০১ জানুয়ারী ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১৬ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মুসলিম বলেই বুল্লি বাইয়ের টার্গেট, অভিযোগ আয়েশার

নয়াদিল্লি: সিএএ-বিরোধী আন্দোলনের সময় পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছিলেন পড়ুয়া আয়েশা রেন্না৷ এবার তিনি সরব হলেন সোশ্যাল মিডিয়ায় মুসলিম মহিলাদের নিলামের মাধ্যমে হেনস্তা করার বিরুদ্ধে৷ তার সঙ্গে লাদিদা ফারজানা, নিধা পারভীনরাও বুল্লি বাইয়ের শিকার হয়েছিলেন৷ তাই তারা সুপ্রিম কোর্টকে সুল্লি ডিলস এবং বুল্লি বাই অ্যাপসের বিরুদ্ধে স্বতঃপ্রণোদিত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন৷ মুসলিম নারীদের নিয়ে এমন পৈশাচিক কাজ যারা করছেন, তাদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা৷ সিএএ-বিরোধী আন্দোলনের সময় খ্যাতি অর্জনকারী এই মহিলা কর্মীরা বলেন, আমরা মুসলিম হওয়ার কারণেই আমাদের টার্গেট বানানো হচ্ছে। কেরলের কোঝিকোড়ে একটি সাংবাদিক সম্মেলনে ভাষণ দিতে গিয়ে তারা বলেন, আমরা দৃঢ়ভাবে দাবি করছি যে ভারতের সুপ্রিম কোর্টকে মুসলিম মহিলাদের ক্রমাগত টার্গেট করার প্রসঙ্গে একটি স্বতঃপ্রণোদিত আবেদন নিবন্ধন করতে হবে।

আয়েশা এখন ফ্র‍্যাটারনিটি মুভমেন্টের জাতীয় সম্পাদক৷ তিনি বলেছেন, বুল্লি বাই, সুল্লি ডিল নিয়ে রাজ্য এবং আইনশৃঙ্খলা সংস্থাগুলি নীরব৷ গতবার, দু’টি এফআইআর দায়ের করা সত্ত্বেও এই মামলায় অপরাধীদের বিরুদ্ধে কোনও পুলিশি ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি৷ লাদিদা বলেন, এটি শুধুমাত্র যৌন হয়রানির একটি মামলা নয়। বরং এটা হল ভারতীয় সংস্কৃতিতে মুসলিম মহিলাদের মর্যাদাকে খাটো করা এবং এই বিশ্বাস তৈরি করা যে মুসলিম মহিলারা যে কোনও সময় ধর্ষিত হতে পারে। এমন সময়ে যখন আমাদের ক্রীতদাস হিসাবে বিক্রি করা হয় এবং কেনা হয় তখন জনসমক্ষে নারী হিসাবে আমাদের কি নিরাপত্তা আছে? মুম্বইয়ের টাটা ইনস্টিটিউট অফ সোশ্যাল সায়েন্সের ছাত্রী নিধা পারভীন বলেন, এই ভয় এবং ব্যথা কাটিয়ে ওঠা সত্যিই বেশ কঠিন৷

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

এসআইআর-এর শুনানির নোটিস পেয়ে ছিলেন আতঙ্কে, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বৃদ্ধার

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

মুসলিম বলেই বুল্লি বাইয়ের টার্গেট, অভিযোগ আয়েশার

আপডেট : ৭ জানুয়ারী ২০২২, শুক্রবার

নয়াদিল্লি: সিএএ-বিরোধী আন্দোলনের সময় পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছিলেন পড়ুয়া আয়েশা রেন্না৷ এবার তিনি সরব হলেন সোশ্যাল মিডিয়ায় মুসলিম মহিলাদের নিলামের মাধ্যমে হেনস্তা করার বিরুদ্ধে৷ তার সঙ্গে লাদিদা ফারজানা, নিধা পারভীনরাও বুল্লি বাইয়ের শিকার হয়েছিলেন৷ তাই তারা সুপ্রিম কোর্টকে সুল্লি ডিলস এবং বুল্লি বাই অ্যাপসের বিরুদ্ধে স্বতঃপ্রণোদিত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন৷ মুসলিম নারীদের নিয়ে এমন পৈশাচিক কাজ যারা করছেন, তাদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা৷ সিএএ-বিরোধী আন্দোলনের সময় খ্যাতি অর্জনকারী এই মহিলা কর্মীরা বলেন, আমরা মুসলিম হওয়ার কারণেই আমাদের টার্গেট বানানো হচ্ছে। কেরলের কোঝিকোড়ে একটি সাংবাদিক সম্মেলনে ভাষণ দিতে গিয়ে তারা বলেন, আমরা দৃঢ়ভাবে দাবি করছি যে ভারতের সুপ্রিম কোর্টকে মুসলিম মহিলাদের ক্রমাগত টার্গেট করার প্রসঙ্গে একটি স্বতঃপ্রণোদিত আবেদন নিবন্ধন করতে হবে।

আয়েশা এখন ফ্র‍্যাটারনিটি মুভমেন্টের জাতীয় সম্পাদক৷ তিনি বলেছেন, বুল্লি বাই, সুল্লি ডিল নিয়ে রাজ্য এবং আইনশৃঙ্খলা সংস্থাগুলি নীরব৷ গতবার, দু’টি এফআইআর দায়ের করা সত্ত্বেও এই মামলায় অপরাধীদের বিরুদ্ধে কোনও পুলিশি ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি৷ লাদিদা বলেন, এটি শুধুমাত্র যৌন হয়রানির একটি মামলা নয়। বরং এটা হল ভারতীয় সংস্কৃতিতে মুসলিম মহিলাদের মর্যাদাকে খাটো করা এবং এই বিশ্বাস তৈরি করা যে মুসলিম মহিলারা যে কোনও সময় ধর্ষিত হতে পারে। এমন সময়ে যখন আমাদের ক্রীতদাস হিসাবে বিক্রি করা হয় এবং কেনা হয় তখন জনসমক্ষে নারী হিসাবে আমাদের কি নিরাপত্তা আছে? মুম্বইয়ের টাটা ইনস্টিটিউট অফ সোশ্যাল সায়েন্সের ছাত্রী নিধা পারভীন বলেন, এই ভয় এবং ব্যথা কাটিয়ে ওঠা সত্যিই বেশ কঠিন৷