১৫ জানুয়ারী ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বনগাঁ মহকুমা আদালতে স্বাধীনতা দিবস পালিত হল ১৮ আগস্ট   

এম এ হাকিম,  বনগাঁ: উত্তর ২৪ পরগনা জেলার সীমান্ত শহর বনগাঁ মহকুমা আদালত চত্বরে ১৮ আগস্ট বৃহস্পতিবার স্বাধীনতা দিবস পালন করা হয়েছে। এদিন আদলত চত্বরে এই উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে আইনজীবীদের পক্ষ থেকে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও শহিদ বেদীতে মাল্যদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে বর্ষীয়ান আইনজীবীরা ১৮ আগস্ট স্বাধীনতা দিবস পালনের তাৎপর্য তুলে ধরে বক্তব্য দেন। ল’ইয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন, বার অ্যাসোসিয়েশন, সঙ্গে যুক্ত আইনজীবী, ল’ক্লার্কসহ আদালতে আসা মানুষজন ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: বিশাল শোভাযাত্রা সহকারে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন জয়নগর উওরপাড়া মাদ্রাসা দারুল ফালাহের

বনগাঁ আদালতের সরকারি আইনজীবী সমীর দাস বলেন,  ১৪ বছর আগে এই অনুষ্ঠানের সূচনা হয়েছিল। এই দিনটার একটা তাৎপর্য হল বনগাঁ মহকুমার মানুষ প্রকৃত স্বাধীনতা পেয়েছে ১৯৪৭ সালের ১৮ আগস্ট। কেননা ১৯৪৭ সালের ১৭ আগস্ট পর্যন্ত এখানে পাকিস্তানের পতাকা উড়েছিল। যেহেতু বনগাঁ মহকুমা ১৯৪৭ সালের ১৮ আগস্ট স্বাধীনতা লাভ করে সেজন্য ঐতিহাসিক ওই দিনটাকে স্মরণ করতে প্রত্যেক বছর এই দিনে  জাতীয় পতাকা উত্তোলনসহ নানা কর্মসূচি পালন করা হয়।

আরও পড়ুন: স্বাধীনতা দিবসের সকালে ভারতবাসীর উদ্দেশ্যে শুভেচ্ছাবার্তা মমতার

 

আরও পড়ুন: স্বাধীনতা দিবসে মাংসের দোকান বন্ধে রাজনৈতিক বিতর্ক তীব্র

বনগাঁ মহকুমা প্রশাসকের দফতরে ১৯৪৭ সালের ১৮ আগস্ট বেলা ১১ টা ৪৫ মিনিটে পাকিস্তানের পতাকা নামিয়ে ভারতীয় তেরঙ্গা পতাকা তোলা হয়। সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তের স্মরণে ১৮ আগস্ট জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। সেই সময় মহকুমা প্রশাসক হন নৃপেন্দ্র মোহন চক্রবর্তী। ১৯৪৭ সালের আগস্টের ওই দিন পর্যন্ত বনগাঁর মহকুমা প্রশাসক ছিলেন সৈয়েদ আহমদ চৌধুরী।

১৮৮২ সালে নদিয়া জেলা থেকে যশোর জেলার অন্তর্ভুক্ত হয় বনগাঁ মহকুমা। তৎকালীন সময়ে পরাধীন ভারতে বনগাঁয় নীল বিদ্রোহের প্রেক্ষাপটে ১৮৬২ সালের শেষের দিকে ম্যাজিস্ট্রেট মি. হার্সেল এবং জেলা প্রশাসক অ্যাসলে ইডেন বনগাঁয় আসেন এবং নীল চাষিদের শান্ত করার জন্য বনগাঁকে মহকুমা ঘোষণা করেন। বনগাঁ ল’ইয়ার্স এসোসিয়েশন আয়োজিত ১৮ আগস্ট জাতীয় পতাকা উত্তোলন কর্মসূচিতে সহযোগী হিসেবে ছিল বনগাঁ বার অ্যাসোসিয়েশন, বনগাঁ ল’ক্লার্কস অ্যাসোসিয়েশন,, ল’ক্লার্কস ফোরাম প্রভৃতি সংগঠন।

সর্বধিক পাঠিত

২৪ ঘণ্টার মধ্যে ইরানে মার্কিন হামলার আশঙ্কা, যুদ্ধের মুখে তেহরান-ওয়াশিংটন

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বনগাঁ মহকুমা আদালতে স্বাধীনতা দিবস পালিত হল ১৮ আগস্ট   

আপডেট : ১৯ অগাস্ট ২০২২, শুক্রবার

এম এ হাকিম,  বনগাঁ: উত্তর ২৪ পরগনা জেলার সীমান্ত শহর বনগাঁ মহকুমা আদালত চত্বরে ১৮ আগস্ট বৃহস্পতিবার স্বাধীনতা দিবস পালন করা হয়েছে। এদিন আদলত চত্বরে এই উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে আইনজীবীদের পক্ষ থেকে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও শহিদ বেদীতে মাল্যদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে বর্ষীয়ান আইনজীবীরা ১৮ আগস্ট স্বাধীনতা দিবস পালনের তাৎপর্য তুলে ধরে বক্তব্য দেন। ল’ইয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন, বার অ্যাসোসিয়েশন, সঙ্গে যুক্ত আইনজীবী, ল’ক্লার্কসহ আদালতে আসা মানুষজন ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: বিশাল শোভাযাত্রা সহকারে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন জয়নগর উওরপাড়া মাদ্রাসা দারুল ফালাহের

বনগাঁ আদালতের সরকারি আইনজীবী সমীর দাস বলেন,  ১৪ বছর আগে এই অনুষ্ঠানের সূচনা হয়েছিল। এই দিনটার একটা তাৎপর্য হল বনগাঁ মহকুমার মানুষ প্রকৃত স্বাধীনতা পেয়েছে ১৯৪৭ সালের ১৮ আগস্ট। কেননা ১৯৪৭ সালের ১৭ আগস্ট পর্যন্ত এখানে পাকিস্তানের পতাকা উড়েছিল। যেহেতু বনগাঁ মহকুমা ১৯৪৭ সালের ১৮ আগস্ট স্বাধীনতা লাভ করে সেজন্য ঐতিহাসিক ওই দিনটাকে স্মরণ করতে প্রত্যেক বছর এই দিনে  জাতীয় পতাকা উত্তোলনসহ নানা কর্মসূচি পালন করা হয়।

আরও পড়ুন: স্বাধীনতা দিবসের সকালে ভারতবাসীর উদ্দেশ্যে শুভেচ্ছাবার্তা মমতার

 

আরও পড়ুন: স্বাধীনতা দিবসে মাংসের দোকান বন্ধে রাজনৈতিক বিতর্ক তীব্র

বনগাঁ মহকুমা প্রশাসকের দফতরে ১৯৪৭ সালের ১৮ আগস্ট বেলা ১১ টা ৪৫ মিনিটে পাকিস্তানের পতাকা নামিয়ে ভারতীয় তেরঙ্গা পতাকা তোলা হয়। সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তের স্মরণে ১৮ আগস্ট জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। সেই সময় মহকুমা প্রশাসক হন নৃপেন্দ্র মোহন চক্রবর্তী। ১৯৪৭ সালের আগস্টের ওই দিন পর্যন্ত বনগাঁর মহকুমা প্রশাসক ছিলেন সৈয়েদ আহমদ চৌধুরী।

১৮৮২ সালে নদিয়া জেলা থেকে যশোর জেলার অন্তর্ভুক্ত হয় বনগাঁ মহকুমা। তৎকালীন সময়ে পরাধীন ভারতে বনগাঁয় নীল বিদ্রোহের প্রেক্ষাপটে ১৮৬২ সালের শেষের দিকে ম্যাজিস্ট্রেট মি. হার্সেল এবং জেলা প্রশাসক অ্যাসলে ইডেন বনগাঁয় আসেন এবং নীল চাষিদের শান্ত করার জন্য বনগাঁকে মহকুমা ঘোষণা করেন। বনগাঁ ল’ইয়ার্স এসোসিয়েশন আয়োজিত ১৮ আগস্ট জাতীয় পতাকা উত্তোলন কর্মসূচিতে সহযোগী হিসেবে ছিল বনগাঁ বার অ্যাসোসিয়েশন, বনগাঁ ল’ক্লার্কস অ্যাসোসিয়েশন,, ল’ক্লার্কস ফোরাম প্রভৃতি সংগঠন।