০৭ মার্চ ২০২৬, শনিবার, ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আতঙ্কে আশ্রয়কেন্দ্রে লাখ লাখ ইসরায়েলি

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি ক্রমেই তীব্র হয়ে উঠছে। ইরানের উপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলা শুরু হওয়ার এক সপ্তাহ পার হলেও সংঘাত থামার কোনও লক্ষণ নেই। বরং পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে গড়াতে পারে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই সংঘাতের প্রভাব এখন সরাসরি পড়ছে সাধারণ মানুষের জীবনে। শুক্রবার মধ্যরাত থেকে শনিবার পর্যন্ত ইরান থেকে ইসরায়েলের দিকে অন্তত পাঁচটি দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী।

ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আশঙ্কায় তেল আবিব, জেরুজালেম ও হাইফা-সহ বিভিন্ন শহরে লাখ লাখ মানুষ মাটির নীচের আশ্রয়কেন্দ্র, গাড়ি রাখার ঘর, পাতাল রেল স্টেশন ও অন্যান্য ভূগর্ভস্থ নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিয়েছেন। নিরাপত্তার কারণে অনেককেই সারা রাত সেখানেই অবস্থান করতে হচ্ছে। ইসরায়েলের সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, দেশটির সরকারের উপর চাপ বাড়াতেই ইরান এই কৌশল নিয়েছে। ভিন্ন ভিন্ন সময়ে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে সাধারণ মানুষকে দীর্ঘ সময় ধরে আশ্রয়কেন্দ্রে থাকতে বাধ্য করা হচ্ছে, যাতে জনজীবনে অস্থিরতা তৈরি হয়।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর দাবি, সংঘাতের প্রথম সপ্তাহেই ইরান থেকে অন্তত এক হাজার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হয়েছিল। তবে এখন পর্যন্ত প্রায় দুইশোটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে। ইসরায়েলের দাবি, এই সংখ্যা ইরানের সীমিত সক্ষমতারই ইঙ্গিত দেয়। তাদের মতে, সামরিক অভিযানে নিজেদের সাফল্যের কারণেই ইরানের আক্রমণের তীব্রতা প্রত্যাশার তুলনায় কম হয়েছে।

প্রতিবেদক

কিবরিয়া আনসারি

Kibria obtained a master's degree in journalism from Aliah University. He has been in journalism since 2018, gaining work experience in multiple organizations. Focused and sincere about his work, Kibria is currently employed at the desk of Purber Kalom.
সর্বধিক পাঠিত

শিলিগুড়িতে সভাস্থল বদল নিয়ে আক্ষেপ রাষ্ট্রপতির, মুখ্যমন্ত্রীকে বার্তা

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আতঙ্কে আশ্রয়কেন্দ্রে লাখ লাখ ইসরায়েলি

আপডেট : ৭ মার্চ ২০২৬, শনিবার

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি ক্রমেই তীব্র হয়ে উঠছে। ইরানের উপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলা শুরু হওয়ার এক সপ্তাহ পার হলেও সংঘাত থামার কোনও লক্ষণ নেই। বরং পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে গড়াতে পারে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই সংঘাতের প্রভাব এখন সরাসরি পড়ছে সাধারণ মানুষের জীবনে। শুক্রবার মধ্যরাত থেকে শনিবার পর্যন্ত ইরান থেকে ইসরায়েলের দিকে অন্তত পাঁচটি দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী।

ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আশঙ্কায় তেল আবিব, জেরুজালেম ও হাইফা-সহ বিভিন্ন শহরে লাখ লাখ মানুষ মাটির নীচের আশ্রয়কেন্দ্র, গাড়ি রাখার ঘর, পাতাল রেল স্টেশন ও অন্যান্য ভূগর্ভস্থ নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিয়েছেন। নিরাপত্তার কারণে অনেককেই সারা রাত সেখানেই অবস্থান করতে হচ্ছে। ইসরায়েলের সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, দেশটির সরকারের উপর চাপ বাড়াতেই ইরান এই কৌশল নিয়েছে। ভিন্ন ভিন্ন সময়ে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে সাধারণ মানুষকে দীর্ঘ সময় ধরে আশ্রয়কেন্দ্রে থাকতে বাধ্য করা হচ্ছে, যাতে জনজীবনে অস্থিরতা তৈরি হয়।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর দাবি, সংঘাতের প্রথম সপ্তাহেই ইরান থেকে অন্তত এক হাজার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হয়েছিল। তবে এখন পর্যন্ত প্রায় দুইশোটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে। ইসরায়েলের দাবি, এই সংখ্যা ইরানের সীমিত সক্ষমতারই ইঙ্গিত দেয়। তাদের মতে, সামরিক অভিযানে নিজেদের সাফল্যের কারণেই ইরানের আক্রমণের তীব্রতা প্রত্যাশার তুলনায় কম হয়েছে।