০২ জানুয়ারী ২০২৬, শুক্রবার, ১৭ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

৪ সাধকের বিরুদ্ধে সাধ্বীকে গণধর্ষণের অভিযোগ

পুবের কলম, ওয়েব ডেস্ক: এবার মন্দিরের আশ্রমেও ধর্ষণ। দেশের ‘ধর্ষণ সংস্কৃতি’র চূড়ান্ত রূপ দেখাল লখনউয়ের জানকী মন্দিরের আশ্রম। মন্দিরের এক সাধ্বীকে গণধর্ষণ করার অভিযোগ উঠল ৪ সাধকের বিরুদ্ধে। গোমতীনগরের ওই আশ্রমে ৪ অক্টোবর  খাবারের সঙ্গে নেশা দ্রব্য  মিশিয়ে সাধ্বীকে খাইয়েছিলেন দুর্বাসা নামের এক সাধক। ওই খাবার খেয়ে জ্ঞান হারান সাধ্বী। জ্ঞান ফেরার পর নিজেকে বিবস্ত্র দেখে ঘাবরে যান তিনি।

তখনও সেখানে উপস্থিত ছিল অভিযুক্ত সাধক দুর্বাসা, ছোট মৌনি, বড় মৌনি ও মনমোহন দাস। তিনি সাহায্যের জন্য ডাকাডাকি শুরু করলে তাঁকে প্রাণ নাশের হুমকি দেওয়া হয়। এই ঘটনার পর আশ্রম প্রধানের (মহন্ত) কাছে অভিযোগ জানাতে গেলে উল্টে অপরাধীদের পক্ষ নেন মহন্ত। আশ্রম প্রধান বলেন, এখানে থাকতে হলে এসব সহ্য করতে হবে। এরপর গোমতনগর থানায় গিয়ে চার সাধকের বিরুদ্ধে এফআইআর করেন নির্যাতিতা সাধ্বী। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তরা পলাতক।

আরও পড়ুন: কসবা-কাণ্ড: কড়া শাস্তির দাবি এসডিপিআইয়ের

ওই এলাকার পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছেন তাঁরা। তদন্ত শেষ হলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। নির্যাতিতা পুলিশকে জানিয়েছেন, তিনি আগে মথুরার একটি আশ্রমে থাকতেন। গত বছর প্রয়াগরাজের মাঘ মেলায় গিয়ে তাঁর পরিচয় হয় জানকী মন্দিরের এক সাধ্বীর সঙ্গে। তিনিই তাঁকে এই আশ্রমে আসার জন্য আমন্ত্রণ জানান। ওই সাধ্বীর ভাই অসুস্থ হলে তিনি বারাণসী চলে যান। তারপরই তাঁকে গণধর্ষণ করা হয়।

আরও পড়ুন: যোগীরাজ্যে ফের গণধর্ষণ! নাবালিকাকে তিন যুবকের গণধর্ষণ

সর্বধিক পাঠিত

নেতানিয়াহুর শাসন পছন্দ নয়! এক বছরে ইসরাইল ছেড়েছেন প্রায় ৭০ হাজার ইহুদি

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

৪ সাধকের বিরুদ্ধে সাধ্বীকে গণধর্ষণের অভিযোগ

আপডেট : ১৭ অক্টোবর ২০২২, সোমবার

পুবের কলম, ওয়েব ডেস্ক: এবার মন্দিরের আশ্রমেও ধর্ষণ। দেশের ‘ধর্ষণ সংস্কৃতি’র চূড়ান্ত রূপ দেখাল লখনউয়ের জানকী মন্দিরের আশ্রম। মন্দিরের এক সাধ্বীকে গণধর্ষণ করার অভিযোগ উঠল ৪ সাধকের বিরুদ্ধে। গোমতীনগরের ওই আশ্রমে ৪ অক্টোবর  খাবারের সঙ্গে নেশা দ্রব্য  মিশিয়ে সাধ্বীকে খাইয়েছিলেন দুর্বাসা নামের এক সাধক। ওই খাবার খেয়ে জ্ঞান হারান সাধ্বী। জ্ঞান ফেরার পর নিজেকে বিবস্ত্র দেখে ঘাবরে যান তিনি।

তখনও সেখানে উপস্থিত ছিল অভিযুক্ত সাধক দুর্বাসা, ছোট মৌনি, বড় মৌনি ও মনমোহন দাস। তিনি সাহায্যের জন্য ডাকাডাকি শুরু করলে তাঁকে প্রাণ নাশের হুমকি দেওয়া হয়। এই ঘটনার পর আশ্রম প্রধানের (মহন্ত) কাছে অভিযোগ জানাতে গেলে উল্টে অপরাধীদের পক্ষ নেন মহন্ত। আশ্রম প্রধান বলেন, এখানে থাকতে হলে এসব সহ্য করতে হবে। এরপর গোমতনগর থানায় গিয়ে চার সাধকের বিরুদ্ধে এফআইআর করেন নির্যাতিতা সাধ্বী। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তরা পলাতক।

আরও পড়ুন: কসবা-কাণ্ড: কড়া শাস্তির দাবি এসডিপিআইয়ের

ওই এলাকার পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছেন তাঁরা। তদন্ত শেষ হলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। নির্যাতিতা পুলিশকে জানিয়েছেন, তিনি আগে মথুরার একটি আশ্রমে থাকতেন। গত বছর প্রয়াগরাজের মাঘ মেলায় গিয়ে তাঁর পরিচয় হয় জানকী মন্দিরের এক সাধ্বীর সঙ্গে। তিনিই তাঁকে এই আশ্রমে আসার জন্য আমন্ত্রণ জানান। ওই সাধ্বীর ভাই অসুস্থ হলে তিনি বারাণসী চলে যান। তারপরই তাঁকে গণধর্ষণ করা হয়।

আরও পড়ুন: যোগীরাজ্যে ফের গণধর্ষণ! নাবালিকাকে তিন যুবকের গণধর্ষণ