১৩ জানুয়ারী ২০২৬, মঙ্গলবার, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‘ধর্ষকদের জামিন দাও, আর বিক্ষোভকারীদের জেলে ঢোকাও’: তৃণমূল সাংসদদের চ্যাংদোলা নিয়ে ফুঁসে উঠলেন অভিষেক

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: আইপ্যাক কর্তা প্রতীক জৈনের বাড়ি ও দফতরে ইডি তল্লাশির প্রতিবাদে শুক্রবার সকালে দিল্লিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সামনে ধর্নায় বসেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদরা। তাঁদের অভিযোগ, তৃণমূলের নির্বাচনী তথ্য হাতাতে কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে ব্যবহার করা হয়েছে। তবে ধর্না শুরু হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই দিল্লি পুলিশের একটি বড় দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে সাংসদদের সরে যাওয়ার নির্দেশ দেয়। তাঁরা রাজি না হওয়ায় ধস্তাধস্তি শুরু হয়। অভিযোগ, এরপর তৃণমূল সাংসদদের চ্যাংদোলা করে প্রিজন ভ্যানে তোলা হয়। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানালেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্রের মোদি সরকারকে তোপ দাগলেন তৃণমূল সাংসদ। শুক্রবার এক্স হ্যান্ডলে তিনি লেখেন, ‘ধর্ষকদের জামিন দাও, আর বিক্ষোভকারীদের জেলে ঢোকাও — এটাই বিজেপির নিউ ইন্ডিয়া। গণতন্ত্রকে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে। পুরস্কৃত করা হচ্ছে অপরাধীদের। প্রতিষ্ঠানগুলিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। কারচুপি করা হচ্ছে নির্বাচনে।’

এদিন ডেরেক ও’ব্রায়েন, মহুয়া মৈত্র, কীর্তি আজাদ, বাপি হালদার, শতাব্দী রায়, সাকেত গোখলে-সহ আট সাংসদকে আটক করে পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ঘটনায় দিল্লি পুলিশের ভূমিকার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে তৃণমূল। সাংসদদের দাবি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নির্দেশেই এই দমনমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বিজেপির বিরুদ্ধে একজোট হয়ে লড়াইয়ের বার্তা দিয়ে অভিষেক সাফ বলেছেন, ‘যদি দেশের বাকি অংশকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করা হয়, তা হলেও বাংলা প্রতিরোধ করবে। আমরা তোমাদের বিরুদ্ধে সর্বশক্তি দিয়ে লড়াই করব। যতই শক্তি প্রয়োগ করুন, আমরা আপনাদের হারাবই।’

প্রতিবেদক

কিবরিয়া আনসারি

Kibria obtained a master's degree in journalism from Aliah University. He has been in journalism since 2018, gaining work experience in multiple organizations. Focused and sincere about his work, Kibria is currently employed at the desk of Purber Kalom.
সর্বধিক পাঠিত

ইরান ছাড়ার জরুরি সতর্কতা যুক্তরাষ্ট্রের, নাগরিকদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে যাওয়ার আহ্বান

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

‘ধর্ষকদের জামিন দাও, আর বিক্ষোভকারীদের জেলে ঢোকাও’: তৃণমূল সাংসদদের চ্যাংদোলা নিয়ে ফুঁসে উঠলেন অভিষেক

আপডেট : ৯ জানুয়ারী ২০২৬, শুক্রবার

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: আইপ্যাক কর্তা প্রতীক জৈনের বাড়ি ও দফতরে ইডি তল্লাশির প্রতিবাদে শুক্রবার সকালে দিল্লিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সামনে ধর্নায় বসেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদরা। তাঁদের অভিযোগ, তৃণমূলের নির্বাচনী তথ্য হাতাতে কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে ব্যবহার করা হয়েছে। তবে ধর্না শুরু হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই দিল্লি পুলিশের একটি বড় দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে সাংসদদের সরে যাওয়ার নির্দেশ দেয়। তাঁরা রাজি না হওয়ায় ধস্তাধস্তি শুরু হয়। অভিযোগ, এরপর তৃণমূল সাংসদদের চ্যাংদোলা করে প্রিজন ভ্যানে তোলা হয়। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানালেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্রের মোদি সরকারকে তোপ দাগলেন তৃণমূল সাংসদ। শুক্রবার এক্স হ্যান্ডলে তিনি লেখেন, ‘ধর্ষকদের জামিন দাও, আর বিক্ষোভকারীদের জেলে ঢোকাও — এটাই বিজেপির নিউ ইন্ডিয়া। গণতন্ত্রকে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে। পুরস্কৃত করা হচ্ছে অপরাধীদের। প্রতিষ্ঠানগুলিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। কারচুপি করা হচ্ছে নির্বাচনে।’

এদিন ডেরেক ও’ব্রায়েন, মহুয়া মৈত্র, কীর্তি আজাদ, বাপি হালদার, শতাব্দী রায়, সাকেত গোখলে-সহ আট সাংসদকে আটক করে পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ঘটনায় দিল্লি পুলিশের ভূমিকার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে তৃণমূল। সাংসদদের দাবি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নির্দেশেই এই দমনমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বিজেপির বিরুদ্ধে একজোট হয়ে লড়াইয়ের বার্তা দিয়ে অভিষেক সাফ বলেছেন, ‘যদি দেশের বাকি অংশকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করা হয়, তা হলেও বাংলা প্রতিরোধ করবে। আমরা তোমাদের বিরুদ্ধে সর্বশক্তি দিয়ে লড়াই করব। যতই শক্তি প্রয়োগ করুন, আমরা আপনাদের হারাবই।’