৩০ নভেম্বর ২০২৫, রবিবার, ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
গ্রেফতারকৃতদের অধিকাংশই মুসলিম

পহেলগাঁও নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট, অসমে গ্রেফতারের সংখ্যা ৯২

কিবরিয়া আনসারি
  • আপডেট : ১৩ জুন ২০২৫, শুক্রবার
  • / 244

Man on the chair in Handcuffs. Rear view and Closeup ,Men criminal in handcuffs arrested for crimes. With hands in back,boy prison shackle in the jail violence concept.

পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: জম্মু কাশ্মীরের পহেলগাঁও নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করায় ব্যাপক ধড়পাকড় শুরু করেছে অসম পুলিশ। শুক্রবারও দু’জন মুসলিম যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তারা হলেন- সাবিকুল ইসলাম ও দুলাল বোরা।

পহেলগাঁওকাণ্ড নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নিজেদের মতামত শেয়ার করেছিলেন ওই দুই যুবক। এই অভিযোগেই তাদের গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা জানিয়েছেন, পহেলগাঁও নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে পোস্টের অভিযোগে আরও দু’জনকে গ্রেফতার করেছে অসম পুলিশ।

আরও পড়ুন: দিল্লি বিস্ফোরণ: সামাজিক মাধ্যমে পোস্টের অভিযোগে গ্রেফতার মুসলিম স্কুল শিক্ষক

যার ফলে এপ্রিল মাসে পহেলগাঁও হামলার পর থেকে মোট গ্রেফতারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯২ জন। এক এক্স বার্তায় অসমের মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, “হিন্দু বিরোধীদের গ্রেফতার করা হয়েছে! ধরপাকড় অব্যাহত রয়েছে। মোট ৯২ জন অপরাধী কারাগারে রয়েছে।”

আরও পড়ুন: মুসলিম যুবককে ঘিরে ধরে নৃশংস আক্রমণ, গুরুতর আহত মুয়েব

এখন পর্যন্ত যে ৯২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তাদের অধিকাংশই মুসলিম। গ্রেফতার হওয়া অনেকেরই অভিযোগ, বর্তমান পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে মুসলিম যুবকদের গ্রেফতার করছে অসম পুলিশ।

আরও পড়ুন: পরিচয় গোপন রেখে হিন্দু মেয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ, মুসলিম যুবককে বেধড়ক মার বজরং দলের

বরাবরই মুসলিমদের বিরুদ্ধে দমন নিপীড়ন চালানোর শীর্ষে থাকেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। এর আগে মুসলিমদের টার্গেট করে অসমের মুখ্যমন্ত্রী মন্তব্য করেছিলেন, ‘দেশদ্রোহীদের বিরুদ্ধে রাজ্যব্যাপী অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। পহেলগাঁও হামলার পর ‘ভারত-বিরোধী ও পাকিস্তানপন্থী কার্যকলাপ’-এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে পুলিশ।

উল্লেখ্য, এর আগে পহেলগাঁও হামলা নিয়ে পাকিস্তানের সমর্থনে মন্তব্য করার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল এআইইউডিএফ বিধায়ক আমিনুল ইসলামকে। তাঁর বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার মামলা দায়ের করা হয়। যদিও পরে তিনি জামিন পান। তারপর ফের বিধায়কের বিরুদ্ধে জাতীয় নিরাপত্তা আইনে (এনএসএ) মামলা রুজু করা হয়।

প্রতিবেদক

কিবরিয়া আনসারি

Kibria obtained a master's degree in journalism from Aliah University. He has been in journalism since 2018, gaining work experience in multiple organizations. Focused and sincere about his work, Kibria is currently employed at the desk of Purber Kalom.

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

গ্রেফতারকৃতদের অধিকাংশই মুসলিম

পহেলগাঁও নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট, অসমে গ্রেফতারের সংখ্যা ৯২

আপডেট : ১৩ জুন ২০২৫, শুক্রবার

পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: জম্মু কাশ্মীরের পহেলগাঁও নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করায় ব্যাপক ধড়পাকড় শুরু করেছে অসম পুলিশ। শুক্রবারও দু’জন মুসলিম যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তারা হলেন- সাবিকুল ইসলাম ও দুলাল বোরা।

পহেলগাঁওকাণ্ড নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নিজেদের মতামত শেয়ার করেছিলেন ওই দুই যুবক। এই অভিযোগেই তাদের গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা জানিয়েছেন, পহেলগাঁও নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে পোস্টের অভিযোগে আরও দু’জনকে গ্রেফতার করেছে অসম পুলিশ।

আরও পড়ুন: দিল্লি বিস্ফোরণ: সামাজিক মাধ্যমে পোস্টের অভিযোগে গ্রেফতার মুসলিম স্কুল শিক্ষক

যার ফলে এপ্রিল মাসে পহেলগাঁও হামলার পর থেকে মোট গ্রেফতারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯২ জন। এক এক্স বার্তায় অসমের মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, “হিন্দু বিরোধীদের গ্রেফতার করা হয়েছে! ধরপাকড় অব্যাহত রয়েছে। মোট ৯২ জন অপরাধী কারাগারে রয়েছে।”

আরও পড়ুন: মুসলিম যুবককে ঘিরে ধরে নৃশংস আক্রমণ, গুরুতর আহত মুয়েব

এখন পর্যন্ত যে ৯২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তাদের অধিকাংশই মুসলিম। গ্রেফতার হওয়া অনেকেরই অভিযোগ, বর্তমান পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে মুসলিম যুবকদের গ্রেফতার করছে অসম পুলিশ।

আরও পড়ুন: পরিচয় গোপন রেখে হিন্দু মেয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ, মুসলিম যুবককে বেধড়ক মার বজরং দলের

বরাবরই মুসলিমদের বিরুদ্ধে দমন নিপীড়ন চালানোর শীর্ষে থাকেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। এর আগে মুসলিমদের টার্গেট করে অসমের মুখ্যমন্ত্রী মন্তব্য করেছিলেন, ‘দেশদ্রোহীদের বিরুদ্ধে রাজ্যব্যাপী অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। পহেলগাঁও হামলার পর ‘ভারত-বিরোধী ও পাকিস্তানপন্থী কার্যকলাপ’-এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে পুলিশ।

উল্লেখ্য, এর আগে পহেলগাঁও হামলা নিয়ে পাকিস্তানের সমর্থনে মন্তব্য করার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল এআইইউডিএফ বিধায়ক আমিনুল ইসলামকে। তাঁর বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার মামলা দায়ের করা হয়। যদিও পরে তিনি জামিন পান। তারপর ফের বিধায়কের বিরুদ্ধে জাতীয় নিরাপত্তা আইনে (এনএসএ) মামলা রুজু করা হয়।