পুবের কলম, ওয়েব ডেস্ক: লোকসভায় বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী প্রায়শই জিএসটিকে গব্বর সিং ট্যাক্স নামে অভিহিত করে থাকেন। লালকেল্লায় প্রধানমন্ত্রী ভাষণে ৯ মাসের মধ্যে জিএসটি সংস্কার করে সাধারণ মানুষের করের বোঝা লাঘব করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তাই শনিবার কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ তাঁর এক্স হ্যাণ্ডেলে লিখেছেন, কংগ্রেসের চাপেই গব্বর সিং ট্যাক্স কমাতে রাজি হয়েছেন মোদি।
এটা কংগ্রেসেরই জয়। গত ১৮ মাস ধরে কংগ্রেস জিএসটির মৌলিক পরিবর্তন চেয়ে লড়াই করে আসছে। অবশেষে প্রধানমন্ত্রী বুঝেছেন যে, এই পরিবর্তন করা না হলে ভোগ্যপণ্যের কেনাকাটা বাড়বে না এবং উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করা যাবে না। রমেশ লিখেছেন, জিএসটির শুল্কহার কমানো খুবই জরুরি। এই কর কাঠামো এমনভাবে করা উচিত যাতে রাজ্যের রাজস্বের ভাগ না কমে।
মনে রাখতে হবে, জিএসটির ক্ষতিপূরণ দেওয়া ২০২৬ এর ৩১ মার্চ শেষ হবে। ক্ষুদ্র, অতিক্ষুদ্র এবং মাঝারি শিল্পের জন্য যথেষ্ট সুরক্ষা থাকা দরকার। কারণ বেশিরভাগ চাকরি এই ক্ষেত্র থেকেই হয়। ইউপিএ আমলে যখন জিএসটির সূচনা হয় তখন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মোদি তার ঘোরতর বিরোধী ছিলেন। বিশ্বব্যাংকের ২০১৮ এর উন্নয়ন সূচকে ভারতের জিএসটিকে জটিল বলে অভিহিত করা হয়েছে। বিশ্বের ১১৫ দেশের মধ্যে আমাদের জিএসটি হল দ্বিতীয় সর্বোচ্চ কর। ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন, করফেরতের যে ব্যবস্থা রয়েছে তাতে অনেক দেরি করে ফেরত দেওয়া হয় এবং হাজার এক কাগজপত্র পেশ করতে হয়।
রমেশ লিখেছেন, শোলে সিনেমায় গব্বর সিং ছিলেন। সেই শোলে-র ৫০ বছর পূর্তির দিনই মোদি এই ঘোষণা করেছেন। রাহুল ২০২২ সালেই লিখেছিলেন, কংগ্রেসের জেনুইন সিম্পল ট্যাক্সকে বিজেপি গব্বর সিং ট্যাক্সে পরিণত করেছে। ১৮২৬ দিনে ১০০০ বার পরিবর্তন করা হয়েছে করহার।




























