শনিবার, ১০ এপ্রিল, ২০২১

শীতলকুচির জোড়পাটকিতে চলল গুলি, নিহত ৫

পুবের কলম, শীতলকুচি: 


ভোটচলাকালীন উত্তপ্ত হয়ে উঠল কোচবিহারের শীতলকুচি বিধানসভার অন্তর্গত মাথাভাঙার জোড়পাটকি। কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে চার জন নিহত হয়েছে বলে অভিযোগ৷ আহত হন বেশ কয়েকজন। ৪ জনের গুলিবিদ্ধ হ্ওয়ার খবর পা্ওয়া গিয়েছে। পাশাপাশি তৃণমূল  বিজেপি সংঘর্ষে একজনের মৃত্যু হয়েছে।  

জানা গিয়েছে, ঘটনার সূত্রপাত হয় একটি রটনার থেকে। একটি ১৪ বছরের কিশোর আহত হয়েছে বলে জানা যায়। খবর রটে গুলি চালিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।তারপরেই একদল মানুষ কেন্দ্রীয়বাহিনীর উপরে চড়াও হয় বলে প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন। প্রায় ২০০–৩০০ মানুষ ঘিরে ধরে কেন্দ্রীয়বাহিনীকে।বন্দুক ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। ্এরপরে্ই গুলি চালায় কেন্দ্রীয়বাহিনী। ইভিএম ভাঙচুর, পোলিং এজেন্টকে মারধর করা হয়েছে। 

সিআইএসএফ-এর রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, পরিস্থিতি এমনই হয়েছিল যে সিআইএসএফ জওয়ানরা আত্মরক্ষার্থে গুলি চালান।পর পর ৭ রাউন্ড গুলি চালায় বাহিনী।সিআইএসএফ-এর প্রাথমিক রিপোর্ট জমা পড়েছে কমিশনে৷

সিআইএসএফ-এর প্রাথমিক রিপোর্ট জমা পড়েছে কমিশনে৷ সেখানে দাবি করা হয়েছে, দিন সকাল সাড়ে 'টা নাগাদ শীতলকুচি বিধানসভার ১২৬ নম্বর বুথে পৌঁছয় সিআইএসএফ-এর একটি ক্যুইক রেসপন্স টিম৷ স্থানীয় পুলিশকে সঙ্গে নিয়েই এলাকায় টহল দিচ্ছিল দলটি৷ অভিযোগ, সেই সময় একদল দুষ্কৃতী তাদের ভোটদানে বাধা প্রদান করে।সিআইএসএফ তাদের সরিয়ে দিতে গেলে তারা বাধা দেয় বলে অভিযোগ৷ এক কিশোর পড়ে যায়। এর পরেই ওই দুষ্কৃতী দলটি ক্যুইক রেসপন্স টিমের সদস্যদের উপর চড়াও হয়৷ আত্মরক্ষায় এবং ভিড় সরিয়ে দিতে রাউন্ড গুলি চালায় বাহিনী৷ এর পরেই সিআইএসএফ-এর এক কম্যান্ড্যান্ট ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।

আরও পড়ুন: করোনা আক্রান্ত আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত


ঘটনার প্রায় এক ঘণ্টা পরে প্রায় দেড়শো জনের একটি দল একসঙ্গে ১২৬ নম্বর বুথে চড়াও হয়৷ প্রথমে বুথের দায়িত্বে থাকা হোমগার্ড এবং আশা কর্মীদের হেনস্থা করার পরে তারা বুথের ভিতরে ঢুকে অন্যান্য ভোটকর্মীদের মারধর করে অশান্তি তৈরি করে। বাধা দিতে গেলেই দুষ্কৃতীরা কেন্দ্রীয়বাহিনীর উপরে চড়াও হয়। তাদের বন্দুক কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। 

সিআইএসএফ-এর দাবি, সতর্ক করতে প্রথমে শূন্যে রাউন্ড গুলি চালান সিআইএসএফ জওয়ানরা৷ ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ এবং আরও কেন্দ্রীয় বাহিনী৷ তা সত্ত্বেও দুষ্কৃতীরা কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপর আক্রমণ বজায় রাখে।সিআইএসএফ-এর রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, পরিস্থিতি এমনই হয়েছিল যে সিআইএসএফ জওয়ানদের প্রাণ সংশয়ের আশঙ্কা ছিল৷ কোচবিহারের পুলিশ সুপার দাবি করেছেন, কেন্দ্রীয় বাহিনীর আক্রমণের চেষ্টা করে বেশ কিছু মানুষ। বাহিনীর অস্ত্রও ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়৷ বাধ্য হয়ে গুলি চালিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী৷ ঘটনাস্থলে আসে নির্বাচন কমিশন। 

মৃত্যু হয়েছে ১৮ আনন্দ বর্মণ নামে এক যুবকের। ্এ্ই প্রথমবার ভোট দিতে ্এসেছিলেন তিনি। বিজেপির দাবি আনন্দ তাদের সমর্থক ছিলেন। 

আপাতত ্এ্ই বুথে বন্ধ রয়েছে ভোটগ্রহণ। 




একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only