০৫ মার্চ ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দলিতদের জলের ট্যাঙ্কে ভাসছে মানুষের মল, ন্যক্কারজনক ঘটনার সাক্ষী  থাকল তামিলনাড়ু

পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ বর্ণবৈষম্যের মতো ন্যক্কারজনক ঘটনার সাক্ষী  থাকল পেরিয়ার আন্দোলনের  জন্মভূমি তামিলনাড়ু। যে  রাজ্যে ১০০ বছর আগে  দলিতদের অধিকারের দাবিতে আন্দোলন হয়েছিল। ফের সেই রাজ্যেই জাতিগত বিদ্বেষের শিকার হলেন দলিতরা।  উল্লেখ্য, মানুষের মল পাওয়া গিয়ে পানীয় জলের ট্যাঙ্কে। একেবারে ওভারহেড ট্যাঙ্কের মধ্যে মানব মল ভরে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় রীতিমত চমকে গেছে স্থানীয়  প্রশাসন।

 

আরও পড়ুন: এসআইআর: তামিলনাড়ুতে বাদ পড়ল ৭৪ লক্ষের বেশি নাম

তামিলনাডুর কিছু কিছু জায়গায় এখনও উচ্চবর্ণের মানুষ ও তফসিলি জনজাতির জন্য জলের ট্যাঙ্ক আলাদা। এমনকী একটি চায়ের দোকানে দুই বর্ণের মানুষের চা খাওয়ার ভাঁড়ও  আলাদা।

আরও পড়ুন: পাঁচ জেলায় সবচেয়ে বেশি নাম বাদ, তামিলনাড়ুতে ১২.৪৩ লক্ষ ভোটারকে শুনানির নোটিস কমিশনের

 

আরও পড়ুন: তামিলনাড়ুতে দুটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ৬, আহত ২৮

এবার সেই গ্রামেই দলিতদের জন্য নির্দিষ্ট একটি জলের ট্যাঙ্কে মানুষের মল ভাসছিল বলে জানা গিয়েছে। তবে কে বা কারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত রয়েছে সেটা এখনও জানতে  পারেনি পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে তামিলনাড়ুর ইরায়ুর গ্রামে।

 

গ্রামটিতে সমাজের তথাকথিত তফসিলি জাতিভুক্ত মানুষের বাস। তাদেরই পানীয় জলের ট্যাঙ্কে কেউ মল ফেলে দেয় বলেই অভিযোগ। আসলে কিছুদিন ধরে শিশুদের পাতলা পায়খানা হচ্ছিল। সঙ্গে বমি। তারা চিকিৎসকের কাছে গেলে, তিনি জানিয়েছিলেন জলের উৎসটা একবার পরীক্ষা করে দেখতে।

 

অন্যদিকে জল থেকে দুর্গন্ধ বের হতে দেখে ট্যাঙ্কের কাছে যেতেই গোটা বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে ।  তারা দেখেন মানুষের মল একেবারে বোঝাই করা ওভারহেড  ট্যাঙ্কে।  এদিকে ঘটনার পরেই উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। তদন্তে নামে পুলিশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গ্রামে পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

 

সংবাদ মাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে স্থানীয় বাসিন্দা জানিয়েছেন, “ট্যাঙ্কের ভিতরে এতটাই মল ছিল যে জল হলুদ রঙের হয়ে গিয়েছিল। এসব না জেনেই সবাই এই জল পান করছিল।”

 
প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা আমেরিকার, বাড়ছে উদ্বেগ

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

দলিতদের জলের ট্যাঙ্কে ভাসছে মানুষের মল, ন্যক্কারজনক ঘটনার সাক্ষী  থাকল তামিলনাড়ু

আপডেট : ২৯ ডিসেম্বর ২০২২, বৃহস্পতিবার

পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ বর্ণবৈষম্যের মতো ন্যক্কারজনক ঘটনার সাক্ষী  থাকল পেরিয়ার আন্দোলনের  জন্মভূমি তামিলনাড়ু। যে  রাজ্যে ১০০ বছর আগে  দলিতদের অধিকারের দাবিতে আন্দোলন হয়েছিল। ফের সেই রাজ্যেই জাতিগত বিদ্বেষের শিকার হলেন দলিতরা।  উল্লেখ্য, মানুষের মল পাওয়া গিয়ে পানীয় জলের ট্যাঙ্কে। একেবারে ওভারহেড ট্যাঙ্কের মধ্যে মানব মল ভরে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় রীতিমত চমকে গেছে স্থানীয়  প্রশাসন।

 

আরও পড়ুন: এসআইআর: তামিলনাড়ুতে বাদ পড়ল ৭৪ লক্ষের বেশি নাম

তামিলনাডুর কিছু কিছু জায়গায় এখনও উচ্চবর্ণের মানুষ ও তফসিলি জনজাতির জন্য জলের ট্যাঙ্ক আলাদা। এমনকী একটি চায়ের দোকানে দুই বর্ণের মানুষের চা খাওয়ার ভাঁড়ও  আলাদা।

আরও পড়ুন: পাঁচ জেলায় সবচেয়ে বেশি নাম বাদ, তামিলনাড়ুতে ১২.৪৩ লক্ষ ভোটারকে শুনানির নোটিস কমিশনের

 

আরও পড়ুন: তামিলনাড়ুতে দুটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ৬, আহত ২৮

এবার সেই গ্রামেই দলিতদের জন্য নির্দিষ্ট একটি জলের ট্যাঙ্কে মানুষের মল ভাসছিল বলে জানা গিয়েছে। তবে কে বা কারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত রয়েছে সেটা এখনও জানতে  পারেনি পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে তামিলনাড়ুর ইরায়ুর গ্রামে।

 

গ্রামটিতে সমাজের তথাকথিত তফসিলি জাতিভুক্ত মানুষের বাস। তাদেরই পানীয় জলের ট্যাঙ্কে কেউ মল ফেলে দেয় বলেই অভিযোগ। আসলে কিছুদিন ধরে শিশুদের পাতলা পায়খানা হচ্ছিল। সঙ্গে বমি। তারা চিকিৎসকের কাছে গেলে, তিনি জানিয়েছিলেন জলের উৎসটা একবার পরীক্ষা করে দেখতে।

 

অন্যদিকে জল থেকে দুর্গন্ধ বের হতে দেখে ট্যাঙ্কের কাছে যেতেই গোটা বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে ।  তারা দেখেন মানুষের মল একেবারে বোঝাই করা ওভারহেড  ট্যাঙ্কে।  এদিকে ঘটনার পরেই উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। তদন্তে নামে পুলিশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গ্রামে পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

 

সংবাদ মাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে স্থানীয় বাসিন্দা জানিয়েছেন, “ট্যাঙ্কের ভিতরে এতটাই মল ছিল যে জল হলুদ রঙের হয়ে গিয়েছিল। এসব না জেনেই সবাই এই জল পান করছিল।”