সোমবার, ৭ জুন, ২০২১

তুরস্কে বাড়ছে নারীদেরমধ্যে পবিত্র কোরআন হাফেজের হার




পুবের কলম ওয়েবডেস্কঃ পবিত্র কোরআনের হাফেজ তথা পুরো মুখস্থ করা ইসলামের অতীব গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এতে সাধারণত তিন বা চার বছর সময় লাগে। অবশ্য অনেক মেধাবী ছেলে-মেয়েরা আরো কম সময়ে হেফজ সম্পন্ন করে। সাধারণত ৭-১৩ বছর বয়সের মধ্যে ছেলে-মেয়েরা পবিত্র কোরআন হেফজ সম্পন্ন করে। প্রতিদিন ভোর থেকে রাত পর্যন্ত তাঁদেরকে কঠিন নিয়মানুবর্তিতা মেনে পড়াশোনা করতে হয়। 


একটি আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থার  প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ২০০২ সালে তুরস্কে ১৬৭৭টি কোরআন হেফজের মাদ্রাসা ছিল। এখন তা বৃদ্ধি পেয়ে ১৮ হাজার ৬৭৫-এ দাঁড়িয়েছে। তুরস্কের ধর্ম মন্ত্রকের  তথ্য মোতাবেক  প্রতিবছর এসব মাদ্রাসায় ১৫ হাজারের বেশি হাফেজ কোরআন পাঠ সম্পন্ন করে। 


তুরস্কে গত দুই দশকে মেয়েদের কোরআন শেখানোর উদ্দেশ্যে অনেক মাদ্রাসা তৈরি হয়। পবিত্র কোরআনের হাফেজ হওয়ার বাসনায় মেয়েরা তাতে আবাসিক থাকেন। নিজের ঘর-বাড়ি ও আত্মীয়দের ছেড়ে মাদ্রাসায় আবাসিক থাকা কষ্টকর হলেও তা জীবনের বড় লক্ষ্য পূরণে সহায়ক।




মাদ্রসায়  নানা ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন
তুরস্কে মেয়েদের কোরআন হেফজ নিয়ে ফরাসি দৈনিক লে মন্ডে পত্রিকায় একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। তাতে শিক্ষার্থীদের কোরআন মুখস্থের পাশাপাশি অবসরে আনন্দ-বিনোদনের কথা তুলে ধরা হয়। কারণ মুখস্থের মতো কঠিন কাজ সুষ্ঠুভাবে পালনের জন্য মনের উৎফুল্লতাও অনেক প্রয়োজন। 

কোরআন শেখা তুর্কি মেয়েদের জীবনযাত্রা নিয়ে ‘হাফিজ : দ্য গার্ডিয়ান অব কোরআন’ শিরোনামে তুরস্কের ফটো সাংবাদিক সাবিহা সাইমন একটি প্রতিবেদন তৈরি করেন। তা ২০২০ সালের ওয়ার্ল্ড প্রেস ফটো পুরস্কার লাভ করে। মূলত তাঁর অধিকাংশ ফটোগ্রাফি মেয়েদের কোরআন হেফজের আবাসিক মাদ্রাসা  নিয়ে হওয়ায় তা আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমে  বেশ সাড়া ফেলে। 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only