০৭ মার্চ ২০২৬, শনিবার, ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কুম্ভতে পদপিষ্ট হওয়ার ঘটনায় শোকপ্রকাশ মমতার, দায়ী করলেন যোগী সরকারের গাফিলতিকে

পুবের কলম প্রতিবেদক: মৌনী অমাবস্যায় কুম্ভমেলায় পদপিষ্ট হওয়ার ঘটনা নিয়ে বুধবার শোকপ্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই সূত্রে তিনি গঙ্গাসাগর প্রসঙ্গ তুলে যোগী সরকারকে খোঁচা দিলেন।
মহাকুম্ভর মর্মান্তিক ঘটনা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী তার এক্স হ্যান্ডেলে লিখলেন, ঘটনায় আমিও অত্যন্ত মর্মাহত এবং শোকাহত অন্তত ১৫ জন নিরীহ মানুষের প্রাণ গেল। মৃত তীর্থ যাত্রীদের জন্য আমি প্রার্থনা জানালাম। আমাদের গঙ্গাসাগর মেলা থেকে আমি শিখেছি যে, বিশাল জনসমাবেশে তীর্থযাত্রীদের জীবন সম্পর্কিত বিষয়গুলি। পরিকল্পনা এবং যত্ন সর্বাধিক হওয়া উচিত। মৃতদের পরিবারের প্রতি আমার সমবেদনা রইল।
আপাতদৃষ্টিতে একে একটি শোকবার্তা মনে হলেও এর মধ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতি আক্রমণ শানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশেষ করে গঙ্গাসাগরের প্রসঙ্গ তুলে।
গঙ্গাসাগর মেলাকে জাতীয় মেলা হিসেবে ঘোষণা করার দাবি দীর্ঘদিন ধরে তুলে আসছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু কেন্দ্র তাতে কোনোই কর্ণপাত করেনি। জল পেরিয়ে গঙ্গাসাগর মেলায় আসা যথেষ্ট দুর্গম মকর স্নানে আসা গঙ্গাসাগর যাত্রীদের।
অথচ জল পেরিয়ে না যেতে হলেও জাতীয় মেলা হিসেবে ঘোষিত এই কুম্ভমেলা কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে বহু টাকা অনুদান পেয়ে থাকে। মেলার নিরাপত্তার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারে যথেষ্ট ভূমিকা থাকে। তা সত্ত্বেও এই ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে গেল। এই নিয়ে যোগী রাজ্যে ডাবল ইঞ্জিন সরকারকেই দুষলেন মমতা।
অন্যদিকে, রাজ্য সরকারের তত্ত্বাবধানে হওয়া গঙ্গাসাগর মেলার জন্য মুখ্যমন্ত্রী যেভাবে রাজ্য প্রশাসনকে ব্যবহার করেন, তা সত্যিই একটা শিক্ষার বিষয়।

 

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

বেসামরিক নাগরিক নিহতের ঘটনায় জাতিসংঘের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

কুম্ভতে পদপিষ্ট হওয়ার ঘটনায় শোকপ্রকাশ মমতার, দায়ী করলেন যোগী সরকারের গাফিলতিকে

আপডেট : ২৯ জানুয়ারী ২০২৫, বুধবার

পুবের কলম প্রতিবেদক: মৌনী অমাবস্যায় কুম্ভমেলায় পদপিষ্ট হওয়ার ঘটনা নিয়ে বুধবার শোকপ্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই সূত্রে তিনি গঙ্গাসাগর প্রসঙ্গ তুলে যোগী সরকারকে খোঁচা দিলেন।
মহাকুম্ভর মর্মান্তিক ঘটনা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী তার এক্স হ্যান্ডেলে লিখলেন, ঘটনায় আমিও অত্যন্ত মর্মাহত এবং শোকাহত অন্তত ১৫ জন নিরীহ মানুষের প্রাণ গেল। মৃত তীর্থ যাত্রীদের জন্য আমি প্রার্থনা জানালাম। আমাদের গঙ্গাসাগর মেলা থেকে আমি শিখেছি যে, বিশাল জনসমাবেশে তীর্থযাত্রীদের জীবন সম্পর্কিত বিষয়গুলি। পরিকল্পনা এবং যত্ন সর্বাধিক হওয়া উচিত। মৃতদের পরিবারের প্রতি আমার সমবেদনা রইল।
আপাতদৃষ্টিতে একে একটি শোকবার্তা মনে হলেও এর মধ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতি আক্রমণ শানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশেষ করে গঙ্গাসাগরের প্রসঙ্গ তুলে।
গঙ্গাসাগর মেলাকে জাতীয় মেলা হিসেবে ঘোষণা করার দাবি দীর্ঘদিন ধরে তুলে আসছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু কেন্দ্র তাতে কোনোই কর্ণপাত করেনি। জল পেরিয়ে গঙ্গাসাগর মেলায় আসা যথেষ্ট দুর্গম মকর স্নানে আসা গঙ্গাসাগর যাত্রীদের।
অথচ জল পেরিয়ে না যেতে হলেও জাতীয় মেলা হিসেবে ঘোষিত এই কুম্ভমেলা কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে বহু টাকা অনুদান পেয়ে থাকে। মেলার নিরাপত্তার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারে যথেষ্ট ভূমিকা থাকে। তা সত্ত্বেও এই ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে গেল। এই নিয়ে যোগী রাজ্যে ডাবল ইঞ্জিন সরকারকেই দুষলেন মমতা।
অন্যদিকে, রাজ্য সরকারের তত্ত্বাবধানে হওয়া গঙ্গাসাগর মেলার জন্য মুখ্যমন্ত্রী যেভাবে রাজ্য প্রশাসনকে ব্যবহার করেন, তা সত্যিই একটা শিক্ষার বিষয়।