০১ জানুয়ারী ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১৬ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বরাক উপত্যকায় একসঙ্গে সামাজিক কাজ করার অঙ্গীকার হাফসা ফাউন্ডেশন ও পিপিএফের

গুয়াহাটি: অসমের দুটি ফ্রন্টলাইন এনজিও হাফসা ফাউন্ডেশন (এইচএফ) এবং প্রগ্রেসিভ পিপলস ফাউন্ডেশন (পিপিএফ)৷ এর পদাধিকারী এবং সদস্যদের একটি কনক্লেভ রবিবার গুয়াহাটির উপকণ্ঠে টেপেসিয়াতে অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সদস্যদের পরিবারবর্গ উপস্থিত ছিলেন। এইচএফ হল একটি এনজিও যা বরাক উপত্যকার মানুষের শিক্ষা এবং সামাজিক উন্নতির জন্য কাজ করে চলেছে৷ যার প্রাথমিক ফোকাস পিছিয়ে পড়া অঞ্চলে৷ একটি আলোকিত, সমন্বিত এবং প্রগতিশীল সম্প্রদায় তৈরি করার জন্য তারা চেষ্টা করে যাচ্ছে৷ এইচএফ-এর ছত্রছায়ায় ফাউন্ডেশনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য পূরণের জন্য চারটি সংস্থা যেমন হাফসা অ্যাকাডেমি, হাফসা সেন্টার ফর সোশিও ওয়েলফেয়ার, হাফসা ইনস্টিটিউট অফ বরাক ভ্যালি স্টাডিজ এবং হাফসা রুরাল লাইব্রেরি অ্যান্ড ইনফরমেশন সেন্টার কাজ করছে। এইচএফ-এর চেয়ারপারসন সাঈদা তাসনিম সম্মেলনের শুরুতে অতিথি ও অংশগ্রহণকারীদের স্বাগত জানান এবং গত বছরে ফাউন্ডেশনের গৃহীত বিভিন্ন কার্যক্রমের একটি আভাস দেন।

রবিবার গুয়াহাটির উপকণ্ঠে অনুষ্ঠিত এই কনক্লেভে রফিক আহমেদ লস্কর (ভাইস চেয়ারপারসন, পিপিএফ) দর্শকদের জানান যে পিপিএফ অসম জুড়ে উন্নয়নমূলক এবং সামাজিক কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে নিযুক্ত রয়েছে। দরিদ্র ও হতদরিদ্রদের আত্মনির্ভরশীল হওয়ার জন্য সাহায্য করাই এর প্রধান লক্ষ্য। পিপিএফ প্রতিশ্রুতিশীল তরুণ ক্রীড়াবিদদের তাদের স্বপ্ন পূরণে সহায়তার পাশাপাশি উচ্চ ও প্রযুক্তিগত অধ্যয়নের জন্য প্রচুর সংখ্যক দরিদ্র ছাত্রদের সহায়তা করছে। সম্প্রতি, তারা শিলচরের কাছাড়ের এক হাসপাতালে দরিদ্র ইনডোর রোগীদের জন্য ১০০টি কম্বল দান করেছেন। হাফসা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত রবিবারের কনক্লেভে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে দুটি এনজিও এইচএফ এবং পিপিএফ বরাক উপত্যকায় বিশেষ লক্ষ্য রেখে গ্রামীণ এলাকায় শিক্ষাগত উন্নয়নের ক্ষেত্রে সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলি অন্বেষণ করবে। দুটি এনজিও নবোদয় বিদ্যালয়ে প্রবেশিকা পরীক্ষা এবং রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারি চাকরিতে অন্যান্য নিয়োগের জন্য কোচিং প্রদানের জন্য একসঙ্গে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

কনক্লেভের একটি অনন্য বিষয় ছিল বই পড়ার অধিবেশন যেখানে চারটি বই প্রকাশ করা হয়৷ একটি সাবির আহমেদ চৌধুরীর লেখা, যেটি এইচএফ প্রকাশ করেছে৷ আবিদ রাজা মজুমদার রচিত লখিপুরের ইতিহাস বিষয়ক দুটি বই এবং নুরুল ইসলাম লস্কর রচিত প্রেরণা এবং ব্যক্তিত্ব বিকাশের উপর আরেকটি বই প্রকৃতি হয়। দ্য হিন্দুস্তান টাইমস-এর প্রাক্তন এক্সিকিউটিভ সুলতানউদ্দিন আহমেদ লস্করের বই ‘বিয়ন্ড সফট স্কিলস’ থেকে কয়েকটি অধ্যায় পড়ে শোনান।

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

এসআইআর-এর শুনানির নোটিস পেয়ে ছিলেন আতঙ্কে, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বৃদ্ধার

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বরাক উপত্যকায় একসঙ্গে সামাজিক কাজ করার অঙ্গীকার হাফসা ফাউন্ডেশন ও পিপিএফের

আপডেট : ৬ জানুয়ারী ২০২২, বৃহস্পতিবার

গুয়াহাটি: অসমের দুটি ফ্রন্টলাইন এনজিও হাফসা ফাউন্ডেশন (এইচএফ) এবং প্রগ্রেসিভ পিপলস ফাউন্ডেশন (পিপিএফ)৷ এর পদাধিকারী এবং সদস্যদের একটি কনক্লেভ রবিবার গুয়াহাটির উপকণ্ঠে টেপেসিয়াতে অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সদস্যদের পরিবারবর্গ উপস্থিত ছিলেন। এইচএফ হল একটি এনজিও যা বরাক উপত্যকার মানুষের শিক্ষা এবং সামাজিক উন্নতির জন্য কাজ করে চলেছে৷ যার প্রাথমিক ফোকাস পিছিয়ে পড়া অঞ্চলে৷ একটি আলোকিত, সমন্বিত এবং প্রগতিশীল সম্প্রদায় তৈরি করার জন্য তারা চেষ্টা করে যাচ্ছে৷ এইচএফ-এর ছত্রছায়ায় ফাউন্ডেশনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য পূরণের জন্য চারটি সংস্থা যেমন হাফসা অ্যাকাডেমি, হাফসা সেন্টার ফর সোশিও ওয়েলফেয়ার, হাফসা ইনস্টিটিউট অফ বরাক ভ্যালি স্টাডিজ এবং হাফসা রুরাল লাইব্রেরি অ্যান্ড ইনফরমেশন সেন্টার কাজ করছে। এইচএফ-এর চেয়ারপারসন সাঈদা তাসনিম সম্মেলনের শুরুতে অতিথি ও অংশগ্রহণকারীদের স্বাগত জানান এবং গত বছরে ফাউন্ডেশনের গৃহীত বিভিন্ন কার্যক্রমের একটি আভাস দেন।

রবিবার গুয়াহাটির উপকণ্ঠে অনুষ্ঠিত এই কনক্লেভে রফিক আহমেদ লস্কর (ভাইস চেয়ারপারসন, পিপিএফ) দর্শকদের জানান যে পিপিএফ অসম জুড়ে উন্নয়নমূলক এবং সামাজিক কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে নিযুক্ত রয়েছে। দরিদ্র ও হতদরিদ্রদের আত্মনির্ভরশীল হওয়ার জন্য সাহায্য করাই এর প্রধান লক্ষ্য। পিপিএফ প্রতিশ্রুতিশীল তরুণ ক্রীড়াবিদদের তাদের স্বপ্ন পূরণে সহায়তার পাশাপাশি উচ্চ ও প্রযুক্তিগত অধ্যয়নের জন্য প্রচুর সংখ্যক দরিদ্র ছাত্রদের সহায়তা করছে। সম্প্রতি, তারা শিলচরের কাছাড়ের এক হাসপাতালে দরিদ্র ইনডোর রোগীদের জন্য ১০০টি কম্বল দান করেছেন। হাফসা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত রবিবারের কনক্লেভে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে দুটি এনজিও এইচএফ এবং পিপিএফ বরাক উপত্যকায় বিশেষ লক্ষ্য রেখে গ্রামীণ এলাকায় শিক্ষাগত উন্নয়নের ক্ষেত্রে সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলি অন্বেষণ করবে। দুটি এনজিও নবোদয় বিদ্যালয়ে প্রবেশিকা পরীক্ষা এবং রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারি চাকরিতে অন্যান্য নিয়োগের জন্য কোচিং প্রদানের জন্য একসঙ্গে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

কনক্লেভের একটি অনন্য বিষয় ছিল বই পড়ার অধিবেশন যেখানে চারটি বই প্রকাশ করা হয়৷ একটি সাবির আহমেদ চৌধুরীর লেখা, যেটি এইচএফ প্রকাশ করেছে৷ আবিদ রাজা মজুমদার রচিত লখিপুরের ইতিহাস বিষয়ক দুটি বই এবং নুরুল ইসলাম লস্কর রচিত প্রেরণা এবং ব্যক্তিত্ব বিকাশের উপর আরেকটি বই প্রকৃতি হয়। দ্য হিন্দুস্তান টাইমস-এর প্রাক্তন এক্সিকিউটিভ সুলতানউদ্দিন আহমেদ লস্করের বই ‘বিয়ন্ড সফট স্কিলস’ থেকে কয়েকটি অধ্যায় পড়ে শোনান।