০২ মার্চ ২০২৬, সোমবার, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধের প্রভাবে শেয়ার বাজারে ধস, বিনিয়োগকারীদের ছয় লক্ষ কোটি টাকার ক্ষতি

ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধের প্রভাবে শেয়ার বাজারে ধস, বিনিয়োগকারীদের ছয় লক্ষ কোটি টাকার ক্ষতি

পুবের কলম,নয়াদিল্লি: ইরান, ইজরায়েল ও আমেরিকার মধ্যে যুদ্ধের জেরে সোমবার ভারতীয় শেয়ার বাজারে বড় ধস নামে। দিনের শুরুতেই সেনসেক্স প্রায় দুই হাজার সাতশোর বেশি পয়েন্ট পড়ে যায়। নিফটিতেও পাঁচশোর বেশি পয়েন্ট কমে যায়। পরে কিছুটা সামাল দিলেও সেনসেক্স প্রায় এক হাজার পয়েন্ট নিচে নেমে প্রায় আশি হাজারের আশপাশে লেনদেন করছিল। নিফটিও তিনশো পয়েন্ট পড়ে চব্বিশ হাজার ন’শোর নিচে ঘোরাফেরা করে। ব্যাঙ্ক সংক্রান্ত সূচকেও বড় পতন দেখা যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ আরও বাড়লে বাজারে চাপ বাড়তে পারে। কাঁচা তেলের দামে বড় উত্থান-পতন হচ্ছে। পরিস্থিতি খারাপ হলে তেলের দাম ব্যারেল প্রতি একশো ডলারে পৌঁছতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বড় ত্রিশটি সংস্থার মধ্যে উনত্রিশটির শেয়ারের দর কমেছে। বিমান, নির্মাণ ও বন্দর সংক্রান্ত একাধিক সংস্থার শেয়ারে দুই থেকে পাঁচ শতাংশ পর্যন্ত পতন হয়েছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই গাড়ি, তথ্যপ্রযুক্তি, ব্যাঙ্কিং, স্বাস্থ্য ও আর্থিক খাতে লাল চিহ্ন দেখা যায়। শুধু ধাতু খাতে কিছুটা উত্থান ছিল। এই ধসের জেরে বিনিয়োগকারীদের প্রায় ছয় লক্ষ কোটি টাকার সম্পদ কমে গেছে। সক্রিয় শেয়ারের মধ্যে অধিকাংশের দর পড়েছে, খুব কম শেয়ার বেড়েছে। এশিয়ার অন্য বাজারগুলিতেও একই চিত্র দেখা গেছে। জাপান, চীন, হংকং ও তাইওয়ানের বাজারেও বড় পতন হয়েছে।

আরও পড়ুন: ইরানে হামলা শুরু করেছে ইসরায়েল

আরও পড়ুন: পবিত্র রমযানে আল-আকসায় বিধিনিষেধের পথে ইসরাইল
সর্বধিক পাঠিত

‘একজন ভোটার থাকলেও আমি জিতব’: ভবানীপুরে ব্যাপক ভোটার বাদ পড়ার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধের প্রভাবে শেয়ার বাজারে ধস, বিনিয়োগকারীদের ছয় লক্ষ কোটি টাকার ক্ষতি

আপডেট : ২ মার্চ ২০২৬, সোমবার

ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধের প্রভাবে শেয়ার বাজারে ধস, বিনিয়োগকারীদের ছয় লক্ষ কোটি টাকার ক্ষতি

পুবের কলম,নয়াদিল্লি: ইরান, ইজরায়েল ও আমেরিকার মধ্যে যুদ্ধের জেরে সোমবার ভারতীয় শেয়ার বাজারে বড় ধস নামে। দিনের শুরুতেই সেনসেক্স প্রায় দুই হাজার সাতশোর বেশি পয়েন্ট পড়ে যায়। নিফটিতেও পাঁচশোর বেশি পয়েন্ট কমে যায়। পরে কিছুটা সামাল দিলেও সেনসেক্স প্রায় এক হাজার পয়েন্ট নিচে নেমে প্রায় আশি হাজারের আশপাশে লেনদেন করছিল। নিফটিও তিনশো পয়েন্ট পড়ে চব্বিশ হাজার ন’শোর নিচে ঘোরাফেরা করে। ব্যাঙ্ক সংক্রান্ত সূচকেও বড় পতন দেখা যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ আরও বাড়লে বাজারে চাপ বাড়তে পারে। কাঁচা তেলের দামে বড় উত্থান-পতন হচ্ছে। পরিস্থিতি খারাপ হলে তেলের দাম ব্যারেল প্রতি একশো ডলারে পৌঁছতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বড় ত্রিশটি সংস্থার মধ্যে উনত্রিশটির শেয়ারের দর কমেছে। বিমান, নির্মাণ ও বন্দর সংক্রান্ত একাধিক সংস্থার শেয়ারে দুই থেকে পাঁচ শতাংশ পর্যন্ত পতন হয়েছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই গাড়ি, তথ্যপ্রযুক্তি, ব্যাঙ্কিং, স্বাস্থ্য ও আর্থিক খাতে লাল চিহ্ন দেখা যায়। শুধু ধাতু খাতে কিছুটা উত্থান ছিল। এই ধসের জেরে বিনিয়োগকারীদের প্রায় ছয় লক্ষ কোটি টাকার সম্পদ কমে গেছে। সক্রিয় শেয়ারের মধ্যে অধিকাংশের দর পড়েছে, খুব কম শেয়ার বেড়েছে। এশিয়ার অন্য বাজারগুলিতেও একই চিত্র দেখা গেছে। জাপান, চীন, হংকং ও তাইওয়ানের বাজারেও বড় পতন হয়েছে।

আরও পড়ুন: ইরানে হামলা শুরু করেছে ইসরায়েল

আরও পড়ুন: পবিত্র রমযানে আল-আকসায় বিধিনিষেধের পথে ইসরাইল