০৫ মার্চ ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

Delhi riots: ১৯ সেপ্টেম্বর উমর খালিদ, শারজিল ইমাম ও গুলফিশারদের জামিনের আবেদন শুনবে সুপ্রিম কোর্ট

মোক্তার হোসেন মন্ডল: সুপ্রিম কোর্ট আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর জামিন আবেদনের শুনানি করবে উমর খালিদ, শারজিল ইমাম ও গুলফিশা ফাতিমাদের (Delhi riots)। রাজধানী দিল্লিতে ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারির দাঙ্গার ষড়যন্ত্রের অভিযোগে দায়ের হওয়া ইউএপিএ মামলায় হাইকোর্ট থেকে কোনো স্বস্তি না পাওয়ার পর তারা সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেন।

বিচারপতি অরবিন্দ কুমার ও এন ভি আঞ্জারিয়ার বেঞ্চ ওই জামিন আবেদন শুনবেন বলে জানা গেছে। খালিদ, ইমাম ও ফাতিমা ২ সেপ্টেম্বর দিল্লি হাই কোর্টের আদেশকে চ্যালেঞ্জ করেছেন।

আরও পড়ুন: শারজিল ইমাম ও উমর খালিদদের জামিন মামলার শুনানি সোমবার

হাই কোর্ট ওই মামলায় খালিদ ও শারজিল ইমামসহ নয়জনের জামিন আবেদন খারিজ করে দেয়। আদালত বলেছিল, নাগরিকদের বিক্ষোভ বা প্রতিবাদের নামে ষড়যন্ত্রমূলক সহিংসতা (Delhi riots) কোনোভাবেই অনুমোদিত হতে পারে না। যাদের আবেদন খারিজ হয়েছে তারা হলেন— খালিদ, ইমাম, ফাতিমা, মোহাম্মদ সেলিম খান, শিফা উর রহমান, আথার খান, মীরান হায়দার, আব্দুল খালিদ সাইফি ও শাদাব আহমেদ।

আরও পড়ুন: Delhi riots case: উমর খালিদদের জামিনের আবেদনে দিল্লি পুলিশের কাছে নোটিস জারি supreme court-এর

আরেক অভিযুক্ত তসলিম আহমেদের জামিন আবেদনও ২ সেপ্টেম্বর হাই কোর্টের অন্য একটি বেঞ্চ খারিজ করে।

আরও পড়ুন: ফের পিছিয়ে গেল শুনানি, জামিন হলো না উমর খালিদ, শার্জিল ইমামদের

আদালত জানিয়েছে, সংবিধান নাগরিকদের শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও নিরস্ত্র অবস্থায় প্রতিবাদ করার অধিকার দিয়েছে, তবে সেটি অবশ্যই আইনের সীমার মধ্যে হতে হবে।

খালিদ, ইমামসহ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে যে, তারা ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারির দাঙ্গার “মূল হোতা”। ওই দাঙ্গায় ৫৩ জন নিহত ও ৭০০ জনের বেশি আহত হন। সহিংসতা শুরু হয়েছিল সিএএ ও এনআরসি বিরোধী আন্দোলনের সময়।

এই মামলার অভিযুক্তরা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তারা ২০২০ সাল থেকে কারাগারে আটক আছেন। ট্রায়াল কোর্ট জামিন না দেওয়ার পর তারা হাই কোর্টে গিয়েছিলেন, তবে সেখান থেকেও জামিন পাননি।

প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

খামেনি হত্যার প্রতিবাদের ভিডিয়ো শেয়ার: শ্রীনগরের সাংসদ রুহুল্লাহ মেহদির বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করল পুলিশ

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

Delhi riots: ১৯ সেপ্টেম্বর উমর খালিদ, শারজিল ইমাম ও গুলফিশারদের জামিনের আবেদন শুনবে সুপ্রিম কোর্ট

আপডেট : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫, শুক্রবার

মোক্তার হোসেন মন্ডল: সুপ্রিম কোর্ট আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর জামিন আবেদনের শুনানি করবে উমর খালিদ, শারজিল ইমাম ও গুলফিশা ফাতিমাদের (Delhi riots)। রাজধানী দিল্লিতে ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারির দাঙ্গার ষড়যন্ত্রের অভিযোগে দায়ের হওয়া ইউএপিএ মামলায় হাইকোর্ট থেকে কোনো স্বস্তি না পাওয়ার পর তারা সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেন।

বিচারপতি অরবিন্দ কুমার ও এন ভি আঞ্জারিয়ার বেঞ্চ ওই জামিন আবেদন শুনবেন বলে জানা গেছে। খালিদ, ইমাম ও ফাতিমা ২ সেপ্টেম্বর দিল্লি হাই কোর্টের আদেশকে চ্যালেঞ্জ করেছেন।

আরও পড়ুন: শারজিল ইমাম ও উমর খালিদদের জামিন মামলার শুনানি সোমবার

হাই কোর্ট ওই মামলায় খালিদ ও শারজিল ইমামসহ নয়জনের জামিন আবেদন খারিজ করে দেয়। আদালত বলেছিল, নাগরিকদের বিক্ষোভ বা প্রতিবাদের নামে ষড়যন্ত্রমূলক সহিংসতা (Delhi riots) কোনোভাবেই অনুমোদিত হতে পারে না। যাদের আবেদন খারিজ হয়েছে তারা হলেন— খালিদ, ইমাম, ফাতিমা, মোহাম্মদ সেলিম খান, শিফা উর রহমান, আথার খান, মীরান হায়দার, আব্দুল খালিদ সাইফি ও শাদাব আহমেদ।

আরও পড়ুন: Delhi riots case: উমর খালিদদের জামিনের আবেদনে দিল্লি পুলিশের কাছে নোটিস জারি supreme court-এর

আরেক অভিযুক্ত তসলিম আহমেদের জামিন আবেদনও ২ সেপ্টেম্বর হাই কোর্টের অন্য একটি বেঞ্চ খারিজ করে।

আরও পড়ুন: ফের পিছিয়ে গেল শুনানি, জামিন হলো না উমর খালিদ, শার্জিল ইমামদের

আদালত জানিয়েছে, সংবিধান নাগরিকদের শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও নিরস্ত্র অবস্থায় প্রতিবাদ করার অধিকার দিয়েছে, তবে সেটি অবশ্যই আইনের সীমার মধ্যে হতে হবে।

খালিদ, ইমামসহ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে যে, তারা ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারির দাঙ্গার “মূল হোতা”। ওই দাঙ্গায় ৫৩ জন নিহত ও ৭০০ জনের বেশি আহত হন। সহিংসতা শুরু হয়েছিল সিএএ ও এনআরসি বিরোধী আন্দোলনের সময়।

এই মামলার অভিযুক্তরা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তারা ২০২০ সাল থেকে কারাগারে আটক আছেন। ট্রায়াল কোর্ট জামিন না দেওয়ার পর তারা হাই কোর্টে গিয়েছিলেন, তবে সেখান থেকেও জামিন পাননি।