০১ জানুয়ারী ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১৬ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাদুড়িয়ার ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা ডেপুটেশন দিল কৃষি আধিকারিককে

ইনামুল হক, বসিরহাটঃ  বাজার থেকে কপির বীজ কিনে লাগিয়েছিল জমিতে। কিন্তু গাছ হলেও সময় মতো কোনো ফলন না হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হয় কৃষকরা। এরই প্রতিবাদে ক্ষোভে ফেটে পড়েন তারা। সংশ্লিষ্ট বীজ বিক্রেতা সহ বীজ সরবরাহকারী বিপণন সংস্থাকে চিহ্নিত করে উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানিয়ে কৃষকরা সোমবার ডেপুটেশন দিল বাদুড়িয়া ব্লক সহ কৃষি অধিকর্তার ও বিডিওকে। বাদুড়িয়া পুরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের মাগুরাতি গ্রামের শতাধিক কৃষকের দাবি, ন্যায্য মূল্য দিয়ে খোলাপোতার একটি   বীজ বিপণি থেকে কপির বীজ কিনে লাগানো হয়। কিন্তু গাছের পরিণত বয়সেও মৌসুমি সবজি হিসেবে কোন কপি ফলেনি। আর এতেই হতাশায় ক্ষোভে ফেটে পড়ে চাষিরা। এর প্রতিবাদে তারা কৃষি জমিতে ফসলে আগুন লাগিয়ে বিক্ষোভ দেখায়। সোমবার তারা সারা ভারত কিষান ও ক্ষেতমজুর সংগঠনের নেতৃত্বে বাদুড়িয়া ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক ও ব্লক সহ কৃষি অধিকর্তাকে তাদের দাবি সম্বলিত একটি স্মারকলিপি দেয়। নেতৃত্ব দেন সংগঠনের উত্তর ২৪ পরগনা জেলা কমিটির সভাপতি স্বপন দেবনাথ সহ-সভাপতি নিতাই সরকার, জেলা সম্পাদক দাউদ আলী গাজ , কৃষক নেতা কামাল সরদার প্রমুখ। এদিন প্রায় দেড়শজন কৃষক এই প্রতিবাদ-বিক্ষোভে অংশগ্রহণ করে। বীজ সরবরাহকারী সংস্থার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবির পাশাপাশি তারা ক্ষতিপূরণের দাবিও জানান। সেই সঙ্গে জ্বালানি ও সারের দাম কমানো, কৃষি ঋণ মকুবের দাবিও জানানো হয়। বিডিও সুপর্ণা বিশ্বাস ও ব্লক সহ কৃষি অধিকর্তা প্রতাপ খাড়া আশ্বাস দেন যে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ক্ষতির পরিমাণ তদন্ত করতে একটি প্রতিনিধি দল আজই পাঠানো হচ্ছে। কৃষকরা যাতে ক্ষতিপূরণ পায় তার ব্যবস্থা করা হবে। বাদুড়িয়া পুরসভার চেয়ারম্যানকেও  একটি স্মারকলিপি পেশ করে।১০ নম্বর ওয়ার্ডের সংশ্লিষ্ট চাষীদের ক্ষতি তদন্ত করে দেখার আবেদন জানায় সারা ভারত কিষান ও ক্ষেতমজুর সংগঠনের কর্মকর্তারা।

ট্যাগ :

নববর্ষ উদ্‌যাপনের মাঝেই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, আমস্টারডামের ঐতিহাসিক ভন্ডেলকার্ক চার্চে আগুন

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বাদুড়িয়ার ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা ডেপুটেশন দিল কৃষি আধিকারিককে

আপডেট : ৩ নভেম্বর ২০২১, বুধবার

ইনামুল হক, বসিরহাটঃ  বাজার থেকে কপির বীজ কিনে লাগিয়েছিল জমিতে। কিন্তু গাছ হলেও সময় মতো কোনো ফলন না হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হয় কৃষকরা। এরই প্রতিবাদে ক্ষোভে ফেটে পড়েন তারা। সংশ্লিষ্ট বীজ বিক্রেতা সহ বীজ সরবরাহকারী বিপণন সংস্থাকে চিহ্নিত করে উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানিয়ে কৃষকরা সোমবার ডেপুটেশন দিল বাদুড়িয়া ব্লক সহ কৃষি অধিকর্তার ও বিডিওকে। বাদুড়িয়া পুরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের মাগুরাতি গ্রামের শতাধিক কৃষকের দাবি, ন্যায্য মূল্য দিয়ে খোলাপোতার একটি   বীজ বিপণি থেকে কপির বীজ কিনে লাগানো হয়। কিন্তু গাছের পরিণত বয়সেও মৌসুমি সবজি হিসেবে কোন কপি ফলেনি। আর এতেই হতাশায় ক্ষোভে ফেটে পড়ে চাষিরা। এর প্রতিবাদে তারা কৃষি জমিতে ফসলে আগুন লাগিয়ে বিক্ষোভ দেখায়। সোমবার তারা সারা ভারত কিষান ও ক্ষেতমজুর সংগঠনের নেতৃত্বে বাদুড়িয়া ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক ও ব্লক সহ কৃষি অধিকর্তাকে তাদের দাবি সম্বলিত একটি স্মারকলিপি দেয়। নেতৃত্ব দেন সংগঠনের উত্তর ২৪ পরগনা জেলা কমিটির সভাপতি স্বপন দেবনাথ সহ-সভাপতি নিতাই সরকার, জেলা সম্পাদক দাউদ আলী গাজ , কৃষক নেতা কামাল সরদার প্রমুখ। এদিন প্রায় দেড়শজন কৃষক এই প্রতিবাদ-বিক্ষোভে অংশগ্রহণ করে। বীজ সরবরাহকারী সংস্থার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবির পাশাপাশি তারা ক্ষতিপূরণের দাবিও জানান। সেই সঙ্গে জ্বালানি ও সারের দাম কমানো, কৃষি ঋণ মকুবের দাবিও জানানো হয়। বিডিও সুপর্ণা বিশ্বাস ও ব্লক সহ কৃষি অধিকর্তা প্রতাপ খাড়া আশ্বাস দেন যে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ক্ষতির পরিমাণ তদন্ত করতে একটি প্রতিনিধি দল আজই পাঠানো হচ্ছে। কৃষকরা যাতে ক্ষতিপূরণ পায় তার ব্যবস্থা করা হবে। বাদুড়িয়া পুরসভার চেয়ারম্যানকেও  একটি স্মারকলিপি পেশ করে।১০ নম্বর ওয়ার্ডের সংশ্লিষ্ট চাষীদের ক্ষতি তদন্ত করে দেখার আবেদন জানায় সারা ভারত কিষান ও ক্ষেতমজুর সংগঠনের কর্মকর্তারা।