০৩ জানুয়ারী ২০২৬, শনিবার, ১৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হুগলির পুইনানে বিশ্ব ইজতেমায় এক সমুদ্র মুসল্লির জুমার নামাজ

এম এস ইসলাম, বিশাখা

হুগলি জেলার দাদপুর থানার অন্তর্গত পুইনান গ্রামে অনুষ্ঠিত বিশ্ব ইজতেমায় শুক্রবার লক্ষাধিক ধর্মপ্রাণ মুসল্লি জুমার নামাজে অংশ নেন। দীর্ঘ ৩৪ বছর পর পশ্চিমবঙ্গে ফিরে আসা এই বিশ্ব ইজতেমা ইতিমধ্যেই এক ঐতিহাসিক ধর্মীয় সমাবেশে রূপ নিয়েছে। দেশ-বিদেশ থেকে আগত মুসল্লিদের উপস্থিতিতে পুইনানের ইজতেমা ময়দান পরিণত হয়েছে শান্তি, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের মিলনমেলায়।

তাবলিগ জামাতের উদ্যোগে ২ থেকে ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে এবারের বিশ্ব ইজতেমা। প্রথম দিন থেকেই ময়দানে মানুষের ঢল নেমেছে। আয়োজকদের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই ১৮ থেকে ২০ লক্ষের বেশি মুসল্লি এই ধর্মীয় সমাবেশে অংশ নিয়েছেন। বিভিন্ন দেশ থেকেও বহু মুসল্লি এসেছেন ইজতেমায় অংশ নিতে, ইসলামী বয়ান শুনতে এবং দোয়া ও মোনাজাতে শরিক হতে। বিশাল ময়দানজুড়ে মুসল্লিরা নামাজ, আমল ও ধর্মীয় আলোচনায় গভীর মনোযোগে সময় কাটাচ্ছেন।

ইজতেমা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে পশ্চিমবঙ্গ সরকার বিশেষ নিরাপত্তা ও পরিকাঠামোগত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তর সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করছে। পুলিশের কড়া নজরদারি, স্বেচ্ছাসেবকদের সহযোগিতা এবং প্রশাসনিক প্রস্তুতির ফলে ইজতেমা ময়দানে শৃঙ্খলা ও শান্তি বজায় রয়েছে।

বিশ্ব ইজতেমা শুধু একটি ধর্মীয় আয়োজন নয়, বরং বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর ঐক্য ও ভ্রাতৃত্বের প্রতীক। কুরআন ও হাদিসের আলোকে জীবন পরিচালনার আহ্বান জানানো হচ্ছে বয়ান থেকে। আগামী ৫ জানুয়ারি আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে বিশ্বশান্তি ও মানবকল্যাণ কামনা করে এই বৃহৎ ধর্মীয় সমাবেশের পরিসমাপ্তি ঘটবে। আয়োজকদের ধারণা, শেষ দিনে প্রায় কোটি মানুষের সমাগম হতে পারে।

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

সামাজিক সুরক্ষা বিধির খসড়া প্রকাশ, গিগ কর্মীদের সামাজিক সুরক্ষা দেবে কেন্দ্র

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

হুগলির পুইনানে বিশ্ব ইজতেমায় এক সমুদ্র মুসল্লির জুমার নামাজ

আপডেট : ৩ জানুয়ারী ২০২৬, শনিবার

এম এস ইসলাম, বিশাখা

হুগলি জেলার দাদপুর থানার অন্তর্গত পুইনান গ্রামে অনুষ্ঠিত বিশ্ব ইজতেমায় শুক্রবার লক্ষাধিক ধর্মপ্রাণ মুসল্লি জুমার নামাজে অংশ নেন। দীর্ঘ ৩৪ বছর পর পশ্চিমবঙ্গে ফিরে আসা এই বিশ্ব ইজতেমা ইতিমধ্যেই এক ঐতিহাসিক ধর্মীয় সমাবেশে রূপ নিয়েছে। দেশ-বিদেশ থেকে আগত মুসল্লিদের উপস্থিতিতে পুইনানের ইজতেমা ময়দান পরিণত হয়েছে শান্তি, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের মিলনমেলায়।

তাবলিগ জামাতের উদ্যোগে ২ থেকে ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে এবারের বিশ্ব ইজতেমা। প্রথম দিন থেকেই ময়দানে মানুষের ঢল নেমেছে। আয়োজকদের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই ১৮ থেকে ২০ লক্ষের বেশি মুসল্লি এই ধর্মীয় সমাবেশে অংশ নিয়েছেন। বিভিন্ন দেশ থেকেও বহু মুসল্লি এসেছেন ইজতেমায় অংশ নিতে, ইসলামী বয়ান শুনতে এবং দোয়া ও মোনাজাতে শরিক হতে। বিশাল ময়দানজুড়ে মুসল্লিরা নামাজ, আমল ও ধর্মীয় আলোচনায় গভীর মনোযোগে সময় কাটাচ্ছেন।

ইজতেমা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে পশ্চিমবঙ্গ সরকার বিশেষ নিরাপত্তা ও পরিকাঠামোগত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তর সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করছে। পুলিশের কড়া নজরদারি, স্বেচ্ছাসেবকদের সহযোগিতা এবং প্রশাসনিক প্রস্তুতির ফলে ইজতেমা ময়দানে শৃঙ্খলা ও শান্তি বজায় রয়েছে।

বিশ্ব ইজতেমা শুধু একটি ধর্মীয় আয়োজন নয়, বরং বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর ঐক্য ও ভ্রাতৃত্বের প্রতীক। কুরআন ও হাদিসের আলোকে জীবন পরিচালনার আহ্বান জানানো হচ্ছে বয়ান থেকে। আগামী ৫ জানুয়ারি আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে বিশ্বশান্তি ও মানবকল্যাণ কামনা করে এই বৃহৎ ধর্মীয় সমাবেশের পরিসমাপ্তি ঘটবে। আয়োজকদের ধারণা, শেষ দিনে প্রায় কোটি মানুষের সমাগম হতে পারে।