০৩ মার্চ ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নারী পাচার রুখতে পুলিশের উদ্যোগে নয়া ডকুমেন্টরি

‘১৯৯১ ড্রাগ: দ্য আনটোল্ড স্টোরি’

পুবের কলম প্রতিবেদক: লালগোলায় মাদকবিরোধী সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘১৯৯১ ড্রাগ: দ্য আনটোল্ড স্টোরি’ নামে একটি বিশেষ ভিডিও ডকুমেন্টারি তৈরির কাজ শুরু হল। এই ডকুমেন্টারিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছেন এসডিপিও উত্তম গড়াই, সিআই মানস দাস, লালগোলা থানার ভারপ্রাপ্ত ওসি অতনু দাস, এএসআই বিশ্বজিৎ দাস প্রমুখ।
মুর্শিদাবাদ জেলা পুলিশের সহায়তায় লালগোলাকে হেরোইন মুক্ত অঞ্চল গড়তে ওসি অতনু দাসের এই উদ্যোগ। হেরোইন পাচার সংক্রান্ত বিষয়কে তিনি শূন্যের কোঠায় আনতে চান। অর্থাৎ হেরোইন মুক্ত লালগোলা তিনি গড়তে চান। দায়িত্ব নিয়ে এখনও একমাস হয়নি, এরইমধ্যে তিনজন বড় হেরোইন মাফিয়াকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছেন।
লালগোলার সমাজকর্মী আবদুল মুয়ীদ বলেন, ‘অতনু দাস অত্যন্ত বিচক্ষণ অফিসার। সম্প্রতি লালগোলায় ঘটে যাওয়া হাসপাতালে রোগী চিকিৎসা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে তিনি যেভাবে মোকাবেলা করেছেন তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।’ সমাজকর্মী ও লালগোলা উৎসব কমিটির কর্মকর্তা আবদুল মমিন শেখ বলেন, ‘বহুদিন বাদ লালগোলা একজন ভালো পুলিশ অফিসারকে পেয়েছে। তার হাত ধরেই এলাকা হেরোইন মুক্ত হবে।’ লস্করপুর হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম বলেন,‘অতনু দাসের কাজ-কর্মে লালগোলাবাসি অত্যন্ত খুশি।’

আরও পড়ুন: পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের নয়া উদ্যোগ
সর্বধিক পাঠিত

ইসলামপুর হবে ‘ঈশ্বরপুর’, নাম বদলের বিতর্ক উস্কে দিলেন বিজেপির সভাপতি, পাল্টা তোপ তৃণমূলের

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

নারী পাচার রুখতে পুলিশের উদ্যোগে নয়া ডকুমেন্টরি

আপডেট : ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, মঙ্গলবার

‘১৯৯১ ড্রাগ: দ্য আনটোল্ড স্টোরি’

পুবের কলম প্রতিবেদক: লালগোলায় মাদকবিরোধী সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘১৯৯১ ড্রাগ: দ্য আনটোল্ড স্টোরি’ নামে একটি বিশেষ ভিডিও ডকুমেন্টারি তৈরির কাজ শুরু হল। এই ডকুমেন্টারিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছেন এসডিপিও উত্তম গড়াই, সিআই মানস দাস, লালগোলা থানার ভারপ্রাপ্ত ওসি অতনু দাস, এএসআই বিশ্বজিৎ দাস প্রমুখ।
মুর্শিদাবাদ জেলা পুলিশের সহায়তায় লালগোলাকে হেরোইন মুক্ত অঞ্চল গড়তে ওসি অতনু দাসের এই উদ্যোগ। হেরোইন পাচার সংক্রান্ত বিষয়কে তিনি শূন্যের কোঠায় আনতে চান। অর্থাৎ হেরোইন মুক্ত লালগোলা তিনি গড়তে চান। দায়িত্ব নিয়ে এখনও একমাস হয়নি, এরইমধ্যে তিনজন বড় হেরোইন মাফিয়াকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছেন।
লালগোলার সমাজকর্মী আবদুল মুয়ীদ বলেন, ‘অতনু দাস অত্যন্ত বিচক্ষণ অফিসার। সম্প্রতি লালগোলায় ঘটে যাওয়া হাসপাতালে রোগী চিকিৎসা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে তিনি যেভাবে মোকাবেলা করেছেন তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।’ সমাজকর্মী ও লালগোলা উৎসব কমিটির কর্মকর্তা আবদুল মমিন শেখ বলেন, ‘বহুদিন বাদ লালগোলা একজন ভালো পুলিশ অফিসারকে পেয়েছে। তার হাত ধরেই এলাকা হেরোইন মুক্ত হবে।’ লস্করপুর হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম বলেন,‘অতনু দাসের কাজ-কর্মে লালগোলাবাসি অত্যন্ত খুশি।’

আরও পড়ুন: পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের নয়া উদ্যোগ