শুক্রবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২১

রোযাদার ভোট কর্মীদের ইফতার-সেহরির সমস্যা, নালিশ কমিশনে

 


এস জে আব্বাস

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের শেষ হতে আর মাত্র কয়েক দফা বাকি এদিকে ইতিমধ্যে রমযান মাসও শুরু হয়ে গেছে ফলে নির্বাচন কার্যে জড়িত বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মী অফিসারগণ রোযা অবস্থায় কার্য পরিচালনা করলেও তাদের ইফতার সেহেরি  করা নিয়ে ব্যাপক অসুবিধা দেখা দিচ্ছে

জানা গেছে, এমন অনেক প্রত্যন্ত গ্রাম আছে যেখানে দোকান বাজার নেই বললেই চলে সেখানে ভোরের সেহেরি সন্ধ্যার ইফতার করা নিয়ে খুবই অসুবিধায় পড়ছেন রোজাদার ভোট কর্মীরা তাছাড়া, ইফতারের সময় :০০, কিন্তু ভোট শেষের সময় :৩০ অর্থাৎ ভোট চলাকালীন ইফতার করাও অসুবিধা জনক পোলিং অফিসার সেখ মইদুল ইসলাম, আহমদ হোসেন, সেখ সামসুদ্দিন প্রমুখ জানান, ' আমরা কিন্তু আমাদের নিজের খরচেই ইফতার সেহরির ব্যবস্থাপনা করতে রাজি তবে এই ব্যাপারে কমিশনের সদর্থক সহায়তা কামনা করি' তারা আরও দাবি করেছেন যে, রোযা রাখা আছে এমন কর্মীদের বুথে দুপুরের পর আরও একজন করে রিলিভার কর্মী নিয়োগ করা হোক এদিকে  জাহির আব্বাস নামে এক পোলিং অফিসার ইতিমধ্যে নির্বাচন কমিশনের মেল বিষয়টি জানিয়েছেন এবং কমিশন থেকে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে

এছাড়াও জানা গেছে, বিষয়ে ইতিমধ্যে সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশন এর পক্ষ থেকে রাজ্যপাল কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে

উল্লেখ্য, আরও জানা গেছে, ইতিপূর্বে রমযান মাসের নির্বাচনে বেশকিছু ডি সি আর সি তে ইফতার সেহেরি ব্যাপারে সহযোগিতা করা হয়েছিল এদিকে কমিশন রমযান মাসে ভোট করায় কিছু কর্মী আক্ষেপ করে বলছেন,  রোযা রেখে যখন ভোট কার্য করতে হচ্ছে তখন  নিজের উদ্যোগেই ইফতার সেহরির ব্যবস্থা করে নিতে পারব! অন্যদিকে অধিকাংশ রোজাদার ভোট কর্মী বিষয়টিকে নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব বলে মনে করেন স্বাভাবিকভাবে ঠিক যেমন স্বয়ম্ভর গোষ্ঠী মারফত দুপুর এবং রাতের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়ে থাকে তাদের মতে সন্ধ্যার সময় এত কাজের চাপ বেশি থাকে যে সেই সময়ে ব্যক্তিগত উদ্যোগে ইফতারের আয়োজন করা খুবই অসুবিধাজনক এখন, প্রখর এই রোদ্রের মধ্যে রমযান মাসে ভোট করে নির্বাচন কমিশন রোযাদার ভোট কর্মীদের ব্যাপারে কী ভূমিকা নেয় সেটাই বড় প্রশ্ন!

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only