সোমবার, ৭ জুন, ২০২১

শ্রীলঙ্কার পাহাড় চূড়ায় হজরত আদমের (আ) প্রথম পদচিহ্ন






পুবের কলম ওয়েবডেস্কঃ আল্লাহতায়ালা হজরত আদম আলাইহিস সালামকে জান্নাত থেকে দুনিয়াতে পাঠানোর পর তিনি ফেরেশতাদের সাহায্যে বর্তমান শ্রীলঙ্কার ‘সেরেনদ্বীপে’ আসেন। বঙ্গোপসাগর ও ভারত সাগরের মাঝামাঝি স্থানে দ্বীপটি অবস্থিত। ২৫/৩০ মাইল দূর থেকে পাহাড়টি দেখা যায়। এ পাহাড়ের ঠিক মাঝ বরাবর সবচেয়ে উঁচু স্থানটিকে অবস্থিত পৃথিবীর প্রথম মানব হজরত আদম (আ.) এর পদচিহ্ন।

শ্রীলঙ্কার ভাষায় বলা হয়, ‘শ্রী পাদায়া’ অর্থাৎ পবিত্র পদচিহ্ন। এ পাহাড়টি অবয়বের দিক থেকে অনেকটা জাবালে নূরের মতো। মনে হয়, পৃথিবী থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন দ্বীপ এটি। বছরের চার মাস বৃষ্টি আর মেঘে ভাসে দ্বীপটি।

 
১৯০৩ সালে পদচিহ্ন সম্বলিত পাহাড়ে উঠার জন্য পাথর দ্বারা সিঁড়ি বানিয়ে লোহার রেলিং দেওয়া হয়। যাতে পর্যটকদের পাহাড়ে উঠতে কোনো ধরনের বেগ পেতে না হয়।


 
হজরত আদম (আ.) যখন এ পাহাড়ে নামেন এবং প্রথমে ‘ডান’ পা রাখেন।  শ্রীলঙ্কায় জনশ্রুতি আছে, পাহাড়ে নামার পর হজরত আদম (আ.) ১০০ বছর পর্যন্ত শুধু ডান পায়ের ওপর ভর করে দাঁড়িয়েছিলেন।


এ ১০০ বছর তিনি বাম পা মাটিতে রাখেননি। তখনও পৃথিবীর একমাত্র মানব তিনিই।  
অনেকের মতে এটা পৃথিবীর প্রথম মানব ও নবী হজরত আদম (আ.)-এর পায়ের ছাপের ছবি


আদম (আ.) এর পদচিহ্নের দৈর্ঘ্য হলো ৫ ফুট ৭ ইঞ্চি আর প্রস্থে ২ ফুট ৬ ইঞ্চি। হাদিসে এসেছে, তিনি প্রায় ৬০ হাত লম্বা ছিলেন। 

কথিত আছে, প্রতি বছর একগুচ্ছ প্রজাপতি অ্যাডাম’স পীক অভিমুখে উড়ে যায়। তবে এই প্রজাপতিরা আর ফিরে আসে না; আমৃত্যু ওখানেই বসবাস করে। একারণে স্থানীয়ভাবে অ্যাডাম’স পীকের আরেকটি নাম হলো সামানালাকান্দা, বাংলায় প্রজাপতিচূড়া।

বিভিন্ন ইসলামী সাহিত্য অধ্যয়ন করলে জানা যায়, হজরত আদম (আ.) মক্কার কুবাইস পর্বতের পাদদেশে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।



একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only