পুবের কলম ওয়েবডেস্ক : কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর ‘ভোটার অধিকার যাত্রা’ মিছিল চলার সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও তাঁর প্রয়াত মায়ের বিরুদ্ধে অশালীন মন্তব্য করার অভিযোগ উঠেছে। আর এই নিয়ে কংগ্রেস ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন।
শাহ বলেছেন, কংগ্রেস বরাবরই মোদিজিকে গালাগাল দিয়ে এসেছে। কংগ্রেস সবসময় অনুপ্রবেশকারীদের বাঁচাতে চায় যা ভারতের গণতন্ত্রের উপর একটি কলঙ্ক। রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে কংগ্রেস রাজনীতির সর্বনিম্ন স্তরে নেমে এসেছে। জেপি নাড্ডাও বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর মাকে নিয়ে যেভাবে গালাগাল করা হয়েছে, তা অশ্লীলতার সমস্ত সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছে। এই ঘটনার জন্য রাহুল গান্ধী ও তেজস্বী যাদবকে ক্ষমা চাইতে হবে।
এমনকি বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারও ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন। ঘটনাটিকে অগ্রহণযোগ্য বলেও মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেছেন, দরভাঙ্গায় কংগ্রেস ও আরজেডি মঞ্চ থেকে প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর প্রয়াত মায়ের বিরুদ্ধে যে ধরণের কথা বলা হয়েছে, তা অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয়। কংগ্রেস নেতা পবন খেরা পালটা দাবি করেছেন, বিজেপি মূল বিষয়গুলো থেকে দৃষ্টি সরানোর জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে এই ধরনের অপ্রাসঙ্গিক বিষয়কে সামনে নিয়ে আসার চেষ্টা করছে।
এ নিয়ে একটি ভিডিয়ো ফুটেজও ভাইরাল হয়েছে। তাতে দেখা যাচ্ছে, উভয় দলের কর্মীরা হাতে পতাকা নিয়ে একে অপরকে আক্রমণ করে চলেছে। বিজেপি নেতা নীতিন নবীন এই প্রসঙ্গে মন্তব্য করে বলেছেন, বিহারের প্রতিটি যুবক মায়ের অপমানের জন্য প্রতিশোধ নেবে। এমনকি রাহুল গান্ধীর সভা থেকেও এক যুবককে মোদি ও তাঁর প্রয়াত মায়ের উদ্দেশ্যে অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করতে শোনা যায়।
এরপর পালটা বিজেপি এফআইআর দায়ের করে ও রাহুল গান্ধীকে ক্ষমা চাওয়ার জন্য দাবি জানানো হয়। এই নিয়ে পাটনা ও দারভাঙ্গায় পৃথক মামলাও দায়ের করা হয়। অভিযুক্তকে আপাতত গ্রেফতার করে আদালতে তোলা হয়েছে।




























