মতো করোনার কিছু সাধারণ উপসর্গ সম্পর্কে সবাই ওয়াকিফহাল সম্প্রতি, চিকিৎসক মহল গবেষকরা করোনার নতুন কিছু উপসর্গের হদিশ পেয়েছেন যা নিয়ে নতুন করে তৈরি হয়েছে দুশ্চিন্তা বাড়ছে উদ্বেগ গবেষকদের মতে, এই নয়া উপসর্গ সম্পর্কেও সবার জানা দরকার যাতে তারা ঠিক সময়ে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে পারে সতর্ক হতে পারে

. গোলাপি চোখঃ চিনে একটি সমীক্ষা চালানো হয়েছে তাতে দেখা গিয়েছে, চোখের রং গোলাপি হয়ে যাওয়া বা কনজাঙ্কটিভাইটিসও করোনা সংক্রমণের একটা লক্ষণ হতে পারে এর ফলে চোখে লালচে ভাব দেখা দিতে পারে চোখে ফোলাভাব থাকতে পারে চোখ দিয়ে জল পড়তে পারে সমীক্ষায় আরও দেখা গিয়েছে সমস্ত অংশগ্রহণকারীর মধ্যে ১২ জন এই নতুন ধরনের করোনা ভাইরাসে সংক্রামিত হয়েছিলেন তাঁদের প্রত্যেকেরই কনজাঙ্কটিভাইটিসের উপসর্গ ছিল যাকে গোলাপি চোখও বলা যায় এই ১২ জনের মধ্যে কনজাঙ্কটিভাইটিস উপসর্গ দেখা দেওয়া ১১ জনের নাকের থেকে সোয়াব (নমুনা রস) নিয়ে পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে করোনা পজিটিভ বাকি দুজনের ক্ষেত্রে চোখ নাক দুজায়গা থেকেই সোয়াব নেওয়া হয়েছিল এর একমাত্র সম্ভাব্য ব্যাখ্যা যা এখনও পর্যন্ত করোনা চোখের মধ্যে যোগসূত্র স্থাপন করতে পারে তা হল--- চোখ ফুসফুসে ভাইরাস সংক্রমণ ঘটাতে পারে বিজ্ঞানীদের ব্যাখ্যা ছিল--- করোনা ভাইরাস চোখের মধ্যে থাকা অকিউলার মিউকাস মেমব্রেনের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করতে পারে ভাইরাস দৃষ্টিশক্তিতে কোনও প্রভাব ফেলতে পারে কি না তা জানতে এই বিষয়ে আরও গবেষণা প্রয়োজন        

. অন্ত্রের অবস্থা (গ্যাস্ট্রোইনটেস্টিন্যাল কন্ডিশন): করোনা উচ্চ শ্বাসযন্ত্র ব্যবস্থাকে সংক্রামিত করে সেজন্য হয়তো অনেকেই নিজেদের গ্যাস্ট্রোইনটেস্টিন্যালে অস্বস্তির পিছনে করোনা সংক্রমণকে মেলাতে চান না এটা অবাক করার মতো বিষয় হলেও বেশ কিছু ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে, ডায়েরিয়া বমি করোনা সংক্রমণের একটি লক্ষণ হতে পারে চিকিৎসা বিজ্ঞান বিশেষজ্ঞরা জনতাকে সতর্ক করে বলেছেন, তাঁরা যেন ডায়েরিয়া বমির লক্ষণকে এই বর্তমান সময়ে হালকাভাবে না নেন, যখন বিশ্বে করোনা সংক্রমণের চাপ ক্রমশ বাড়ছে

গবেষণা বলছে, করোনা প্রধানত ক্ষতি করে শ্বাসযন্ত্রকে তবে কিডনি, লিভার, অন্ত্রের মতো অন্যান্য অঙ্গেও প্রভাব ফেলে

. ঝিমুনি দুর্বলভাব: ঝিমুনিভাব, অলসতা শরীরে দুর্বলভাব করোনা সংক্রমণের লক্ষণ হতে পারে করোনা সংক্রামিত হওয়ার পর অনেকেই খুব ক্লান্ত দুর্বলবোধ করছেন তাছাড়া এটি সাইটোকাইনের উপস্থিতির জন্যও হতে পারে শরীরে কোনও ভাইরাস প্রবেশ করলে শরীরে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বা ইমিউনিটি সিস্টেম তাতে বাধা দেয় এতে শরীরে প্রদাহ হয় এর ফলে কোষ সাইটোকাইন নামে এক ধরনের প্রোটিন নির্গত করে অনেক সময় এই সাইটোকাইনের পরিমাণ বেড়ে যাওয়ায় কোষের মৃতু্য হয় মানুষের মৃতু্য পর্যন্ত হতে পারে শরীরে সাইটোকাইনের পরিমাণ বেশি জমে গেলে এই ধরনের অলসতা দুর্বলভাবে দেখা দিতে পারে

 

 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only