০২ মার্চ ২০২৬, সোমবার, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

২১ শে জুলাই, শেষ পর্যায়ের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখলেন মমতা

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক:  রাত পোহালেই ২১ শে জুলাই। প্রস্তুতি তুঙ্গে। আর এই শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি নিয়ে ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে এলেন স্বয়ং তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার বিকেল ৫.২০ দিকে আসেন তিনি। প্রতিবারই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শহিদ দিবসের আগের দিন শেষ পর্যায়ের প্রস্তুতি দেখতে আসেন। এবারেও তাঁর অন্যথা হল না। তবে শহিদ সমাবেশে চূড়ান্ত নিরাপত্তার ঘেরাটোপে কলকাতা। ধর্মতলা চত্বরকে ঘিরে রয়েছে সিসি ক্যামেরার নজরদারি।

 

আরও পড়ুন: ‘১ কোটি ২০ লক্ষ নাম বাদ চলে যাবে’, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা নিয়ে বিস্ফোরক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

এদিকে কয়েকদিন আগেই মুখ্যমন্ত্রীর কালীঘাটের বাড়িতে অজ্ঞাতসারে ঢুকে পড়ে এক ব্যক্তি। নিরাপত্তারক্ষীদের হাতে পরে ধরা পড়ে সে। ইতিমধ্যেই তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার পর থেকেই মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। ফলে ২১ শে সমাবেশকে ঘিরে অতি সক্রিয় কলকাতা পুলিশ।

আরও পড়ুন: মুকুল রায়-এর প্রয়াণে শোকবার্তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও নরেন্দ্র মোদীর

২১ শে জুলাই, শেষ পর্যায়ের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখলেন মমতা

আরও পড়ুন: বিএনপির জয়ে ‘শুভনন্দন’ জানালেন মুখ্যমন্ত্রী, তারেক রহমানকে ‘ভাই’ সম্বোধন মমতার

প্রায় দুবছর পর এবার ২১ শে জুলাই প্রকাশ্যে আয়োজন করা হয়েছে। এর দুবার ভার্চুয়ালি বক্তব্য রেখেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার সেই দু বছরের প্রতীক্ষার অবসানে ২১ শে জুলাই সভা মঞ্চ থেকে বক্তব্য রাখবেন তিনি। নেত্রীকে একবার দেখতে উদগ্রীব সকলেই। তাই  পার্ক স্ট্রিট, ডোরিনা ক্রসিং সহ বিভিন্ন জায়গায় বসানো হচ্ছে জায়ান্ট স্ক্রিন। তৈরি করা হয়েছে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। বিকেল থেকে ধর্মতলা চত্বরে যান নিয়ন্ত্রণ করা হবে।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকে এই এলাকায় যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হবে।  সমাবেশে থাকছে হাজার খানেক ভলেন্টিয়ার। তাদের সঙ্গে নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে বৈঠক করলেন পুলিশ কর্তারা। সমাবেশে থাকা ভলেন্টিয়ারদের বিশেষ টি শার্ট দেওয়া হবে। দেওয়া হবে পরিচয় পত্র। এদের প্রত্যেকের জন্য মাস্ক বাধ্যতামূলক। মূল মঞ্চের পাঁচ দিকে দায়িত্বে থাকবেন তৃণমূল যুব নেতারা। বৃহস্পতিবার বারোটা থেকে সভা শুরু। কিন্তু লোকজন আসতে শুরু করবে ভোর থেকেই। ফলে ভলেন্টিয়ারদের থাকবেন মঞ্চের খুব কাছেই।

 

 

সর্বধিক পাঠিত

কুয়েতে ভেঙে পড়ল মার্কিন এফ-১৫, কড়া জবাব দিচ্ছে ইরান

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

২১ শে জুলাই, শেষ পর্যায়ের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখলেন মমতা

আপডেট : ২০ জুলাই ২০২২, বুধবার

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক:  রাত পোহালেই ২১ শে জুলাই। প্রস্তুতি তুঙ্গে। আর এই শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি নিয়ে ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে এলেন স্বয়ং তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার বিকেল ৫.২০ দিকে আসেন তিনি। প্রতিবারই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শহিদ দিবসের আগের দিন শেষ পর্যায়ের প্রস্তুতি দেখতে আসেন। এবারেও তাঁর অন্যথা হল না। তবে শহিদ সমাবেশে চূড়ান্ত নিরাপত্তার ঘেরাটোপে কলকাতা। ধর্মতলা চত্বরকে ঘিরে রয়েছে সিসি ক্যামেরার নজরদারি।

 

আরও পড়ুন: ‘১ কোটি ২০ লক্ষ নাম বাদ চলে যাবে’, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা নিয়ে বিস্ফোরক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

এদিকে কয়েকদিন আগেই মুখ্যমন্ত্রীর কালীঘাটের বাড়িতে অজ্ঞাতসারে ঢুকে পড়ে এক ব্যক্তি। নিরাপত্তারক্ষীদের হাতে পরে ধরা পড়ে সে। ইতিমধ্যেই তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার পর থেকেই মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। ফলে ২১ শে সমাবেশকে ঘিরে অতি সক্রিয় কলকাতা পুলিশ।

আরও পড়ুন: মুকুল রায়-এর প্রয়াণে শোকবার্তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও নরেন্দ্র মোদীর

২১ শে জুলাই, শেষ পর্যায়ের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখলেন মমতা

আরও পড়ুন: বিএনপির জয়ে ‘শুভনন্দন’ জানালেন মুখ্যমন্ত্রী, তারেক রহমানকে ‘ভাই’ সম্বোধন মমতার

প্রায় দুবছর পর এবার ২১ শে জুলাই প্রকাশ্যে আয়োজন করা হয়েছে। এর দুবার ভার্চুয়ালি বক্তব্য রেখেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার সেই দু বছরের প্রতীক্ষার অবসানে ২১ শে জুলাই সভা মঞ্চ থেকে বক্তব্য রাখবেন তিনি। নেত্রীকে একবার দেখতে উদগ্রীব সকলেই। তাই  পার্ক স্ট্রিট, ডোরিনা ক্রসিং সহ বিভিন্ন জায়গায় বসানো হচ্ছে জায়ান্ট স্ক্রিন। তৈরি করা হয়েছে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। বিকেল থেকে ধর্মতলা চত্বরে যান নিয়ন্ত্রণ করা হবে।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকে এই এলাকায় যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হবে।  সমাবেশে থাকছে হাজার খানেক ভলেন্টিয়ার। তাদের সঙ্গে নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে বৈঠক করলেন পুলিশ কর্তারা। সমাবেশে থাকা ভলেন্টিয়ারদের বিশেষ টি শার্ট দেওয়া হবে। দেওয়া হবে পরিচয় পত্র। এদের প্রত্যেকের জন্য মাস্ক বাধ্যতামূলক। মূল মঞ্চের পাঁচ দিকে দায়িত্বে থাকবেন তৃণমূল যুব নেতারা। বৃহস্পতিবার বারোটা থেকে সভা শুরু। কিন্তু লোকজন আসতে শুরু করবে ভোর থেকেই। ফলে ভলেন্টিয়ারদের থাকবেন মঞ্চের খুব কাছেই।